বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

পাড়ার ক্রিকেটে ছেলেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলে আজ আইসিসি আম্পায়ারিং এ ডলি সরকার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির আম্পায়ারিং প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারী আম্পায়ার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ডলি রানি সরকার। এই পর্যায়ে আসার পেছনে রয়েছে এক সংগ্রামী জীবনের গল্প। বৃহত্তর বরেন্দ্র ভূমির নওগাঁ শহরের দরিদ্র পরিবারে জন্ম তার। ছোটবেলায় পাড়ার ক্রিকেটে ছেলেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলে স্বপ্ন বোনার শুরু।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এরপর ভর্তি হন বিকেএসপিতে। জাতীয় দলের ২০ জনের ক্যাম্পেও ডাক পেয়েছিলেন, কিন্তু থামতে হয়েছে সেখানেই। পরে বিকেএসপিতেই চাকরি হয়ে গেছে, ক্রিকেট ক্যারিয়ারটা আর এগোয়নি। সেই ডলি রানি সরকারই এখন আম্পায়ারিং হাল ধরে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন বাংলাদেশকে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

আম্পায়ারিং এ জায়গা পাবার পর ঢাকাপ্রকাশের মুখোমুখি হয়ে ডলি সরকার বলেছেন নিজের অনুভূতি আর প্রত্যাশার নানা কথা। এই একান্ত সাক্ষাতকারটি পাঠকদের জন্যে তুলে ধরা হলো-

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শামীনূর রহমান।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ : বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির আম্পায়ারিং এ জায়গা পাওয়ায় অভিনন্দন।

ডলি সরকার : ঢাকাপ্রকাশকে ধন্যবাদ।

ঢাকাপ্রকাশ : আইসিসির আম্পায়ারিং এ যুক্ত হয়েছেন, অনুভূতিটা কেমন?

ডলি সরকার : আসলে অনুভূতি প্রকাশ করার মতো ভাষা নেই কারণ অনেক অনেক খুশি এবং আনন্দিত। এত দ্রুত আমরা আইসিসি আম্পায়ারিং এ যুক্ত হতে পারবো তা প্রতাশা ছিলো না। ক্রিকেট বোর্ড আমাদের নিয়ে কাজ করছে দুই বছর হতে চলেছে। গত দুই বছর ক্রিকেট বোর্ড আমাদের বিভিন্ন জায়গায় ম্যাচ দিয়ে চেষ্টা করেছেন উপযুক্ত করার। আমরা সেই কাজটি করেছি। আজ আইসিসি আম্পায়ারিংয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছি।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ : ক্রীড়াঙ্গনে পদচারণা শুরু হয় কখন থেকে?

ডলি সরকার : আমি ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা করতাম। স্কুলে খেলতাম হ্যান্ডবল, ভলিবল, অ্যাথলেটিকে যে খেলা গুলো আছে ইভেন্টগুলোতে সেগুলো। পাড়ার সব বড় ভাইদের সঙ্গে খেলতাম। শুরুটা আমার পাড়ার বড় ভাইদের হাত ধরেই।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকা প্রকাশ : জাতীয় দলের ক্যাম্পেও ডাক পেয়েছিলেন কি?

ডলি সরকার: জাতীয় দলের ২০ জনের ক্যাম্পেও ডাক পেয়েছিলেন, কিন্তু থামতে হয়েছে সেখানেই। পরে বিকেএসপিতেই চাকরি হয়ে গেছে, ক্রিকেট ক্যারিয়ারটা আর এগোয়নি। সেই ডলি রানি সরকারই এখন আম্পায়ারিং হাল ধরে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন বাংলাদেশকে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ: কোচিংয়ের হাতেখড়িটা কীভাবে হলো?

ডলি সরকার : আমি বিকেএসপির স্টুডেন্ট ছিলাম। বিকেএসপিতে থাকা অবস্থায় আমাদের ক্রিকেট ডিপার্টমেন্টের মাসুদ হাসান স্যার ছিলেন। বিশেষ করে মানজিৎ স্যার, ডলি ম্যাডাম ওনাদের সহযোগিতায় ক্রিকেট বোর্ডের অধীনে তাদের হাত ধরেই কোচ হিসেবে কোচিংয়ে আসা।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ: প্রথম কোন খেলায় আম্পায়ারিং এ অংশ নেন?

ডলি সরকার : যেহেতু আমি বিকেএসপি স্টুডেন্ট ছিলাম। ২০০৯ সাল থেকেই আম্পায়ারিং প্র্যাক্টিস এর মধ্যে ছিলাম। মেয়েদের ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দিয়ে যাত্রা শুরু করি। এছাড়া বিকেএসপিতে ছেলেদের যে ম্যাচগুলো বিশেষ করে সৌম্য বিজয়রা যখন ছিলো ওই সময় ওদের ম্যাচ আম্পায়ার ছিলাম। এছাড়া দেশের বাহিরের অনেক টিম বিকেএসপিতে খেলতে আসতেন যেমন শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান ম্যাচগুলোতে আম্পায়ারিং করতাম।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ : বৃহত্তর বরেন্দ্র ভূমির নওগাঁ জেলার একমাত্র কন্যা হিসেবে ক্রিকেট যখন শুরু করেছেন তখন খেলাধুলাতে আসা কতটা কঠিন ছিল?

ডলি সরকার : শুরুটা আমার পক্ষে খুব কঠিন ছিল যদি না নওগাঁ জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং পাড়ার বড় ভাই, ছোট ভাই এবং প্রতিবেশী কাকারা তারাই পাড়ায় যে সকল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হইতো সেখানে আমাকে খেলতে নিয়ে যেত ঐখান থেকে আমি তৈরি হইছি। ওনারা যদি হেল্প না করতো তাহলে এতদূর আসতে পারতাম না।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ : বিশ্বমঞ্চে দেশের আম্পায়ারদের মাঝে নারী আম্পায়ারিং এ
ভবিষ্যৎ ভাবনা কি?

ডলি সরকার: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নিশ্চয়ই আমাদের নিয়ে বড় পরিকল্পনা বা প্লান ছিলো তাদের প্রচেষ্টায় আইসিসি প্যানেলে আমরা যুক্ত হতে পেরেছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে সেরাটা উপহার দেয়ার চেষ্টা।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঢাকাপ্রকাশ: শিক্ষা জীবন কোথায় থেকে শুরু?

ডলি সরকার: আমার জন্মস্থান নওগাঁতে, বেড়ে উঠাও নওগাঁতে, খেলা শুরুটাও নওগাঁতে। সব কিছুই নওগাঁ কেন্দ্রিক। আমার প্রাথমিক স্কুল জীবন চকএনায়েত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিকে নওগাঁ প্যারীমোহন (পিএম) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং খেলাধুলার জন্য আমি নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করি, এইচএসসি পাশ করি নওগাঁ সরকারি কলেজ থেকে, গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করি বিকেএসপি থেকে, মাস্টার্স কমপ্লিট করি দেবেন্দ্র কলেজ মানিকগঞ্জ থেকে, বিপিএড কমপ্লিট করি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং এমপিএড কমপ্লিট করি উত্তরা ইউনিভার্সিটি থেকে।

Header Ad

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দুই মন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে সরকার। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে। শিক্ষার্থীরা যখনই সময় দেবে তখনই বৈঠক করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা যখনই আলোচনায় বসতে রাজি হবেন তখন এ আলোচনা হবে। 

তিনি বলেন, মামলাটা সর্বোচ্চ আদালতে আছে। এই মামলা যখন আদালতে শুনানি শুরু হবে, সরকার একটা প্রস্তাব আদালতে দেবে। সেখানে সংস্কারের প্রস্তাব দেব। অতএব আপনারা বলতে পারেন আমরা কোটা সংস্কারের পক্ষে।

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, আজ বিকেলেই এ বৈঠকটি হতে পারে।

উল্লেখ্য, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন গত সোমবার (১৬ জুলাই) বেশ সহিংস রূপ নেয়। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে কোটাবিরোধীদের তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের তিনশর মতো শিক্ষার্থী আহত হয়। বিশেষ করে গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সারাদেশের পরিস্থিতি ছিল বেশি উত্তপ্ত।

এরপর মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা যায়। আহত হয় কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে।

নিহতের ঘটনায় হাইকোর্টের বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানকে দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

অন্যদিকে, কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে ৭ আগস্টের শুনানির দিন নির্ধারিত আছে। শুনানির সময় এগিয়ে আনার জন্য আগামী রোববার (২১ জুলাই) আদালতে সরকার পক্ষ আবেদন করবেন বলে জানান আইনমন্ত্রী।

বাড্ডা-রামপুরায় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত শতাধিক

বাড্ডা-রামপুরায় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বা সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে বাড্ডা-রামপুরা এলাকায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ।

জানা গেছে, নিহতের নাম দুলাল মাতবর। তিনি পেশায় ড্রাইভার। সংঘাতের সময় তিনি একটি হাইএস গাড়ি চালিয়ে ওই এলাকা পার হচ্ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ফরাজি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রুবেল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে নিহতের পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য জানিয়েছেন।

মরদেহে বুকের কাছে একটি গোল ক্ষত চিহ্নিত শনাক্ত করা গেছে। তবে এটি বুলেটের ক্ষত কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আহত হয়ে হাসপাতালে প্রায় ১০০ জন পুলিশ ও শিক্ষার্থী এসেছেন। তাদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতালের কর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন। 'আমাদের চিকিৎসক ও কর্মীরা আহতদের সারিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন', যোগ করেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে মাঠে নেমেছে বিএনপি-জামায়াত: ওবায়দুল কাদের

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে বিএনপি-জামায়াত তাদের পুরনো আগুন সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অসংখ্য স্থানে ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন করেছে। ৩০০ মত আহত হয়েছে, যেখানে অনেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায়। ছাত্রলীগের নারী শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে। মেয়েদের বেধড়ক পিটিয়েছে। পুলিশ, সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ জায়গা হিসেবে ব্যবহার করে ইতোমধ্যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রথম থেকেই পুলিশ সহনীয় ভূমিকা পালন করেছে। যার কারণে রাষ্ট্রপতি বরাবর শিক্ষার্থীরা তাদের স্বারকলিপি সরাসরি প্রদান করতে পেরেছেন।

তিনি জানান, বিএনপি মধ্যযুগীয় কায়দায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে।

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, মাহবুবউল আলম হানিফ; সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দি; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দুই মন্ত্রী
বাড্ডা-রামপুরায় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত শতাধিক
শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে মাঠে নেমেছে বিএনপি-জামায়াত: ওবায়দুল কাদের
ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন বিবেচনার প্রশ্নে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র
দেশের যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত
পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে: পলক
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ
রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা
যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ
স্বামীকে তালাক দিলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা
সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দিল পুলিশ
কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক
ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা