বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

বোরোর ভালো দাম না পাওয়ার শঙ্কায় কৃষকের আনন্দ ম্লান

চলতি বোরো মৌসুমে দেশের হাওরাঞ্চলের প্রায় শতভাগ ধান কৃষকের গোলায় উঠে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় ফলন ভালো হওয়া কৃষকের ঘরে ঘরে এখন আনন্দের বন্যা বইছে।

তবে এই আনন্দের সঙ্গে শঙ্কাও জেঁকে বসেছে কৃষকের মাঝে। কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। খরচের তুলনায় দাম নেই ধানের। এই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে হাওর জনপদের কৃষকদের। তারা ধানের দাম বাড়ার অপেক্ষায়। আবার সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সেটিও ঠিক হয়নি বলে মনে করছেন কৃষকরা।

এদিকে, সরকার নির্ধারিত দামে কৃষকের কাছ থেকে বড় ব্যবসায়ী ও মিলমালিকরা ধান না কেনায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিজেরাই কৃষকের কাছ থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান কিনবে। যাতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জামালগড় গ্রামের কৃষক সোহেল মিয়া। চলতি বোরো মৌসুমে তিনি ১৪ কেয়ার (প্রতি কেয়ার হচ্ছে ৩০ শতক) জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। ধান পেয়েছেন প্রায় ২৩০ থেকে ২৪০ মণ। ধানের এমন বাম্পার ফলনে ভীষণ খুশি সোহেল। তিনি বলছিলেন, ‘এত ভালো ধান হয়েছে, আপনাকে বলে বুঝাতে পারব না।’

এ কথা বলেই সঙ্গে সঙ্গে নিজের উদ্বেগের কথা জানাতে ভুল করেননি। সোহেল বলেন, ‘আমার প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ হয়েছে প্রায় ১১০০ টাকা। এখন সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, অর্থাৎ প্রতি মণ ১২শ’ টাকা। সেই দামে ধান বিক্রি করলে আমার কোনো লাভই হবে না। বরং লোকসানই গুণতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন ব্যাপারীরা এসে বলছেন ১১০০ টাকা মণ দিলে তারা ধান কিনবে। কিন্তু তিনি তাতে রাজি না। ধান ধরে রেখেছি। আশা করছি, কিছুদিন পর দাম ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা মণ উঠবে। সেই দিনের অপক্ষোয় তিনি।’

তাহিরপুরের উজান জামালগড় গ্রামের আরেক কৃষক নিত্য তালুকদার ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘ছয় কেয়ার জমিতে বোরো চাষ করেছিলাম। উপরওয়ালার ইচ্ছায় এবার ফলনও ভালো পেয়েছি। ১১০ থেকে ১২০ মণ ধান পেয়েছি। আমি ভীষণ খুশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার ধান চাষে যে খরচ হয়েছে সেই তুলনায় বিক্রির দাম এখনো ওঠেনি। বড় বড় ব্যবসায়ীরা ১০০০ হাজার থেকে ১১০০ টাকা মণে ধান কিনতে চাচ্ছেন।

নিত্য তালুকদার বলেন, তিনি মাঠে থাকাবস্থায়ই প্রায় ৩০ মণ ধান অগ্রিম বিক্রি করেছেন ৮০০ টাকা দরে। এ ছাড়া, তার উপায় ছিল না। কারণ ধান ঘরে তুলতে তার হাতে খরচের টাকা ছিল না। এখন তিনিও অন্যদের মতো ধানের দাম উঠার অপেক্ষায় আছেন।

শুধু সুনামগঞ্জ নয়, পুরো হাওরাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষক পরিবারগুলোতে এখন গোলা ভরা ধান নিয়ে যেমন আনন্দ বইছে, তেমনি ধানের দাম পাওয়া নিয়ে হতাশাও বিরাজ করছে প্রতিটি কৃষক পরিবারে।

এদিকে, খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে অর্থাৎ ১২০০ টাকা মণ ধানের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। একইসঙ্গে সরকার এই দামে কৃষকের কাছ থেকে চার লাখ টন ধান কিনবে। একইসঙ্গে প্রতি কেজি ৪২ টাকা দরে সরকার সাড়ে ছয় লাখ টন চাল কিনবে।

কিন্তু সমস্যা তৈরি হয়েছে ধানের দাম নিয়ে। সরকার যে দাম বেঁধে দিয়েছে সেই দামে বড় বড় ব্যবসায়ী, মিলমালিক ও আড়ৎদাররা ধান কিনছে না। তারা কোনোভাবেই ১১০০ টাকার বেশি মণ দিতে নারাজ।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মিলমালিক ও বড় বড় ব্যবসায়ীরা গত আমন মওসুমেই ধানের বিপুল মজুত গড়ে তুলেছেন। যার ফলে তারা এখন সরকারের বেঁধে দেওয়া ধান কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে মন্দা দেখা দিতে পারে, গত বছরের শেষের দিকে এমন আশঙ্কার কথা বার বার প্রচারিত হতে থাকলে ব্যবসায়ীরা গত আমন মৌসুমে ধানের মজুত গড়ে তুলেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা কৃষকের থেকে ধান না কিনলে সরকার সরাসরি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ পরিমাণ ধান বেশি কিনবে। অর্থাৎ সরকারের খাদ্য বিভাগ চলতি বোরো মৌসুমে চার লাখ টন ধান কেনার ঘোষণা দিয়েছিল। সেটি আট লাখ টন বা প্রয়োজনে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগামী ৭ মে এ বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে সভা শেষে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হবে বলে জানা গেছে।

