সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ | ২ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

জীবন অনেক সুন্দর

মহান সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীকে অনেক সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবী সৃষ্টির পর মানবজাতি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন আঠারো হাজার প্রজাতি। এরমধ্যে মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। সেই মানুষ নিজেরাই নিজেদের সম্মানহানি করে। পারস্পরিক রেষারেষি, দ্বন্দ্ব, সংঘাতের কারণে জীবন হয়ে ওঠে অতিষ্ট। এরা জীবনের মানে বোঝে না। জীবনকে ভালোবাসতে জানে না। জীবনকে উপলব্ধিও করতে পারে না। এরা জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। এরা হতাশাবাদী। এদের কোনো আশা নেই। এদের কাছে জীবনের মানে কষ্টের দিনলিপি।

আসলেই কি তাই? আশাবাদীরা কি বলেন? জীবন নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা কি রকম? আশাবাদীরা বলেন, জীবন অনেক সুন্দর। জীবনকে সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য যা যা করা দরকার তা করতে হবে। তাহলেই জীবন সৌন্দর্যময় হয়ে উঠবে। একটা গাছ পরিচর্যা করলে যেমন সজিব সতেজ হয়ে ওঠে, তেমনি মানুষের জীবন। একে যত্ম নিতে হয়। পরিচর্যা করতে হয়। তাহলেই জীবন তার সঠিক পথ খুঁজে পায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের মতো পশ্চাৎপদ দেশে জীবনকে আনন্দময় করে তুলবেন কিভাবে? সংসার চালানোই যেখানে দায়, সেখানে সুখের সন্ধান কোথায় পাবে? চাকরি যেখানে সোনার হরিণ সেখানে জীবনকে আনন্দময় করে তোলা কিভাবে সম্ভব? তার মানে আমাদের প্রত্যেকের একটাই মিশন, লেখাপড়া শেষ করে একটা চাকরি করব। নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের এটাই হচ্ছে একমাত্র আশা। এটাই তারা স্বপ্ন দেখে। মা-বাবাও প্রতীক্ষায় থাকেন, কবে ছেলে একটা চাকরি পাবে? কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন যারা লেখাপড়া শেষ করে কৃষক হবেন, ব্যবসায়ী হবেন, কিংবা উদ্যোক্তা হবেন তা ভাবেন না। তাহলে পরিবর্তন আসবে কি করে? শুধুমাত্র চাকরির পেছনে না ছুটে আমরা যদি জীবনটাকে ভিন্নভাবে সাজাতে চাই!

আমাদের দেশের উন্নয়নের অন্যতম শক্তি একজন কৃষক। সেই কৃষক যদি হয় শিক্ষিত, তাহলে তিনি কতভাবে সমাজে প্রভাব ফেলতে পারেন। তার চিন্তাশক্তি দিয়ে কৃষি খাতকে এগিয়ে নিতে পারেন। একজন উদ্যোক্তা গ্রামে বসেও নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারেন। অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। সবাইকে কেন চাকরি করতে হবে? চাকরি করলেই যে জীবন আনন্দময় হবে তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে? যার আবিষ্কারের নেশা সে কেন চাকরির চিন্তা করে সময় নষ্ট করবে?

জীবন নিয়ে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করা যায়। অতিরিক্ত চাপ নিয়ে জীবনকে কঠিন করে তোলার কোনো মানে নেই। জীবনকে সহজ করে তুলতে পারলেই সবকিছু সহজ হয়ে যাবে। সহজ সরল পথে হাঁটুন। সহজ ভাবনা ভাবুন। সামনে সংকট আসতে পারে ভেবে বর্তমানের হাসি বন্ধ রাখা কি ঠিক? বর্তমানের আনন্দকে উপভোগ করুন। প্রাণ খুলে হাসুন। হাসতে গিয়ে মুখ চেপে রাখা যাবে না। নিজেকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে। নিজেকে গড়ে তোলা বা তৈরি হওয়ার জন্য খুব যত্নশীল হতে হবে। পরিচর্যা করতে হবে। সময়ের মূল্য দিতে হবে। আপনি যদি ইতিবাচক ভাবনা ভাবেন তাহলে দেখবেন আপনার মানসিক জোর অনেক বেড়ে যাবে। আর নেতিবাচক ভাবনা বেশি ভাবলে মানসিক জোর কমে যায়। মানসিক জোর কমে গেলে দুশ্চিন্তা মাথায় ভর করে।

