স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায়

২৬ আগস্ট ২০২৩, ০৫:২৪ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:১৫ পিএম


স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায়

বাসা থেকে দ্রুত বের হতে হবে কিন্তু চাবি কোথায় রেখেছেন মনে নেই। অনেক সময় আপনার ঘড়ি খুঁজে পাচ্ছেন না। পরীক্ষার আগে অনেক পড়াশোনা করেছেন কিন্তু পরীক্ষার হলে গিয়ে আর মনে পড়ছে না। এমনটা অনেকের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এসব সমস্যা থেকে উত্তোরণের উপায় হলো উন্নত স্মৃতিশক্তি। যাদের স্মৃতিশক্তি যত বেশি তাদের এসব সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ তত সহজ।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, 'স্মৃতিশক্তি ব্রেইনের এমন একটি অংশের কাজ, যেখানে তথ্য গ্রহণ (receive), রেজিস্ট্রেশন (registration) এবং রিট্রিভ (retrieve) এর মাধ্যমে কাজ করে। এ অংশটি আমাদের যে কোনো ঘটনা, বস্তু, বিষয়কে প্রথমে গ্রহণ করে, গ্রহণের পর সেই তথ্যকে ব্যাখ্যা করে সেটিকে রেজিস্ট্রেশন করে। রেজিস্ট্রেশন পর সেটিকে রিট্রিভ করে।'

ডা. হেলাল উদ্দিন আহমদ বলেন, 'কারো যদি তথ্য ব্রেইনে নিতে অসুবিধা হয়, যদি সে মনোযোগ না দেয়, তাহলে সে সেটা রেজিস্ট্রেশন ও করতে পারবে না, রিট্রিভ ও করতে পারবে না। আবার কেউ খুব মনোযোগ দিলো, কিন্তু সেটিকে ব্রেইনে স্থায়ীভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারলো না, তখন প্রয়োজনীয় সময়ে সে তা রিট্রিভ করতে পারবে না। আবার কেউ নিলো এবং রেজিস্ট্রেশন ও করলো কিন্তু ব্রেইনে নানা রকম অসুবিধার কারণে সে সেটায় পুনরায় উপস্থাপন বা রিট্রিভ করতে পারে না। এগুলো স্মৃতিশক্তির নানা ধরনের সমস্যা।'

গবেষণা বলছে, ব্যায়াম, খাদ্যাভাস ও কিছু কিছু অ্যারোবিক্স মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন। গড়ে তুলুন ৬টি অভ্যাস। এতে মস্তিষ্ক হবে তীক্ষ্ণ, বাড়বে জ্ঞানীয় ক্ষমতা।

ব্যায়াম মস্তিষ্কের আকার বাড়ায়:

শরীরচর্চা করলে দেহের পেশীর সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের আকার ও সিন্যাপসের পরিমাণ বাড়ে। মগজে সৃষ্টি হয় নতুন কোষের। এতে করে মগজে বেশি পরিমাণে অক্সিজেনের মাত্রা ও গ্লুকোজ সরবরাহ হয়। আর আপনি যদি প্রাকৃতিক পরিবেশে ব্যায়াম করেন, তাহলে ফ্রি পাচ্ছেন ভিটামিন ডি।

হাঁটাচলা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়:

আপনি যদি সকাল-বিকেল নিয়মিত হাঁটেন তাহলে আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়বে। গবেষণায় এটি প্রমাণিত। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা নিয়মিত হাঁটতে বের হন। কোনো বাক্য বা উক্তি আপনি যদি হেঁটে হেঁটে মুখস্থ করেন, তবে সেটা বহুদিন ধরে আপনার মনে থাকবে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস বেছে নিন:

যেসব খাবার খুব পছন্দের সেগুলো খেলে মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড এরিয়ায়’ ডোপামিন রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে মনে খুশির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তবে মস্তিষ্কের শক্তিবৃদ্ধির পাশাপাশি পেটের দিকেও নজর রাখতে হবে। মানুষের দেহের পরিপাকতন্ত্রে ১০০ ট্রিলিয়নেরও বেশি অণুজীবের বসবাস।

 খুঁজে নিন অবসর:

স্বল্প মাত্রার মানসিক চাপ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এতে বিপদের সময় কিংবা দুঃখের সময় পরিস্থিতিকে সামলানর মানসিক শক্তি পাওয়া যায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ মস্তিস্কের জন্য খুবই খারাপ।

তাই কাজের ফাঁকে অবসরের সময় বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনার মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিতে অবসর খুঁজে বের করুন। ঘুরে আসুন কোনো অজানায়।

কল্পনার দুনিয়ার শরিক হোন:

কল্পনাশক্তি শুধু মনকেই নরম করে না, স্মৃতিকেও ক্ষুরধার করে। তাই শিশুদের সঙ্গে সময় দিন, তাদের সঙ্গে খেলায় মেতে উঠুন। রূপকথার গল্প পড়ার ফাঁকে নিজের কল্পনাকেও ঝালিয়ে নিন। এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় হবে।

সঠিক সময়ে ঘুম:

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ঘুম অত্যন্ত উপকারী। রোজ রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যান ও ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠুন। কারণ ঘুম মস্তিষ্কের সক্রিয়তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। চেষ্টা করুন রাত ৯-১০টার মধ্যে ঘুমোনোর। নিয়ম মেনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান।

এছাড়া মন ও শরীর শান্ত রাখার জন্য নিয়মিত মেডিটেশন করুন, গান শুনুন, প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন ও সবার সঙ্গে প্রাণ খুলে হাসুন।

 

 


এবার কন্যাসন্তানের বাবা হতে চান লিওনেল মেসি

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:৩৭ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৩৬ পিএম


এবার কন্যাসন্তানের বাবা হতে চান লিওনেল মেসি

ফুটবল ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য সব শিরোপাই জিতেছেন লিওনেল মেসি। যে শিরোপা নিয়ে তার সবচেয়ে বেশি আক্ষেপ ছিল সেটাও গত বছর কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে পূর্ণ করেছেন। তাই ফুটবল থেকে আর চাওয়ার কিছু নেই রেকর্ড সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বিশ্বকাপ জয়ের পর এমন কথা বেশ কয়েকবার বলেছেন তিনি। এবার নিজের এক সুপ্ত বাসনার কথা প্রকাশ করেছেন এলএমটেন।


সম্প্রতি আর্জেন্টাইনভিত্তিক ‘ওলগা’ নামক এক ইউটিউব চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মেসি। সেখানে কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার মনোবাসনার কথা জানিয়েছেন ইন্টার মায়ামি তারকা। আর এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির খেলাধুলাবিষয়ক গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস।


স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর সঙ্গে মেসির সম্পর্কের শুরু বাল্যকালেই। দীর্ঘদিন ধরেই সংসার করলেও ২০১৭ সালে বিয়ের পিড়িতে বসেন তারা। লিওনেল মেসি ও স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর   তিন পুত্র- থিয়াগো, মাতেও এবং চিরো। এবার চতুর্থ সন্তান নেয়ার পরিকল্পনা করছেন মেসি ও আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো দম্পতি। আর্জেন্টাইন সুপারস্টার মেসি এবার কন্যা সন্তানের প্রত্যাশা করছে। 


ইএসপিএনের সংবাদকর্মী ও বিখ্যাত স্ট্রিমার মিগু গ্রানাদোসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা আরেকটি বাচ্চা নিতে চাই। আমরা সে চেষ্টাটা এখনো শুরু করিনি। তবে আশায় আছি, সেটি কন্যা সন্তান হবে।’


১৯৮৭ সালের ২৪শে জুন হোর্হে মেসি এবং সেলিয়া মারিয়া দম্পতির ঘর আলোকিত করে জন্ম নেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন সুপারস্টার জানালেন, শৈশবে মা-বাবার থেকে প্রাপ্ত মূল্যবোধ নিজের সন্তানদের ওপরও প্রয়োগ করেন তিনি।
মেসি বলেন, ‘ছোটবেলায় আমাকে যা যা শেখানো হয়েছে, সেসব মূল্যবোধ আমি নিজের সন্তানদের মধ্যে প্রয়োগ করার চেষ্টা করি। আমি একজন ভালো বাবা। কারণ আমার মা-বাবা ভালো ছিলেন। আর আামি কোথায় বেড়ে উঠেছি, সেখানকার মূল্যবোধগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।’

স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘সে দুর্দান্ত। মোটামুটি ২৪ ঘণ্টাই সন্তানদের সঙ্গে কাটায়। মাঝেমধ্যেই দীর্ঘ সময়ের জন্য বাইরে থাকতে হয়- সফর, ম্যাচ, প্রাক্-মৌসুম, জাতীয় দল। কখনো কখনো মাসের পর মাস বাইরে থাকতে হয়। তখন সে সারাদিনই সন্তানদের সামলায়।’


নিজের তিন ছেলেদের নিয়ে মেসি বলেন, ‘থিয়াগো কথা বলতে পছন্দ করে। আন্তোনেল্লাকেই (রোকুজ্জো) সে সব বলে। মাতেও সবকিছু বলে দেবে। বকবক করতেই থাকে। কিন্তু চিরো সে তুলনায় একটু চুপচাপ। ওরা টোস্ট ও চকলেটমিশ্রিত দুধই বেশি খায়।’

গত জুলাইয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন লিওনেল মেসি। পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস শুরু করেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। মার্কিন মুলুকে নিজের ‘ডেইলি রুটিন’ জানিয়ে মেসি বলেন, ‘আমরা সকাল ৭টার দিকে ঘুম থেকে উঠে নাশতা করি। তখন ছেলেরাও উঠে পড়ে। কখনো কখনো আমি তাদের স্কুলে নিয়ে যাই। কখনো আবার নিয়ে যেতে পারি না।অনুশীলন থেকে বেলা ১টা নাগাদ ফিরে কিছু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। এরপর ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাদের (স্কুল থেকে) নিয়ে এসে আবারও অনুশীলনে যাই।’