অবশ্য কৃষকরা বলছেন, ধান উৎপাদনে যে পরিমাণ খরচ হয়েছে তাতে সরকারের বেঁধে দেওয়া (১২০০ টাকা মণ) দামে ধান বিক্রি করা যাবে না। কারণ, এতে খরচ উঠবে না, কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ ছাড়া, একেবারে প্রান্তিক কৃষকরা বলছেন, সরকারের কাছে যে তারা বিক্রি করবেন সেই সুযোগও তাদের নেই। কারণ তারা মাঠ পর্যায়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেন না।

তাহিরপুরের কৃষক সোহেল মিয়া বলেছেন, আমরা তো সরকারের কাউকে চিনি না। এলাকার এমপি কিংবা ইউএনও, ডিসি পর্যন্ত যোগাযোগ করার মত সক্ষতা বা ক্ষমতা তাদের নেই। তাই তাদের পক্ষে সরকারের গুদামে ধান বিক্রি করা কঠিন।

এমএমএ/

 

Header Ad

শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিসহ সকল ধরনের লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শাবিপ্রবির সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ আল গালিব বলেন, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের রাজনীতি এখন থেকে চলবে না। ছাত্রলীগের রাজনীতি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ। আমরা এ ব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনিরআখড়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। বুধবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানা থেকে কুতুবখালি পর্যন্ত মহাসড়ক বন্ধ রয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার সামনে প্রস্তুত রয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, কিছুক্ষণের মধ্যে তারা অ্যাকশনে যাবে। অন্যদিকে হানিফ ফ্লাইওভারের কুতুবখালী টোলপ্লাজায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকরীরা। এর আগে যাত্রাবাড়ী থানায় হামলার ঘটনা ঘটে।

এর আগে, একই স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিতে দুই বছরের শিশু রহিত তার বাবা বাবুল হোসেনসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন সবজি বিক্রেতা মো. বাবলু (৪০) ও তার শিশু সন্তান রোহিত (২), মনিরুল ইসলাম (২০), মো. ফয়সাল (২৭), নবম শ্রেণির ছাত্র মাহিন আহমেদ পিয়াস (১৫), মো. সোহাগ (২৮)।

হাসপাতালে আহত শিশুটির মা লিপি আক্তার জানান, তাদের বাসা শনিরআখড়া এলাকায়। পাঁচতলা একটি বাড়ির নিচতলায় থাকেন তারা। তাদের বাসার সামনের রাস্তায় কোটা আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। এদিকে শিশুটি গরমের কারণে কান্নাকাটি করতে থাকায় তার বাবা রহিতকে কোলে নিয়ে বাসার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে রাস্তার পরিস্থিতি দেখছিলেন। তখন শটগানের গুলি এসে শিশুটির বাবার মুখ, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাগে। এছাড়া কোলে থাকা শিশু রহিতের ডান হাতে এবং বুকে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, শনিরআখড়া থেকে আসা আহত ছয়জনকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় কোটা আন্দোলনের ঘটনায় অন্তত ৫২ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের মধ্যে আন্দোলনকারী, ছাত্রলীগ সদস্য, পুলিশ ও সাংবাদিক রয়েছেন।

ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০

ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গার পূর্ব সদরদী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, ঢাকা থেকে বরিশালগামী বিআরটিসি পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা শাহ জালাল পরিবহনের আরেকটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন। তবে প্রাথমিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নোমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধারে কাজ করেছি। এ ছাড়া আমাদের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের লোকজনও রয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানাতে পারব।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ মোহাম্মদ খায়রুল আনাম জানান, আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা ও ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে পুলিশ।

সর্বশেষ সংবাদ

শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
কোটা নিয়ে যেসব কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মাথায় পুলিশের গুলি
গায়েবানা জানাজা বলে কিছু নেই বলে ইমামকে নিয়ে গেল ওসি আমিনুল
ঢাবিতে গায়েবানা জানাজায় কফিন ছুঁয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ
রণক্ষেত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, আহত শতাধিক
বৃহস্পতিবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক
সাংবাদিকদের মাঝে সাউন্ড গ্রেনেড মারলো পুলিশ, অন্তত তিন সংবাদকর্মী আহত
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তাল শিক্ষার্থীরা, উত্তরবঙ্গের ২২ জেলার প্রবেশপথ অবরোধ
কোটা সংস্কার আন্দোলন হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা: আসিফ নজরুল
শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের হাতে: ওবায়দুল কাদের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন, শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগ
সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান
জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের