বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাঙচুর, ১০ শিক্ষার্থী আহত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাঙচুর, হামলাকারী আটক। ছবি: সংগৃহীত

পূর্ব ঘটনার জেরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত কুবির বাসের চালক ও তার সহকারী ছাড়া অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীদের একজনকে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসে শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। পরে প্রোক্টরিয়াল বডির সহায়তায় হামলাকারীকে পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়। বুধবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৮টায় বাসটি নগরীর টমছম ব্রিজ এলাকায় আসলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ সময় চালক ও হেলপারকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাকিল আহম্মেদ, অর্থনীতি ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ মাসুম, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়ের মাহমুদ সাকিব, আব্দুল বাসেদ, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আদনান হোসেন শাহেদ, রিফাতুল ইসলাম, মো. আতিক রহমান ও বাস ড্রাইভার সুমন দাশ ও হেলপার জহিরুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রাত ৮টায় শহর থেকে ক্যাম্পাস অভিমুখে ছেড়ে আসা নীল বাসে কুমিল্লা শহরের টমছম ব্রিজ সংলগ্ন ইউটার্ন পার হওয়ার সময় বাস হেলপার এক অটোকে সাইড করতে বলেন। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে অটোতে থাকা দুজন তেড়ে আসে। বাসে শিক্ষার্থী থাকায় কোনো সুযোগ না পেয়ে আজ আবারও তারা ৪০-৫০ জন প্রথমে বাস ড্রাইভার ও হেলপারের ওপর রড, এসএস পাইপ, লাঠি, গ্যাস পাইপ দিয়ে বাসে এলোপাতাড়ি আঘাত করে দূরে পালিয়ে যায়। এমনকি নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ ও করে।

আঘাতপ্রাপ্ত জুবায়ের মাহমুদ সাকিব বলেন, টমছম ব্রিজে ইউটার্ন নেওয়ার সময় ২৫-৩০ জন লোক আমাদের বাসে অতর্কিত হামলা করে। এতে আমরা সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। তাদের হাতে লাঠিসোঁটা, এসএস পাইপ এবং বাঁশ ছিল। হামলার পর আমরা কয়েকজন মিলে তাদের দৌড়ে ধরার চেষ্টা করি। আমি যখন ওদের ধরতে যাই, তখন এসএস পাইপ দিয়ে আমার ডান হাতে আঘাত করে। এতে আমার ডান হাতের কনুই মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

এ বিষয়ে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস এম আরিফুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের অবগত করলে আমরা যায়। যে ছেলেটা আপরাধী তাকে আমাদের হেফাজতে নিই। আর যারা যারা আঘাতপ্রাপ্ত তাদের নাম ঠিকানা নিয়েছি। তারা যদি মামলা করে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে আটককৃত রাকিব ও আহত শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

সুন্নতে খতনায় আহনাফের মৃত্যু: দুই চিকিৎসক গ্রেফতার, হাসপাতাল বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

সুন্নতে খতনা করতে গিয়ে রাজধানীর মালিবাগের জেএস হাসপাতালে শিশু আহনাফ তাহমিদের মৃত্যুর ঘটনায় দুই চিকিৎসককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় শিশুটির বাবা ফখরুল আলম বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া সেন্টারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার দুই চিকিৎসক হলেন এস এম মুক্তাদির ও মাহবুব। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আওলাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়হাম মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করেছেন শিশুটির বাবা। ডা. এস এম মুক্তাদিরসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫ জন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি।

ওসি বলেন, এ ঘটনায় জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর দুজন চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় আহনাফকে সুন্নতে খতনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নতে খতনা করাতে আসেন শিশু আয়হামের বাবা ফখরুল আলম ও মা খায়কুন নাহার চুমকি। রাত আটটার দিকে খতনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর ঘুম ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পর হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে আহনাফের বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডা. মুক্তাদির। আমি বারবার তাদের পায়ে ধরেছি। আমার ছেলেকে যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

অভিযুক্ত চিকিৎসক মুক্তাদির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অর্থোপেডিক বিভাগের জয়েন্ট ব্যথা, বাত ব্যথা, প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিতেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ জানুয়ারি আয়ান নামে এক শিশুর সুন্নতে খতনা করতে গিয়ে মৃত্যু হয়। ৩১ ডিসেম্বর খতনার জন্য আয়ানকে বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ৯টার দিকে শিশুটিকে অ্যানেস্থেশিয়া দেয়া হয়। পরে জ্ঞান না ফেরায় তাকে গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ৭ জানুয়ারি মধ্যরাতে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

আয়ানের বাবা-মায়ের অভিযোগ, ইন্টার্ন চিকিৎসক দিয়ে সুন্নতে খতনার সময় অতিরিক্ত অ্যানেস্থেশিয়া দেয়ায় ঘটেছে এমন ঘটনা।

১০০ সহকারী জজ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ছবি সংগৃহিত

সহকারী জজ নিয়োগে বাংলাদেশ জডিসিয়াল সার্ভিস (১৭শ বিজেএস) পরীক্ষা-২০২৪ এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রার্থীরা ৩ মার্চ থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ১০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের সহকারী সচিব ইয়াসমিন বেগম।

এর আগে সোমবার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরীফ এ এম রেজা জাকের এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ৩ মার্চ থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা। এ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে ১০০ জনকে।

যারা আবেদন করতে পারবেন

কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) অথবা আইন বিষয়ে স্নাতক অথবা কোনো স্বীকৃত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে। আইন বিষয়ে স্নাতক অথবা স্নাতক (সম্মান) অথবা স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় অংশ নেয়া প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। তবে পরীক্ষা আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখের আগে শেষ হতে হবে।

আগামী মে মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

 

যৌন নিপীড়নের দায়ে চাকরি হারালেন জাবি শিক্ষক জনি

মাহমুদুর রহমান জনি। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পাবলিক হেল্থ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর জনিকে নৈতিক অসচ্চরিত্রতার অভিযোগে চাকুরিচ্যুত করেছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্য নুরুল আলমের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় সাবেক সহকারী প্রক্টর মাহমুদুর রহমান জনির বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার সিন্ডিকেট সভা শেষে রাত সাড়ে ৯টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রেজিস্ট্রার আবু হোসেন। তিনি জানান, তদন্ত কমিটির সুপারিশে সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মাহমুদুর রহমান জনিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তাকে বরখাস্ত করায় তাৎক্ষণিকভাবে উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানিয়েছে নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চ। এদিকে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলিফ মাহমুদ স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, সিন্ডিকেট সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। মাহমুদুর রহমান জনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর কিছুটা হালকা হলো। তবে নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত সবাইকে শাস্তির মুখোমুখি করে বিশ্ববিদ্যালয়কে কলঙ্কমুক্ত করতে হবে। প্রভোস্ট এবং প্রক্টর জড়িত থাকায় তাদেরকে অব্যাহতি দিতে হবে। মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সারা দেশের ভর্তিচ্ছুদের কথা ভেবে আমরা পরীক্ষা আটকানোর সিদ্ধান্ত থেকে সড়ে দাঁড়াচ্ছি। তবে ভর্তি পরীক্ষার সময় আমাদের গণসংযোগ অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর মাহমুদুর রহমান জনি ও একই বিভাগে সে সময় নিয়োগ পাওয়া এক প্রভাষকের একটি অন্তরঙ্গ ছবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিং করা হয়। একইসঙ্গে বিভাগের শিক্ষক পদে আবেদনকারী ৪৩ ব্যাচের আরেক ছাত্রীর সঙ্গে কথাবার্তার অডিও প্রকাশ্যে আসে। যেখানে মাহমুদুর রহমান জনি তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর কথা শোনা যায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে তার শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পরে ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

প্রাথমিক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন স্পষ্ট নয় দাবি করে একই বছরের ৯ মার্চ পুনরায় গঠিত হয় ‘স্পষ্টীকরণ কমিটি’। গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ অনুসারে ছয় সদস্য বিশিষ্ট স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠন করা হয়।

সর্বশেষ, স্ট্রাকচার্ড কমিটির তদন্ত চলাকালে ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কুরিয়ারযোগে উপাচার্যকে গালিগালাজ করার অডিও ক্লিপ সংবলিত একটি সিডি সাংবাদিকদের কাছে আসে। ৫২ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপে মাহমুদুর রহমান জনিকে উপাচার্যকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা যায়।

সর্বশেষ সংবাদ

সুন্নতে খতনায় আহনাফের মৃত্যু: দুই চিকিৎসক গ্রেফতার, হাসপাতাল বন্ধ
১০০ সহকারী জজ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
যৌন নিপীড়নের দায়ে চাকরি হারালেন জাবি শিক্ষক জনি
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক বীজবৃক্ষ তুলে ফেলব: ওবায়দুল কাদের
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টারের পথে এগিয়ে ইন্টার মিলান
রাজধানীতে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে প্রাণ গেল আরেক শিশুর
অবশেষে সরকার গঠনে সম্মত পাকিস্তানের প্রধান দুই দল
ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ জনই মাদারীপুরের
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ
যৌন নিপীড়নের দায়ে জাবি শিক্ষক জনি স্থায়ী বরখাস্ত
পুত্র সন্তানের বাবা-মা হলেন বিরাট-আনুশকা
জামিনে মুক্ত সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন
যুক্তরাজ্যে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের সাম্রাজ্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের
উত্তর কোরিয়ার দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনে ছুড়েছে রাশিয়া
গৃহকর্মী প্রীতির মৃত্যু: সাংবাদিক আশফাকুল ও তার স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর
ইবনে সিনা হাসপাতালে রাশিয়ান কিশোরীর শ্লীলতাহানি, ওয়ার্ডবয় গ্রেফতার
শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর সময় জানাল বিমানমন্ত্রী
পরীক্ষার্থীরা মুচলেকায় ছাড় পেলেও মাদরাসা প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
পরীমণির বিরুদ্ধে মাদক মামলার নতুন সিদ্ধান্ত আসছে