সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

অনলাইন জুয়ার রমরমা ব্যবসা, কঠোর অবস্থানে সরকার

দেশে অনলাইনে জুয়ার রমরমা ব্যবসা চলছে। বিষয়টি নজরে আসায় জুয়া খেলার ওয়েবসাইট ও অ্যাপগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে ৬ হাজারেরও বেশি ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্লক করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিটিআরসি)। আরও ২৪৬টি অ্যাপ ও ওয়েবসাইট লিংক ব্লক করতে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবকে চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি।

বাংলাদেশে অনলাইনে জুয়া খেলায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাকার লেনদেন হয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে। তাই বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব এমএফএস অপারেটরকে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টস নিয়মিত মনিটরিং করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড সহজলভ্য হওয়ায় লেনদেনে এগুলোও ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককেও চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জুয়ার ওয়েবসাইট ও অ্যাপের কারণে ই-কমার্সের গ্রাহকদের আস্থা কমে যাওয়ায় এমন উদ্যোগ নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বৈঠকে উপস্থিত একটি এমএফএস অপারেটরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, এমএফএস অপারেটররা সহজেই এমন ধরনের গ্রাহকদের সনাক্ত করতে পারে যারা অনলাইন ট্রান্সন্যাশনাল জুয়ার সঙ্গে জড়িত। আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিয়ে থাকি।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, গুগল প্লে স্টোরে এমন ১৫০টি অ্যাপ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি অ্যাপ বিটিআরসি’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গুগল মুছে ফেলেছে। বাকি ১৩৬টি অ্যাপ বন্ধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ফেসবুক এবং ইউটিউবও সম্প্রতি ১৭টি জুয়ার লিংক ব্লক করেছে।

জানা যায়, গত কয়েক বছরে মোট ৬ হাজার ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্লক করেছে বিটিআরসি।বর্তমানে আরও ৩০০টি ওয়েবসাইট মনিটরিংয়ে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এমএফএস অপারেটরগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে বলেছেন, গ্রাহক বা এজেন্টের ছদ্মবেশে কোনো সন্দেহজনক লেনদেন হলেই সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইউ) জানানো হয়। তারপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও তথ্য সরবরাহ করা হয় যাতে তারা পদক্ষেপ নিতে পারে। বৈঠকে এমন কিছু ঘটনার উদহারণও দেন তারা

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক ও ডিজিটাল ই-কমার্স সেলের প্রধান মো. হাফিজুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ই-কমার্স ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের আস্থা ব্যপকভাবে কমে গেছে এসব বেটিং ওয়েবসাইটের কারণে। এ কারণে আমরা বিটিআরসিকে এগুলো বন্ধে সহযোগিতা করছি।

এক প্রশ্নের জবাবে হাফিজুর রহমান বলেন, ব্লক করা কিছু ওয়েবসাইট ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের (ভিপিএন) মাধ্যমে খোলা যেতে পারে। এ ব্যাপারে বিটিআরসি গুগল বা ফেসবুককে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলবে, যাতে এগুলোর রিয়েলটাইম অবস্থাটা জানা যায়।

এনএইচবি/এমএমএ/

Header Ad

পরিচয় জানা গেল ৪০০ কোটি টাকার মালিক সেই পিয়নের

জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত

চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে নিজের বাসার পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর তারপর থেকেই এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কে সেই পিয়ন, কি তার পরিচয়। সকল মহলে এখন এই পিয়ন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অবশেষে তার পরিচয় মিলেছে।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার পরিচয় নিয়ে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া না হলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র দাবি করছে, সেই পিয়নের নাম জাহাঙ্গীর আলম। তাকে নিয়ে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। তার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী হিসেবে একসময় কর্মরত ছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের দুই মেয়াদের পুরোটা সময় এবং প্রধানমন্ত্রীর টানা তৃতীয় মেয়াদেরও কিছু সময় ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যাগ বহন করতেন, প্রধানমন্ত্রীর খাবার সামনে এগিয়ে দিতেন এবং অন্যান্য ফাই-ফরমাশ খাটতেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি যখন বিরোধী দলে তখন থেকেই জাহাঙ্গীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় যেতেন সেখানেও জাহাঙ্গীরকে দেখা যেত। আস্তে আস্তে জাহাঙ্গীরের একটি রাজনৈতিক বলয় তৈরি হয়ে যায়।

জাহাঙ্গীরের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিলে। সেই সময় তার আমন্ত্রণে সরকারের অনেক প্রভাবশালী মন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে নোয়াখালীর চাটখিলে বিভিন্ন কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন। যার কিছু ছিল জাহাঙ্গীরের ব্যক্তিগত আয়োজনের অনুষ্ঠানে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর আরেক পিয়ন আবদুল মান্নানকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। তবে তার বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার ব্যবহারের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি।

গণভবনে থাকার সময় তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের চেয়েও ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছিলেন। আওয়ামী লীগের কিছু কিছু ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, গণভবনে থাকেন, তাকে বলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যায় ইত্যাদি ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে জাহাঙ্গীরের প্রতি আলাদা ‘সমীহ’ দেখাতে শুরু করেন। তাদের কেউ কেউ জাহাঙ্গীরকে ‘স্যার’ ডেকেছেন বলেও শোনা যায়। এমনকি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাও জাহাঙ্গীরের কাছে তদবির করতেন। এই জাহাঙ্গীর গণভবনে থেকে বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন তদবির করতেন। এভাবে আস্তে আস্তে বিত্তশালী হয়ে ওঠেন এই কাজের লোক। পরবর্তীতে অবশ্য গণভবন থেকে রেবিয়ে যাওয়ার পর এখন তাকে রাজনীতিতে দেখা যায় না।

তবে জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী হলেও তিনি নিজের পরিচয় দিতেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বিশেষ সহকারী। এই পরিচয় ব্যবহার করে নিয়মিত সচিবালয়ে তদবির বাণিজ্য করতেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কাছে নানান তদবির করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। একই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদও বাগিয়ে নিয়েছিলেন। নোয়াখালী-১ সংসদীয় আসনে নিজের একটি রাজনৈতিক ব্লকও তৈরি করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবহিত এবং জাহাঙ্গীরের ব্যাপারে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই তার সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে জাহাঙ্গীর এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কি কারও নাম বলেছেন? তিনি ড্রাইভারের (সৈয়দ আবেদ আলী) কথা বলতে গিয়ে এ কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তো পিয়ন বলেছেন। সে সময় দুজন পিয়ন চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। এর মধ্যে একজন আপনি, আরেকজন আবদুল মান্নান। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সেই পিয়ন আপনি। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি এটা জানি না। আমি কইতে পারব না।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেছেন কি না— জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, না না, আমি তো শুনি নাই। এইমাত্র আপনার কাছে শুনলাম।

চতুর্থবারের মতো নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন কেপি শর্মা অলি

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। ছবি: সংগৃহীত

মাওবাদী নেতা পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড আস্থাভোটে হেরে যাওয়ার পর নেপালে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন দেশটির তিনবারের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল তাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সোমবার নতুন মন্ত্রিসভার সঙ্গে অলিও শপথ নেবেন।

দেশটির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে তিনি প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হলেন। ‘চীনপন্থী’ অলি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট)-এর প্রধান। শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন নেপালী কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তিনি ফের কাঠমান্ডুর কুর্সিতে ফিরলেন।

পুষ্প কমল দাহাল শুক্রবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে আস্থা ভোটে হেরে যান। ফলে দেশটির সংবিধানের ৭৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। নেপালী কংগ্রেসের ৮৮ জন, ইউএমএল-এর ৭৮ জনসহ ১৬৬ জন আইন প্রণেতার সমর্থনের পর প্রেসিডেন্ট পাউডেল অলিকে সংবিধানের ৭৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিয়োগ দেন।

৭২ বছর বয়সী কে পি শর্মা অলি এর আগে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত, ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মে মাস ও ২০২১ সালের মে মাস থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সূত্র: দ্য কাঠমুন্ডু পোস্ট

দেশে বিবাহিত বেশি রাজশাহীতে, অবিবাহিত সিলেটে

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৬৫ শতাংশ মানুষ বিবাহিত। এর মধ্যে বিবাহিতের হার সর্বোচ্চ ৬৯ শতাংশ রাজশাহী বিভাগে। অন্যদিকে এ জনগোষ্ঠীর হার সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ সিলেট বিভাগে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) আর্থ-সামাজিক ও জনমিতিক জরিপ-২০২৩’র বৈবাহিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। গত বছরের ২১ মে থেকে ২২ জুন পর্যন্ত দেশের ১২ হাজারেরও বেশি এলাকার প্রায় দুই লাখ ৯৯ হাজার পরিবারের ওপর এই জরিপ চালানো হয়।

বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষের হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে, প্রায় ৪৫ শতাংশ। অপরদিকে রাজশাহী বিভাগে অবিবাহিত পুরুষ সবচেয়ে কম, ৩১ শতাংশ। পাশাপাশি সিলেট বিভাগে অবিবাহিত নারী সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩২ শতাংশ। অন্যদিকে, রাজশাহীতে এ হার সবচেয়ে কম, ১৮ শতাংশ।

প্রতিবেদন বলছে, নারীর চেয়ে পুরুষের একাধিক বিয়ের হারও বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৪ শতাংশ পুরুষ একবারের বেশি বিয়ে করেছেন। বিপরীতে ১ শতাংশের বেশি নারী একবারের বেশি বিয়ে করেছেন। পাশাপাশি বিপত্নীক হিসেবে ১ শতাংশের কিছু বেশি পুরুষ একা জীবনযাপন করছেন। অন্যদিকে, প্রায় ৯ শতাংশ নারী বিধবা হিসেবে জীবনযাপন করছেন।

বৈবাহিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে জরিপে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৬৫ শতাংশ বিবাহিত। এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগে বিবাহিতের হার সর্বোচ্চ ৬৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে বিবাহিত জনগোষ্ঠীর হার সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ।

বিবিএস প্রতিবেদনে দেখা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম শুমারিতে দেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৫ লাখ। এরপর ১৯৮১ সালে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জনে। ১৯৯১ সালে দেশে মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬৩ লাখে।

সর্বশেষ সংবাদ

পরিচয় জানা গেল ৪০০ কোটি টাকার মালিক সেই পিয়নের
চতুর্থবারের মতো নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন কেপি শর্মা অলি
দেশে বিবাহিত বেশি রাজশাহীতে, অবিবাহিত সিলেটে
শাহরুখ খানসহ ২৫ বরযাত্রীকে ২ কোটি টাকার ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত
কোটা সংস্কারসহ এক দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ও স্মারকলিপি প্রদান
‘বাংলা‌দেশ থে‌কে ৩ হাজার কর্মী নে‌বে ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া’
২০২৪ কোপা আমেরিকা ও ইউরোর প্রাইজমানি কত?
আমার পিয়নের কাজ করেছে, সেও ৪০০ কোটি টাকার মালিক: প্রধানমন্ত্রী
মেয়ের বিয়ের ‌‘যৌতুক’ হিসেবে বিসিএস’র প্রশ্নপত্র দেন পিএসসির সাবেক মেম্বার!
বিরামপুরে চালকলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু
পার্লারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ আটক ৫৬
রেলওয়ের ৪০ শতাংশ পোষ্য কোটা কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
২ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেবে চীন: প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা
ট্রাম্পের ওপর হামলায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যে কারণে আম্বানিপুত্রের বিয়েতে যাননি আমির-অক্ষয়-কারিনা-বিরাটরা
আনুষ্ঠানিক বিদায়ে ডি মারিয়াকে বিশেষ জার্সি উপহার
৭ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আভাস, বাড়বে তাপমাত্রা
বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সার্টিফিকেট তৈরির মূলহোতা গ্রেপ্তার
ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টাকারী ২০ বছর বয়সি কে এই বন্দুকধারী?