সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ২ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

যেভাবে সগিরা গুনাহ কবিরা গুনাহ হয়ে যায়

ছবি সংগৃহিত

শয়তানের ধোঁকায় পড়ে মানুষ বারবার গুনাহ করে ফেলে, আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়। তবে মানুষ যত গুনাহ-ই করুক না কেন তাকে নিষ্কলুষ ও নিষ্পাপ করতে আল্লাহ তায়ালা সবসময় তওবার দরজা খুলে রেখেছেন। কোরআন ও হাদিসে মুসলিম জাতিকে বারবার তওবা ও ইস্তেগফারের কথা বলা হয়েছে।

মানুষ যেসব গুনাহের কাজে লিপ্ত হয় তা দুই প্রকার। ১. কবিরা গুনাহ বা বড় গুনাহ। ২. সগিরা গুনাহ বা ছোট গুনাহ। জীবনে চলার পথে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় মানুষ এমন অনেক গুনাহ করে থাকে, যেগুলো আপাত দৃষ্টিতে সগিরা গুনাহ মনে হলেও নানা কারণে সেগুলো কবিরা গুনাহ হয়ে যায়।

কবিরা গুনাহ

কবিরা গুনাহ বলা হয়, যে গুনাহর জন্য পার্থিব জীবনে হদ বা শাস্তি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, যেমন—নিরপরাধ মানুষ হত্যা, ব্যভিচার, চুরি ইত্যাদি। কিংবা যে পাপের জন্য পরকালে জাহান্নাম বা আল্লাহর ক্রোধ কিংবা অভিসম্পাতের কারণ বলে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে, যেমন—সুদ খাওয়া, মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া ইত্যাদি। এগুলো কবিরা গুনাহ।

সগিরা গুনাহ

সগিরা গুনাহ বলা হয়,যেসব পাপের ব্যাপারে কোনো শাস্তি, আল্লাহর ক্রোধ বা অভিশাপের কথা বলা হয়নি; বরং শুধুই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেসব হলো সগিরা গুনাহ। তবে সেসব গুনাহও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হবে, যার অনিষ্ট ও পরিণতি কোনো কবিরা গুনাহর অনুরূপ কিংবা তার চেয়েও অধিক। আবার যেসব ছোট গুনাহ নির্ভয়ে করা হয় কিংবা নিয়মিতভাবে করা হয়, সেগুলোও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হবে।

সগিরা গুনাহ কবিরা গুনাহে রূপান্তরের ৫ টি কারণ এখানে ‍তুলে ধরা হলো-

১. গুনাহকে ছোট মনে করা

গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়া এমনিতেই অপরাধ। আর গুনাহকে ছোট মনে করা আরও বড় অপরাধ। হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এক হাদিসে বলেছেন, ‘মানুষ যে গুনাহকে ছোট মনে করে, সেটাই আল্লাহ তায়ালার কাছে বড়। আর যেগুলোকে মানুষ বড় মনে করে, সেটাই আল্লাহ তায়ালার কাছে ছোট।’

আরেক হাদিসে হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সূত্রে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা অনেক গুনাহকে চুলের চেয়েও ছোট মনে কর। অথচ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সেগুলোকে ধ্বংসাত্মক গুনাহ মনে করতাম।’ (বুখারি, হাদিস, ৬১২৭)

২.সগিরা গুনাহ বারবার করা

সগিরা গুনাহ বারবার করলে তা কবিরা গুনাহ হয়ে যায়। এ ব্যাপারে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত আয়শা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহাকে একদিন বললেন, ‘গুনাহকে ছোট ও তুচ্ছ মনে করা থেকে নিজেকে রক্ষা কর। কারণ প্রতিটা গুনাহ সংরক্ষণের জন্য আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ফেরেশতা নিযুক্ত আছে।’(তিরমিজি, হাদিস, ৪১৪৩)

আরেক হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘সগিরা গুনাহ বার বার করলে তা সগিরা থাকে না; কবিরা হয়ে যায়। আর ইস্তেগফারের মাধ্যমে কবিরা গুনাহ কবিরা থাকে না।’(শুআবুল ঈমান, হাদিস, ৭২৬)

৩. অনুসরণীয় ব্যক্তিদের সগিরা গুনাহ কবিরা হয়ে যায়

আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও সমাজের অনুসরণীয় ব্যক্তিদের সগিরা গুনাজ কবিরা হয়ে যায়। কারণ তাদের ছোট গুনাহগুলো দেখে অন্যরা গুনাহ করার দুঃসাহস পায়। এভাবে সমাজের সব জায়গায় সেই গুনাহ ছড়িয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে, তার শাস্তি দ্বিগুণ বৃদ্ধি করে দেয়া হবে। আর আল্লাহর পক্ষে তা অতি সহজ।’(সূরা আহযাব, আয়াত, ২৯)

৪. গুনাহ করে খুশি হওয়া

শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গুনাহ হয়ে যেতে পারে। তাই বলে ইচ্ছা করে গুনাহ করা, গুনাহ করে খুশি হওয়া কোনোভাবে কাম্য নয়। কোনো ব্যক্তি যখন কোনো সগিরা গুনাহ করে কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয় তখন আর তা সগির গুনাহ থাকে না, কবিরা গুনাহে পরিণত হয়ে যায়।

৫. আল্লাহর সহিষ্ণুতায় ধোঁকা খাওয়া

যারা নিজ সংশোধন ও আখেরাতের চিন্তা থেকে সম্পূর্ণ উদাসীন, শুধু দুনিয়ার জীবন নিয়ে ব্যস্ত। এসবের পরেও যখন আল্লাহ তায়ালা তাদের প্রতি পরম দয়া ও সহিষ্ণু আচরণ করেন, তখন এটাই তাদের জন্য এক অদৃশ্য পর্দা হয়ে দাঁড়ায়। যে কারণে তারা অবলীলায় ছোট-ছোট গুনাহ করে থাকে। আর এভাবে অবলীলায় করতে থাকা সগিরা গুনাহ কবিরা গুনাহে পরিণত হয়ে যায়। তাই প্রত্যেক মুমিন-মুসলিমের এই ব্যাপারে সর্তক থাকা উচিত।

 

নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!

ছেলেকে ছাড়াই দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করেছেন অপহৃত জাহাজের নাবিক সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশিদের পরিবার। ঈদের দিনটি তাদের কাছে আনন্দের বদলে ছিল বিষাদময় একটি দিন। ছেলে কখন জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাবে সে অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সবাই। এদিকে ঈদের পরে নববর্ষের দিন (১৪ এপ্রিল) টিভিতে ছেলেসহ সবাই মুক্তি পেয়েছে এটা শুনে নববর্ষে তাদের পরিবারে ঈদের আন্দের ঢেউ বয়ে যায়।

তারপর ছেলে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জানায় সে ভালো আছে- আর চিন্তার কিছু নেই। তারপরও অপেক্ষায় আছেন, ছেলে কবে ঘরে ফিরে আসবে! আবেগে আপ্লুত হয়ে কথাগুলো বলছিলেন নাবিক সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশীদ। নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবর শুনে তার পরিবারে খুশির বন্যা বইছে। ভর করেছে ঈদের আনন্দ।

নাবিক সাব্বির। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া নাবিক সাব্বির হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামে। সেখানেই কথা হয় হারুন অর রশিদ ও তার পরিবারের অন্যদের সঙ্গে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাগরপুরের সহবতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে থেকে এসএসসি পাস করেন মো. সাব্বির হোসেন। টাঙ্গাইল শহরের কাগমারি এমএম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে ২০২২ সালের জুন মাসে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্যবাহী জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরি নেন।

সাব্বিরের মা সালেহা বেগম ঢাকাপ্রকাশকে জানান, সাব্বিবের সাথে মোবাইল ফোনে একটু সময় কথা হয়েছে। সে বলেছে- ‘মা চিন্তা করো না, আমরা মুক্তি পেয়েছি- সবাই ভালো আছি’। এ কথা শোনার পর যেন বুকের জগদ্দল পাথরটা সরে গিয়ে মনটা ভরে উঠল। ছেলের দুশ্চিন্তায় ঈদের দিন আনন্দ করতে পারেন নাই। দীর্ঘ একটা মাস কীভাবে যে কেটেছে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না।

নাবিক সাব্বির। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

পয়লা বৈশাখের দিন ছেলে যখন মোবাইলে ফোন করে বললো- ‘মুক্তি পেয়েছি ভালো আছি’ কথাটা শোনার পর থেকে তাদের পরিবারে ঈদের লহর বয়ে যাচ্ছে। ছেলেকে কাছে পেলে আনন্দটা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে বলে জানান তার মা।

বোন মিতু আক্তার জানান, ভাইয়ের জন্য দুশ্চিন্তায় এক মাস তাদের পরিবার বিষাদে কাটিয়েছে। বৈশাখের সকালে এক-দুই মিনিটের মতো ভাইয়ের সাথে তিনি ও বাবা-মা কথা বলেছেন। ভাই বলেছে ‘তারা সবাই ভালো আছে- সুস্থ আছে’। এ কথা শোনার পর তাদের খুব ভালো লাগছে- খুব খুশি লাগছে। তবে আনন্দটা আরও বেড়ে যাবে তার ভাই পরিবারের কাছে ফিরে এলে। তার ভাই সাব্বির কবে দেশে আসবে তা এখনও বলতে পারছেন না।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান জানান, এখনও সাব্বিরের পরিবারের সাথে তার কথা হয়নি।

উল্লেখ্য, এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি গত ১২মার্চ ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। ওই জাহাজের ২৩ নাবিককে জিম্মি করা হয়। জাহাজটি কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারামিয়া বন্দরের দিকে যাচ্ছিল।

উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপে আগামী ৮ মে অনুষ্ঠাতব্য দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা পরিষদ ও ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ এপ্রিল) এই দুই উপজেলার ৩৫ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলায় মনোনয়ন জমা দানকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন, জামায়াতের ইসলামীর দিনাজপুর জেলা নায়েবে আমীর ডক্টর এনামুল হক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ কবীর ও উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান।

বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- খোরশেদ আলম, আতাউর রহমান, আব্দুল হাই, মেজবাউল ইসলাম মণ্ডল, মোস্তফা কামাল ও সাহেদ আলী সরকার।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- উম্মে কুলছুম বানু, আমেনা বেগম, খাতিজা বেগম ইতি ও রেবেকা সুলতানা।

ঘোড়াঘাট উপজেলায় মনোনয়ন দাখিলকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- রবিউল ইসলাম, কাজী শুভ রহমান চৌধুরী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সারওয়ার হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম সরকার।

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- মুক্তার হোসেন, সেলিম রেজা, ইফতেখার আহমেদ, মাহফুজার রহমান, আলমগীর হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, শহিদুল ইসলাম, আতিকুর রহমান ও শিবু কিসকু।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- মাজেদা বেগম, মর্জিনা বেগম, ফেরদৌসী বেগম, আফরিন সুলতানা, নারগিস খাতুন, রুসিনা সরেন, সবনম ও লাকী বেগম।

বিরামপুর উপজেলার নির্বাচন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপে আগামী ৮ মে অনুষ্ঠাতব্য বিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লক্ষ্যে সোমবার বিকেল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ ও ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা মোট ১৩ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে

বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নয় নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তারা সবাই হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিনে ছিলেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ।

আসামিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবু মাসুম বিষয়টি ঢাকাপ্রকাশকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালত তাঁদের সবাইকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমরা আবার জামিন চাইব।’

কারাগারে পাঠানো বিএনপির নেতাকর্মীরা হলেন- আত্রাই উপজেলা পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী বাবু, আত্রাই উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান বুলেট, পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য পারভেস, আয়নুল, আত্রাই উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ, আত্রাই উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল, রায়হান, ওহাব ও লাবু।

বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২ নভেম্বর আত্রাই উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তি মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলটি ভড়তেঁতুলিয়া আহসানগঞ্জ স্টেশন হইতে আত্রাই আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস সামনে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে শান্তি মিছিল নিয়ে উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া এলাকায় আমতলী সিএনজি স্ট্যান্ডে পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আক্কাস আলী প্রামাণিক বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। এ মামলায় ওই নয়জন গত ২৮ফেব্রুয়ারি আট সপ্তাহের হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান। জামিনের মেয়াদ শেষে আজ নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে মামলার এজহারভুক্ত বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নয় নেতা-কর্মী পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

আসামি পক্ষে জামিনের শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবু মাসুম। তবে জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

সর্বশেষ সংবাদ

নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!
উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
প্রথম ধাপে ১৫০ উপজেলায় ১৮৯১ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
ইরানের হামলার পর কমলো তেলের দাম
হিলি স্থলবন্দরে টানা বন্ধের পর আমদানি-রপ্তানি শুরু
মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার ছুটি বাড়াল বিসিবি
নরসিংদীতে ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা
৫৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস
‘একীভূত হচ্ছে পাঁচ ব্যাংক, বাকি সিদ্ধান্ত পরে’
ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ নাথান কিয়েলি
বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম: ওবায়দুল কাদের
গোবিন্দগঞ্জে অটোচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামে ২টি বস্তিতে আগুন, পুড়ল ২০০ ঘর
পার্পল ক্যাপের লড়াইয়ে মুস্তাফিজের অবস্থান এখন কোথায়?
পাঁচ দিনের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে ১৪ কোটি টাকা টোল আদায়
মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে: জাতিসংঘের মহাসচিব
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের ১৬০ কেজি ওজনের পাঙ্গাস
প্রবাসী আয়ের শীর্ষে ঢাকা, তারপর চট্টগ্রাম সিলেট কুমিল্লা
প্রথমবারের মতো কান চলচ্চিত্র উৎসবে সৌদি আরবের সিনেমা