শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে কাজ করছে বিএনপি

নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি নির্বাচনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে ভেতরে ভেতরে কাজ করছে দলটি। দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকলেও ভেতরে ভেতরে দলটির হাইকমান্ড তৃণমূলকে সেভাবেই প্রস্তুত করছে।

আন্দোলন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিএনপি বিভাগীয় পর্যায়ে যে সমাবেশ করতে যাচ্ছে সেগুলো নির্বাচনী প্রস্তুতিরই অংশ। এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে নির্বাচনী প্রস্তুতির বিষয়েও বার্তা দিচ্ছে দলীয় হাইকমান্ড।

নির্বাচনী প্রস্তুতি নিলেও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার বিষয়ে অটুট থাকার সিদ্ধান্তও আছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের একটি দায়িত্বশীল সূত্র মতে, মিটিং মিছিল সভা-সেমিনার বক্তব্যে আন্দোলনের কথা বলা হলেও আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরোদমে চলছে দল গোছানোর কাজ।

এরই অংশ হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতাদের অগ্রাধিকার দিয়ে ইতিমধ্যে ৮১টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৫৪টির অধিক জেলায় বিএনপির কমিটি পুনর্গঠন শেষ হয়েছে। দলের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও ঢেলে সাজানো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ছাত্রদল, যুবদল, কৃষক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঢাকা মহানগরকে আন্দোলন ও নির্বাচনমুখী করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মহানগর আহ্বায়ক কমিটি প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ড কমিটিতে নতুন নেতৃত্ব আনতে কাজ করছে।

সূত্র জানায়, আগামী নির্বাচনে যারা নির্বাচন করতে আগ্রহী তাদের ভোটের মাঠ গোছাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে কি না সেটিও মনিটরিং করা হচ্ছে। আন্দোলনে রাজপথে না থাকলে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। হাইকমান্ডের এমন মনোভাব বুঝতে পেরে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। অনেকে দলীয় কোনো পদে না থাকলেও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে প্রমাণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

এ ছাড়াও বহিষ্কৃত ও সংস্কারপন্থী নেতাদেরও দলে ভেড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। কাউকে কাউকে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। নির্বাচন ও আন্দোলনকে সামনে রেখে দলকে চাঙ্গা ও শক্তিশালী করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি নেতারা বার বার বলছেন, বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল। যেকোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাওয়ার মতো প্রস্তুতি আছে। তবে সেই নির্বাচনটা হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীন। সে লক্ষ্যে তারা নির্বাচনী প্রস্তুতির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার আন্দোলনও চালিয়ে যাবে। রাজপথের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই নিরপেক্ষ সরকারের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে চায় দলটি।
বিএনপি নেতারা বলছেন, নির্বাচনে যেতে হলে আগে পক্ষে জনমত গঠন করারও প্রয়োজনীয়তা আছে। জনমত গঠন করে একটি আন্দোলন চলবে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার বিষয়টি রাজপথে নিষ্পত্তি হবে বলেও মনে করছেন নেতারা।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘বিএনপি দেশের একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল। জনগণ যখনই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে তখনই বিএনপি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। সেই দলটি সবসময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকে। নির্বাচনের জন্য আলাদা করে প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে না।’

তিনি বলেন, ‘কথা হচ্ছে নির্বাচনটা কীভাবে হবে, কার অধীনে হবে- সেটার জন্যই তো এতকিছু। এত মামলা হামলা নির্যাতন ও প্রাণ বিসর্জন। আমরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন করছি। সেই কাঙ্ক্ষিত দাবি আদায় হলেই কেবল মাত্র বিএনপি নির্বাচনে যাবে। নিকট অতীতে গেলেও এবার দলীয় সরকার কিংবা শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সেটা কোন ধরনের নির্বাচন হয়-সেটি দেশবাসীর সঙ্গে বিশ্ববাসী অবগত আছে।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘যেকোনো মুহূর্তেই নির্বাচনের প্রস্তুতি আছে বিএনপির। তবে নির্বাচনটা যাতে সকল দলের অংশগ্রহণে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় সেই লক্ষ্যে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। একটাই প্রস্তুতি; সেটা হচ্ছে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা। সেই প্রস্তুতিই নিতে শুরু করেছি। নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হবে না-সেটার প্রমাণ তিনি নিজেই দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচনে যাব না। এ ব্যাপারে বিএনপির অবস্থান সুস্পষ্ট।’

এদিকে ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তৃণমূল বেশকয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ইচ্ছা-অনিচ্ছায় নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসে না। আমরা এমপি-মন্ত্রী হতে চাই না, তাই নির্বাচন কবে হবে, কখন হবে নিয়ে এই মুহুর্তে মাথা ব্যথা নেই; আগে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা চাই।’

তারা বলেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বক্তব্য ছাপিয়ে দলের ভেতরে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি না করালে ভালো হয়। এই মুহূর্তে বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

এনএইচবি/এমএমএ/ 

কুমিল্লাকে হারিয়ে প্লে-অফে বরিশাল, খুলনার বিদায়

ছবি: সংগৃহীত

তামিমের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে কুমিল্লাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল বরিশাল। এদিকে, আজকের ম্যাচের ফলাফলের সাথে ঝুলে থাকা খুলনা টাইগার্স টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছে। এদিন দারুণ বোলিংয়ে কুমিল্লাকে নাগালে রেখে কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন তাইজুল-সাইফউদ্দিনরা।

সেখান থেকে দারুণ একটি ইনিংস খেলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে না পারলেও দলকে জয়ের কাছে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। কুমিল্লার ১৪০ রানের জবাবে ১৯.৪ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বরিশাল।

শুক্রবার মিরপুরে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় খুলনা টাইগার্স ও ফরচুন বরিশাল। এদিন টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম। সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তার প্রমাণ দেন তার দলের বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪০ রানে প্রতিপক্ষকে বেঁধে ফেলেন তারা। এই রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৪টি উইকেট হারায় বরিশাল।

এদিন রান তাড়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ৩ ছক্কা ও ছয় চারের মারে সাজানো ইনিংসে ৪৮ বলে ৬৬ রান করেন টাইগার এই ওপেনার। জিতলেই নিশ্চিত হবে প্লে-অফ, হারলেও টিকে থাকবে আশা-এমন সমীকরণের ম্যাচে তামিমের ব্যাটে ভর করে কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে ফরচুন বরিশাল।

তামিম ছাড়া তার দলের বাকি কোনো ব্যাটারই বেশি ভালো করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন কাইল মায়ার্স। তার সংগ্রহ ২৫ বলে ২৫ রান। তাছাড়া, আহমেদ শেহজাদ ৭ বলে ১, মুশফিকুর রহিম ২৪ বলে ১৭ রান করে আউট হন। আর মাঠে থেকে জয় নিশ্চিত করেন সৌম্য সরকার ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তাদের সংগ্রহ যথাক্রমে ৩ বলে ৬ ও ১১ বলে ১২ রান।

এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে জাকের আলির দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে মান বাঁচায় দলটি। অবশেষে ৮ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তোলে ১৪০ রান।

এদিন মিরপুর যেন তার স্বভাবজাত ব্যবহারটাই করছিল। ব্যাটে-বলে হচ্ছিলো না ঠিকমতো। মইন আলি- আন্দ্রে রাসেলরাও পারেননি রানরেট ঊর্ধ্বমুখী করতে। শেষ দিকে জাকের আলির ১৬ বলে ৩৮* রান বলার মতো সংগ্রহ এনে দেয় কুমিল্লাকে।

ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে সুনিল নারিন হাত খোলার আগেই ফেরেন ১৮ বলে ১৬ করে। লিটন দাসও পারেননি থিতু হতে, ১২ রান আসে তার ব্যাটে। চারে নেমে মাইদুলও ফেরেন দ্রুত (১)। ৮.১ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন তাওহীদ হৃদয়। তবে ২৬ বলে ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।

মইন আলিও চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ২৩ রানেই থামতে হয় তাকে। আন্দ্রে রাসেলও ঝড় তোলার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাইজুল বাঁধা পেরোতে পারেননি তিনিও। লিটন, মাইদুলের পর রাসেলকেও ফেরান এই স্পিনার। রাসেল করেন ১১ বলে ১৪ রান। ২ বল পরই ম্যাথু ফোর্ডও ফেরেন, ৯৭ রানে ৭ উইকেট হারায় কুমিল্লা।

তবে শেষ দিকে জাকের আলি ২ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় ৩৮ রান করেন। ওবেদ ম্যাকয় ও সাইফুদ্দিন নেন জোড়া উইকেট, তিন উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।

 

বাজারের উত্তাপে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি, মানুষ দিশাহারা

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে। থেমে থেমে বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। রোববার শবেবারাত তাই অনেকেই কাঁচা বাজার মুখি হয়েছেন। ছুটি দিন হওয়ার ভিড়ও বেশি। তবে প্রয়োজিনীয় পণ্যের দামের কথা শুনে অনেকের মুখ শুকিয়ে যায়।

অন্যদিকে, পবিত্র শবে বরাতকে সামনে রেখে বেড়েই চলেছে গরুর মাংসের দাম। বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও চড়া দামে গিয়ে আটকে গেছে।

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১২ অথবা ১৩ মার্চ। সেই হিসাবে এখনো রোজার বাকি ১৮/১৯ দিন। কিন্তু এর আগেই বাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে মুরগির দাম। ক্রেতারা বলছেন, রোজা না আসতেই মুরগির দামের এই অবস্থা। এভাবে সবকিছুর দাম বাড়তে থাকলে আমরা চলব কী করে?

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুর স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের মুরগির মাংসের দামই ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩১০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

দামের এই ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির দাম বেশ কয়েকদিন ধরেই বেড়েছে। কেনা দাম বেশি পড়ায় বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

শীতের ভরা মৌসুমে চড়া থাকা সবজির দাম বসন্তে এসে সামান্য কমেছে। তবে বছরের অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় এখনও দাম বেশি।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের সিম, মুলা, শালগম, ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার মধ্যে। যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রকারভেদে ১০-২০ টাকা কম। এরমধ্যে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া আলুর কেজি ৩০ টাকা, বেগুন ৬০-৮০ টাকা, পেঁপের ৪০ টাকা, টমেটো গাজার ও শসার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, বরবটি ও করলা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, রোজার বাজারে প্রায় প্রতিবছরই দাম বাড়ে চিনির। এবার দাম কমাতে পণ্যটি আমদানিতে কিছুটা শুল্কছাড় দিয়েছে সরকার। এছাড়া ভোজ্যতেল চাল ও খেজুরের শুল্ক কর কমানো হয়েছে। তবে এসব পণ্যের দামে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।

রাজধানীতে এখন এক কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকায়। গত বছর একই সময়ে দর ছিল ১১০-১২০ টাকা।

এছাড়া বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, আটা, পেঁয়াজ, মাছ, মাংস ও ডিমের দাম এখনও চড়া।

এদিকে, বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজির গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পরে তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে আরও দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়।

গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানিকে সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছে। সে জন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

শতক পেরিয়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম এখনও কমেনি। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। একই সঙ্গে চড়া দামে আদা ও রসুন দুই-ই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে।

সুসময় আসলে সকল হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: সাবেক মেয়র মিনু

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী মহানগরের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ছয় শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। এসব কোনো ঘটনার বিচার হয়নি। সুসময় আসলে সকল হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদ ও কারাবন্দী বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।

নওগাঁ পৌরসভার রজাকপুর এলাকায় নিহত কামাল আহমেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং রাজশাহীর সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, নওগাঁ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, সদস্য সচিব বায়জিদ হোসেন পলাশ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, শেখ রেজাউল ইসলাম,মামুনুর রশিদ রিপন, জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ হায়দার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম রওশন উল ইসলাম, সদস্য সচিব রুহুল আমিন, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া আলম রোমিও, সাধারণ সম্পাদক মামুন বিন ইসলাম দোহা প্রমুখ।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

মিজানুর রহমান বলেন, কামাল আহমেদকে হত্যার ঘটনার পর তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি এই ঘটনার রহস্য পর্যন্ত উদঘাটন করতে পারেনি। অথচ নিহতের স্বজনেরা ও এলাকাবাসী সবাই জানে কামালকে নিহতের ঘটনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জড়িত। ঘাতকদের সবাই চেনে। বিএনপির সুসময় আসলে এই হত্যার বিচার করা হবে। সকল অন্যায়ের প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

এ সময় নিহত বিএনপি নেতা কামাল আহমেদের স্ত্রী ও সন্তানদের সান্ত্বনা দেন মিজানুর রহমান৷ শিঘ্রই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নিহত বিএনপি নেতাদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে নওগাঁ-সান্তাহার সড়কের ইয়াদ আলীর মোড় এলাকায় কামাল আহমেদকে বহনকারী অটোরিকশার গতি রোধে হামলা করে হেলমেট ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক কামাল আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন নওগাঁ সদর থানায় নিহত কামাল আহমেদের ছেলে নবাব আলী অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত কামাল আহমেদ নওগাঁ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি। এছাড়া তিনি নওগাঁ জেলা ট্রাক বন্দোবস্তকারী কমিটির সাবেক সভাপতি।

গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলাম নওগাঁ কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। মতিবুল নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

কুমিল্লাকে হারিয়ে প্লে-অফে বরিশাল, খুলনার বিদায়
বাজারের উত্তাপে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি, মানুষ দিশাহারা
সুসময় আসলে সকল হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: সাবেক মেয়র মিনু
অবৈধ মজুতকরে যারা ক্রাইসিস তৈরি করে তারা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী
মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ
কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য
সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী
মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী
বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি
গাজায় ক্ষুধা-অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজার হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ
পাকিস্তানে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে পিটিআই
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ইলন মাস্ক
ভোটার টানতে কন্ডমের প্যাকেটে দলীয় প্রতীক ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি
ভালোবাসার মাসে মা হলেন মিথিলা, বাবা সৃজিত
মাকে শেষ বিদায় দিতে এসে সড়কেই প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসীর
আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
'সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক'
ডিবিতে ৫০ মিনিট কি করলেন নিপুন
পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ জন কর্মকর্তা