দুবাইয়ে বিশ্বের প্রথম সাগরতলে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:৪৫ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৪১ পিএম


দুবাইয়ে বিশ্বের প্রথম সাগরতলে মসজিদ  নির্মাণ করা হচ্ছে
ছবি সংগৃহিত

পর্যটনশিল্পে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন দেশটির শাসকেরা। এবার ধর্মীয় পর্যটনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে সাগরতলে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। ৫ কোটি ৫০ লাখ আমিরাতি দিরহাম ব্যয়ে দুবাইয়ের সমুদ্র উপকূলে এ মসজিদ নির্মিত হবে, যা বাংলাদেশি টাকায় ১৬৪ কোটির বেশি।

পানির তলদেশে বিশ্বের প্রথম ভাসমান মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দুবাই। তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদটির পানির ওপরে দুই তলায় থাকবে বসার জায়গা ও একটি কফিশপ আর পানির নিচে থাকবে নামাজের ব্যবস্থা।

ধর্মীয় পর্যটন প্রকল্প সম্পর্কে এক ব্রিফিংয়ে এ মসজিদ নির্মাণ পরিকল্পনার ঘোষণা দেয় দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস বিভাগ। সংস্থাটির কর্মকর্তা আহমেদ আল মনসুরি খালিজ টাইমসকে বলেছেন, শিগগিরই এ মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

মসজিদটির ঠিক কোথায় নির্মাণ করা হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। তবে আহমেদ আল মনসুরি বলেন, এটি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার কাছাকাছি নির্মাণ করা হবে। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সেতুর মাধ্যমে সেখানে মুসল্লিরা যেতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, সব ধর্মের মানুষই এই মসজিদ পরিদর্শন করতে পারবে। তবে তাদের অবশ্যই শালিন ও ইসলামি রীতিনীতি মেনে চলতে হবে।

২০২৪ সালের মধ্যেই মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এটি হবে তিন তলা বিশিষ্ট। প্রথম তলা থাকতে পানির মধ্যে। এটি নামাজের জন্য নির্ধারিত থাকবে। দ্বিতীয় তলা হবে হলের জন্য নির্ধারিত এবং তৃতীয় তলা ইসলামিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৫০ থেকে ৭৫ জন ধর্মীয় ব্যক্তি এখানে একসঙ্গে থাকতে পারবেন। এমন সুবিধাও রাখা হচ্ছে।

মসজিদটিতে কুরআনিক এক্সিবিশনের আয়োজন করা হবে। শেখ মাখতুম বিন রশিদ আর মাখতুম থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের বিতরণকৃত কুরআনগুলো এখানে সজ্জিত থাকবে।

সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ল্যান্ডমার্ক প্রজেক্টের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময়ে এখানে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স এন্ড চ্যারিটেবল বিভাগের পরিচালক ড. হামাদ আল শেখ আহমেদ আল সাইবানি। এছাড়া অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 


বিভাগ : সারাবিশ্ব

বিষয় : ইসলাম



এবার যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হতে পারে সিগারেট

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:৫৪ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৪১ পিএম


এবার যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হতে পারে সিগারেট
ছবি সংগৃহিত

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধূমপানমুক্ত রাখতে নিউজিল্যান্ডের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। সরকরের এমন পদক্ষেপের ফলে পরবর্তী প্রজন্মের আর কেউ ‍সিগারেট কিনতে পারবে না। শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

গত বছরের ডিসেম্বরে ধূমপানমুক্ত দেশ গড়ার মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন আইন প্রণয়নের ঘোষণা দেয় নিউজিল্যান্ড সরকার। এ আইন প্রণীত হলে ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারির পর জন্মগ্রহণকারী কেউ সিগারেট কিনতে পারবে না। ফলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে সে দেশে আর ধূমপায়ী থাকবে না।

ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেন, আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ধূমপান মুক্ত দেশ হতে চাই। এ জন্য আমরা আরও বেশি লোককে উত্সাহিত করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে বিনামূল্যে ভ্যাপ কিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া গর্ভবতী নারীদের ধূমপান থেকে বিরত রাখতে ভাউচার স্কিম দেওয়া সহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগামী বছর যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে। ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোক্তাকেন্দ্রিক নীতিমালার অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপের কথা ভাবছে সুনাক সরকার।

যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে এতদিন শিশুদের বিনামূল্যে ভ্যাপের নমুনা দিয়ে আসছিল খুচরা বিক্রেতারা। তবে গত মে মাসে ই-সিগারেটের ব্যবহার বন্ধে এসব ফাঁকফোকর বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার।

এছাড়া গত জুলাই মাসে পরিবেশগত ও স্বাস্থ্য উভয় ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ২০২৪ সালের মধ্যে একক-ব্যবহারযোগ্য ভ্যাপ বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারেরর প্রতি আহ্বান জানায় ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের কাউন্সিলগুলো।

অনুসরণ করুন