শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

১০ ডিসেম্বর কি কথার কথা

ফাইল ফটো

আগামী ১০ ডিসেম্বর দেশে কি হতে যাচ্ছে— এ নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাও। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন সভা-সমাবেশে ঘোষণা দিয়েছেন আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ পরিচালিত হবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে।

গত ৮ অক্টোবর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় আমান উল্লাহ আমান বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে বাংলাদেশ চলবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কথায়। এর বাইরে কারো কথায় দেশ চলবে না।

গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামের সমাবেশে বিএনিপর ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের পর থেকে খালেদা জিয়ার সরকার চলবে। যারা খালেদা জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন ১০ ডিসেম্বরের পর তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।

কিন্তু বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই বলছেন, এই বক্তব্য বিএনপির নয়। এটা তাদের ব্যক্তিগত বক্তব্য।

বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে চলমান আন্দোলনকে একটি চূড়ান্ত রূপ দিতে চায় বিএনপি। এজন্য ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণজমায়েত করবে। সেখানে কয়েক লাখ লোক জড়ো করে ঢাকায় শো-ডাউনের মধ্যে দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা জানান দেওয়াই হচ্ছে এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই গণজমায়েত কর্মসূচিতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকার রাজপথ দখলে নেওয়া। তারা বলেন, যদি ঢাকার রাজপথ দখলে নেওয়া সম্ভব হয় তাহলে শিগগিরই সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হবে।

বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকার পতনে আল্টিমেটাম নয় বরং ১০ ডিসেম্বরে বিএনপির প্রথম এবং প্রাথমিক লক্ষ্য গণজমায়েত।

কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় বড় ধরনের শো-ডাউনের মধ্য দিয়ে সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে চায় বিএনপি। সেক্ষেত্রে ১২ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু করেছে দলটি। দলটির নেতা-কর্মীদের বক্তব্যের মধ্যেও এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নেতারা বলছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর মহাসমাবেশ কে ঘিরে সারাদেশ থেকে ঢাকামুখী অভিযাত্রা হবে। সেই মহা-সমাবেশের মধ্য দিয়ে সরকার পতনে এক দফায় পরবর্তী আন্দোলনের শুরু ঘটবে। এরমধ্যে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যুগপৎ ভাবে আন্দোলনে যাওয়ার ধরন-কৌশল নির্ধারণ করবে বিএনপি। আগামী ১০ ডিসেম্বর সরকার পতনে বিশেষ কোনো দিনতারিখ নয়; ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেই সমাবেশ থেকে বেশকিছু দাবি উত্থাপন করা হবে।

১০ ডিসেম্বর সম্পর্কে গত ৮ অক্টোবর দেওয়া নিজের বক্তব্যের একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন আমান উল্লাহ আমান। ১০ অক্টোবর রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড়ে শহীদ জেহাদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১০ তারিখ নয়। যখনি এই সরকার অবৈধভাবে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসেছে, তখন থেকে দেশের জনগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল চায়নি যে এই সরকার ক্ষমতায় থাকুক। জনগণ এই সরকারকে আর এক মুহূর্তও ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাদের দাবি অনুযায়ী আমরাও মাঠে নেমেছি।

অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘মাঠের কর্মসূচিতে জনগণের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বিএনপিকে আত্মবিশ্বাসী করেছে। আত্মবিশ্বাস ভালো, তবে অতি আত্মবিশ্বাস বিপজ্জনক হতে পারে সেই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। তড়িগড়ি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। ফাইনাল খেলায় জিততে হলে শেষ মিনিট পর্যন্ত রাজনীতির মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে সক্ষমতার জানান দিতে হবে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া হবে না, মানে হচ্ছে যাওয়া হবে না— এই মর্মে অটুট থাকতে হবে। ১০ ডিসেম্বর ঢাকার মহাসমাবেশ থেকে কী বার্তা দেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।’

অবশ্য আগামী ১০ ডিসেম্বরের পর থেকে খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে, বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের এমন বক্তব্য নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে। তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ চালানোর নির্দেশ দেওয়ার মতো অবস্থায় এখনো পৌঁছাতে পারেনি বিএনপি। পৌঁছাতে চেষ্টা অব্যাহত আছে। তাদের মতো এই বক্তব্য আমান উল্লাহ আমানের ব্যক্তিগত, বিএনপির নয়।

তবে ১০ ডিসেম্বরের বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমানের বক্তব্যে সরকার ভয় পেয়েছে।