দুশ্চিন্তা, হতাশাও কিন্তু এক ধরনের সংক্রামক ব্যাধি। একজনের থেকে আরেকজনে ছড়িয়ে পড়ে। হতাশা থেকে মানুষ আত্মহত্যা পর্যন্ত করে। যারা আত্মহত্যা করে তাদের মতো অভাগা আর নেই। এরা চরম হতাশাবাদীদের দলে। এরা যদি জীবনকে উপলব্ধি করতে পারত তাহলে কখনো আত্মহত্যার কথা ভাবত না। জীবন থেকে হতাশা নামক শব্দ চিরদিনের জন্য বিদায় করতে হবে। মনে রাখতে হবে, জীবন অনেক সুন্দর। জীবনকে সুন্দর রাখার জন্য নিজেকে সময় দিন। নিজেকে নিয়ে একটু ভাবুন।

লেখক: প্রধান সম্পাদক, ঢাকাপ্রকাশ ও সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন>>>

ইচ্ছাশক্তিই মহাশক্তি

স্বপ্ন কখনো মরে না

আরএ/

Header Ad

বিদেশের ওপর নির্ভর করে আওয়ামী লীগ সরকার টিকে আছে : মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকার একটি নতজানু সরকার, বিদেশের ওপর নির্ভর করে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । তিনি বলেন, ‘আমাদের ভূখণ্ড সেন্টমার্টিনে গোলাগুলি হচ্ছে। মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজও সেখানে দেখা যাচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত আসছে। আর তারা বলছে (সরকার)- আমরা দেখছি।’

রোববার দুপুর ২টায় ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ীতে নিজ বাসভবনে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার আমাদের আন্তর্জাতিক যে সমুদ্র পথ সে পথে আমরা যেতে পারছি না। এটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি।

দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো- এই অনির্বাচিত সরকার, দখলদারিত্বের সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্টেটমেন্ট দেয়নি। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আলোচনা করবে বলছে; কিন্তু কোনো আলোচনা এখন পর্যন্ত আমরা শুনিনি। তাহলে এ সরকারের প্রতি মানুষ কী করে আস্থা রাখবে। এটি (আওয়ামী লীগ) একটি নতজানু সরকার। বিদেশের ওপর নির্ভর করে এই সরকার টিকে আছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা-কর্মকারী মনে করছেন যে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, লুটপাট করে, বিএনপিকে নির্যাতন করে টিকে থাকতে পারবেন; তারা তা পারবেন না। আল্টিমেটলি এভাবে টিকে থাকা যায় না। তার প্রমাণ বেনজীর ও আজিজ। আওয়ামী লীগ সরকারই তাদেরকে বলির পাঁঠা বানিয়েছে।

‘এখন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ফিরিস্তি পত্রিকায় বের হয়েছে। একে একে সবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। এ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তাদেরকে চুরির সুযোগ দিচ্ছে। তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সরকার ফেল। তাদের উচিত পদত্যাগ করা।’

ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন একটা তামাশা। এটা করতে হয় তাই আওয়ামী লীগ করছে। নির্বাচনের আগেই বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে তারা জেলে পাঠিয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

‘ভারতেও নির্বাচনের আগে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। তাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তার কারন হলো যারা শাসন ক্ষমতায় থাকে তারা গণএন্ত্র বিশ্বাস করে না।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাহস করে যদি আপনারা না দাঁড়ান তাহলে সংবাদ মাধ্যমে টিকে থাকতে পারবেন না। আওয়ামী লীগ সরকারই ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল।

‘সাংবাদিকরা তখন ভিক্ষা করতেন, ফল বিক্রি করতেন। এখন অনেকটিভি চ্যানেল হয়েছে। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তার মালিকের হুকুম ছাড়া কিছুই করতে পারেন না।’

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমীন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, আবু নুর চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতা।

ঈদের দিন তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দিন তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার কোনো কোনো স্থানে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও আছে। এর পাশাপাশি দু–এক বিভাগে মেঘলা আকাশ এবং সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তথ্য মতে, দেশজুড়ে টানা বা ভারী বৃষ্টি হবে নেই। দেশের বড় অংশজুড়ে ওই দিন ভ্যাপসা গরমের ভাবটা থাকতে পারে। এর কারণ হলো, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি। তাই তাপমাত্রা হয়তো খুব বেশি না থাকলেও অস্বস্তি চরমে উঠতে পারে। আজ রোববারও দেশের একটি বড় অংশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়তি, আছে অস্বস্তিও।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ আজ বলেন, ঈদের দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতিতে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ওই দিন বৃষ্টি হতে পারে। এই তিন বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে। এসব এলাকার তাপমাত্রা সহনীয় থাকতে পারে। ঈদের দিন চট্টগ্রাম বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী বিভাগে ঈদের দিন তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত বেশি থাকতে পারে বলে জানান বজলুর রশীদ। তিনি বলছিলেন, এই তিন বিভাগের কোথাও কোথাও সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। খুলনা ও বরিশালে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকতে পারে। কোথাও কোথাও তা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। এ বিভাগের কিছু জায়গায় আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।

খুলনা বিভাগে টানা কয়েক দিন মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল খুলনায়, ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ বিভাগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১০টি স্টেশনের মধ্যে কুমারখালী ও নড়াইল বাদ দিয়ে বাকিগুলোতে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল। তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে ধরা হয়।

ঈদের দিন তাহলে ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে—এ প্রশ্নে বজলুর রশীদ বলেন, ঢাকার আকাশ ওই দিন মেঘলা থাকতে পারে। আর বিকেলের দিকে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ঢাকায় ঈদের দিন বৃষ্টি হলেও তা গরম কমাবে না বলেই মনে হয়।

যদিও এখন তাপমাত্রা এপ্রিলের সেই তীব্র বা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ নেই। কিন্তু এর মধ্যেও গরমের অনুভূতি হচ্ছে প্রচণ্ড। ঘাম ঝরছে খুব। এর কারণ হিসেবে বজলুর রশীদ বলেন, ‘এখন বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ খুব বেশি। গতকাল ঢাকায় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৯ ভাগ। ঈদের দিনেও আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। তাই গরমের অনুভব হবে বেশি।

আজ সকাল ছয়টায় ঢাকার বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ ভাগ।

আকাশ মেঘলা থাকলে একটা বড় বিপত্তি দেখা দেয়। সেটা হলো, ভূপৃষ্ঠে তৈরি হওয়া তাপ আটকে থাকে। এতে গরমের অনুভূতি বেশি হয়। ঈদের দিন অন্তত ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকলে গরমে অস্বস্তি বেশি হতে পারে বলে জানান বজলুর রশীদ।

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল (১৭ জুন) দেশে উদযাপিত হবে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ঈদুল আজহা।

রোবাবার (১৬ জুন) তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাতে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম, এক বছর পর আবারও আমাদের জীবনে ফিরে এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি আপনাদেরকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাই।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আসুন ঈদুল আজহার শিক্ষা গ্রহণ করে ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি।

বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা আপনার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ, শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঈদ মোবারক।

সর্বশেষ সংবাদ

বিদেশের ওপর নির্ভর করে আওয়ামী লীগ সরকার টিকে আছে : মির্জা ফখরুল
ঈদের দিন তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদুল আজহা উদযাপন
ঘোড়াঘাটে ভূমি দখলকারীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি
ঈদের দিন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ও জাদুঘর সকল দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ থাকবে
ছাত্রদলের ২৬০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা
দায়িত্বের এ জীবন কঠিন হলেও সুন্দর : বাবা দিবসে পরীমণি
কুড়িগ্রামে আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় সোলায়মানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব
জাতীয় ঈদগাহে ৫ স্তরের নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার
জেনে নিন ঢাকায় কখন কোথায় ঈদের জামাত
ঈদের দিনেও রেহাই নেই গাজার বাসিন্দাদের
চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা
বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে ফের রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় অর্ধলাখ যানবাহন পারাপার
শেষ মুহূর্তে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ
অজিদের কল্যাণে সুপার এইট নিশ্চিত করলো ইংল্যান্ড
সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান রেখেছে আওয়ামী লীগ : খাদ্যমন্ত্রী
সারাদিনের ভোগান্তির পর উত্তরের ঈদযাত্রায় ফিরেছে স্বস্তি
আর্থিক সংকটে কাঙ্খিত বেচা-কেনা হয়নি চুয়াডাঙ্গার পশুহাট গুলোতে
আনারকন্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিএমপি কমিশনার