এনএইচবি/আরএ/

কুমিল্লাকে হারিয়ে প্লে-অফে বরিশাল, খুলনার বিদায়

ছবি: সংগৃহীত

তামিমের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে কুমিল্লাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল বরিশাল। এদিকে, আজকের ম্যাচের ফলাফলের সাথে ঝুলে থাকা খুলনা টাইগার্স টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছে। এদিন দারুণ বোলিংয়ে কুমিল্লাকে নাগালে রেখে কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন তাইজুল-সাইফউদ্দিনরা।

সেখান থেকে দারুণ একটি ইনিংস খেলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে না পারলেও দলকে জয়ের কাছে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। কুমিল্লার ১৪০ রানের জবাবে ১৯.৪ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বরিশাল।

শুক্রবার মিরপুরে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় খুলনা টাইগার্স ও ফরচুন বরিশাল। এদিন টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম। সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তার প্রমাণ দেন তার দলের বোলাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪০ রানে প্রতিপক্ষকে বেঁধে ফেলেন তারা। এই রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৪টি উইকেট হারায় বরিশাল।

এদিন রান তাড়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ৩ ছক্কা ও ছয় চারের মারে সাজানো ইনিংসে ৪৮ বলে ৬৬ রান করেন টাইগার এই ওপেনার। জিতলেই নিশ্চিত হবে প্লে-অফ, হারলেও টিকে থাকবে আশা-এমন সমীকরণের ম্যাচে তামিমের ব্যাটে ভর করে কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে ফরচুন বরিশাল।

তামিম ছাড়া তার দলের বাকি কোনো ব্যাটারই বেশি ভালো করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন কাইল মায়ার্স। তার সংগ্রহ ২৫ বলে ২৫ রান। তাছাড়া, আহমেদ শেহজাদ ৭ বলে ১, মুশফিকুর রহিম ২৪ বলে ১৭ রান করে আউট হন। আর মাঠে থেকে জয় নিশ্চিত করেন সৌম্য সরকার ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তাদের সংগ্রহ যথাক্রমে ৩ বলে ৬ ও ১১ বলে ১২ রান।

এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে জাকের আলির দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে মান বাঁচায় দলটি। অবশেষে ৮ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তোলে ১৪০ রান।

এদিন মিরপুর যেন তার স্বভাবজাত ব্যবহারটাই করছিল। ব্যাটে-বলে হচ্ছিলো না ঠিকমতো। মইন আলি- আন্দ্রে রাসেলরাও পারেননি রানরেট ঊর্ধ্বমুখী করতে। শেষ দিকে জাকের আলির ১৬ বলে ৩৮* রান বলার মতো সংগ্রহ এনে দেয় কুমিল্লাকে।

ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে সুনিল নারিন হাত খোলার আগেই ফেরেন ১৮ বলে ১৬ করে। লিটন দাসও পারেননি থিতু হতে, ১২ রান আসে তার ব্যাটে। চারে নেমে মাইদুলও ফেরেন দ্রুত (১)। ৮.১ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন তাওহীদ হৃদয়। তবে ২৬ বলে ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।

মইন আলিও চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ২৩ রানেই থামতে হয় তাকে। আন্দ্রে রাসেলও ঝড় তোলার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাইজুল বাঁধা পেরোতে পারেননি তিনিও। লিটন, মাইদুলের পর রাসেলকেও ফেরান এই স্পিনার। রাসেল করেন ১১ বলে ১৪ রান। ২ বল পরই ম্যাথু ফোর্ডও ফেরেন, ৯৭ রানে ৭ উইকেট হারায় কুমিল্লা।

তবে শেষ দিকে জাকের আলি ২ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় ৩৮ রান করেন। ওবেদ ম্যাকয় ও সাইফুদ্দিন নেন জোড়া উইকেট, তিন উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।

 

বাজারের উত্তাপে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি, মানুষ দিশাহারা

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে। থেমে থেমে বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। রোববার শবেবারাত তাই অনেকেই কাঁচা বাজার মুখি হয়েছেন। ছুটি দিন হওয়ার ভিড়ও বেশি। তবে প্রয়োজিনীয় পণ্যের দামের কথা শুনে অনেকের মুখ শুকিয়ে যায়।

অন্যদিকে, পবিত্র শবে বরাতকে সামনে রেখে বেড়েই চলেছে গরুর মাংসের দাম। বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও চড়া দামে গিয়ে আটকে গেছে।

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১২ অথবা ১৩ মার্চ। সেই হিসাবে এখনো রোজার বাকি ১৮/১৯ দিন। কিন্তু এর আগেই বাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে মুরগির দাম। ক্রেতারা বলছেন, রোজা না আসতেই মুরগির দামের এই অবস্থা। এভাবে সবকিছুর দাম বাড়তে থাকলে আমরা চলব কী করে?

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুর স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের মুরগির মাংসের দামই ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩১০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

দামের এই ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির দাম বেশ কয়েকদিন ধরেই বেড়েছে। কেনা দাম বেশি পড়ায় বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

শীতের ভরা মৌসুমে চড়া থাকা সবজির দাম বসন্তে এসে সামান্য কমেছে। তবে বছরের অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় এখনও দাম বেশি।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের সিম, মুলা, শালগম, ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার মধ্যে। যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রকারভেদে ১০-২০ টাকা কম। এরমধ্যে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া আলুর কেজি ৩০ টাকা, বেগুন ৬০-৮০ টাকা, পেঁপের ৪০ টাকা, টমেটো গাজার ও শসার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, বরবটি ও করলা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, রোজার বাজারে প্রায় প্রতিবছরই দাম বাড়ে চিনির। এবার দাম কমাতে পণ্যটি আমদানিতে কিছুটা শুল্কছাড় দিয়েছে সরকার। এছাড়া ভোজ্যতেল চাল ও খেজুরের শুল্ক কর কমানো হয়েছে। তবে এসব পণ্যের দামে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।

রাজধানীতে এখন এক কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকায়। গত বছর একই সময়ে দর ছিল ১১০-১২০ টাকা।

এছাড়া বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, আটা, পেঁয়াজ, মাছ, মাংস ও ডিমের দাম এখনও চড়া।

এদিকে, বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজির গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পরে তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে আরও দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়।

গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানিকে সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছে। সে জন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

শতক পেরিয়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম এখনও কমেনি। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। একই সঙ্গে চড়া দামে আদা ও রসুন দুই-ই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে।

সুসময় আসলে সকল হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: সাবেক মেয়র মিনু

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী মহানগরের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ছয় শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। এসব কোনো ঘটনার বিচার হয়নি। সুসময় আসলে সকল হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদ ও কারাবন্দী বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।

নওগাঁ পৌরসভার রজাকপুর এলাকায় নিহত কামাল আহমেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং রাজশাহীর সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, নওগাঁ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, শেখ রেজাউল ইসলাম,মামুনুর রশিদ রিপন, জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ হায়দার, সিনয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম রওশন উল ইসলাম, সদস্য সচিব রুহুল আমিন, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি যাকে আলম রোমিও, সাধারণ সম্পাদক মামুন বিন ইসলাম দোহা প্রমুখ।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

মিজানুর রহমান বলেন, কামাল আহমেদকে হত্যার ঘটনার পর তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি এই ঘটনার রহস্য পর্যন্ত উদঘাটন করতে পারেনি। অথচ নিহতের স্বজনেরা ও এলাকাবাসী সবাই জানে কামালকে নিহতের ঘটনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জড়িত। ঘাতকদের সবাই চেনে। বিএনপির সুসময় আসলে এই হত্যার বিচার করা হবে। সকল অন্যায়ের প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

এ সময় নিহত বিএনপি নেতা কামাল আহমেদের স্ত্রী ও সন্তানদের সান্ত্বনা দেন মিজানুর রহমান৷ শিঘ্রই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নিহত বিএনপি নেতাদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে নওগাঁ-সান্তাহার সড়কের ইয়াদ আলীর মোড় এলাকায় কামাল আহমেদকে বহনকারী অটোরিকশার গতি রোধে হামলা করে হেলমেট ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক কামাল আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন নওগাঁ সদর থানায় নিহত কামাল আহমেদের ছেলে নবাব আলী অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত কামাল আহমেদ নওগাঁ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি। এছাড়া তিনি নওগাঁ জেলা ট্রাক বন্দোবস্তকারী কমিটির সাবেক সভাপতি।

গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলাম নওগাঁ কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। মতিবুল নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

কুমিল্লাকে হারিয়ে প্লে-অফে বরিশাল, খুলনার বিদায়
বাজারের উত্তাপে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি, মানুষ দিশাহারা
সুসময় আসলে সকল হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: সাবেক মেয়র মিনু
অবৈধ মজুতকরে যারা ক্রাইসিস তৈরি করে তারা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী
মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ
কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য
সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী
মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী
বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি
গাজায় ক্ষুধা-অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজার হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ
পাকিস্তানে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে পিটিআই
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ইলন মাস্ক
ভোটার টানতে কন্ডমের প্যাকেটে দলীয় প্রতীক ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি
ভালোবাসার মাসে মা হলেন মিথিলা, বাবা সৃজিত
মাকে শেষ বিদায় দিতে এসে সড়কেই প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসীর
আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
'সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক'
ডিবিতে ৫০ মিনিট কি করলেন নিপুন
পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ জন কর্মকর্তা