বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ভয়ানক অপপ্রচার চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, শিক্ষাক্রমের অংশ নয়, প্রশিক্ষণেরও অংশ নয়, এমন ভিডিওসহ বিভিন্ন বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ব্যাপকভাবে মিথ্যাচার হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস উন্নয়নে দেশের ১৫ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩১ লাখ নির্বাচিত বই (পাঠ্যপুস্তক ছাড়া) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতের কোনো প্রশিক্ষণে (যা মাধ্যমিকের নয়) প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে নিজেরা বিনোদনের অংশ হিসেবে যে প্রাকটিস করেছে, এমন কিছু ভিডিও সামাজিক যোগোযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে এগুলো প্রশিক্ষণ। এমনকি নতুন ভিডিও তৈরি করেও ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ভয়ানক অপপ্রচার চলছে এবং সেটি হচ্ছে ব্যক্তি স্বার্থ বা গোষ্ঠী স্বার্থহানি হওয়ার ভয়ে। কিছু ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী শিক্ষাক্রমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে। এখন নির্বাচনের সময়। নির্বাচনের ক্ষেত্রে যারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থাকেন, তাদের উস্কানি যুক্ত হয়ে গেছে। অতিডান, অতিবামের উস্কানিও যুক্ত হয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ অন্যান্য অতিথিরা বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষাক্রম নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বাচ্চা কত নম্বর পেল, জিপিএ-৫ পেল কি-না, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হল কি-না, অন্যের বাচ্চার চেয়ে আমার বাচ্চা বেশি নম্বর পেল কি-না; এই বিষয়গুলো নিয়ে বাবা-মায়েরা অতিমাত্রায় ব্যস্ত ছিলেন। সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা তৈরিতে বর্তমান শিক্ষাক্রম প্রনয়ণ করা হয়েছে। এ বিষয়গুলোর জন্য বাবা-মায়ের কিছু সংশয় কাজ করছে। আর সেগুলোকে এই গোষ্ঠী (মিথ্যাচারকারী) কাজে লাগাচ্ছে।

দীপু মনি বলেন, আমি অভিভাবকদের বলবো- একটু দেখুন। আপনার সন্তানদের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনার বাচ্চা যদি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে থাকে তাহলে তার আচার-আচরণ পরিবর্তন হয়েছে কি-না। সে কত নম্বর পেয়েছে, সেদিকে নজর না দিয়ে সে শিখলো কি-না, সেদিকে নজর দিন। একটু ধৈর্য্য ধরুন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের ৮শ’র বেশি বিশেষজ্ঞ নতুন কারিকুলাম প্রনয়ণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সবাইকে কোনো না কোনোভাবে এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ওয়েবসাইটে রেখে জনগণের মতামত, পরামর্শ নেওয়া হয়েছে, সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিছু পরামর্শসহ তিনি অনুমোদন দিয়েছেন। আমরা পাইলটিং করেছি। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। সকল বইগুলোকে আমরা পরীক্ষামূলক সংস্করণ বলছি। আমরা মনে করি, এই বইগুওলা আরও পরিশীলন, পরিমার্জনের সুযোগ রয়েছে। সেজন্য সকলের পরামর্শ গ্রহণ করছি।

অবশেষে সরকার গঠনে সম্মত পাকিস্তানের প্রধান দুই দল

ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে একমত হয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। দীর্ঘ নাটকীয়তার পর মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে তারা।

সমঝোতা অনুযায়ী, ফের পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন পিএমএল-এনের শাহবাজ শরিফ। অপরদিকে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হবেন পিপিপির আসিফ আলী জারদারি।

সরকার গঠন নিয়ে মঙ্গলবার সিনেটর ইসহাক দারের বাড়িতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন পিএমএল-এন এবং পিপিপির নেতারা। সেখানে জোট সরকার গঠনের বিভিন্ন শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা করেন তারা। এরপর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় এই দুই দল।

পিপিপির চেয়ার‌ম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো নিশ্চিত করেছেন, শাহবাজ শরিফ আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট পদে বসবেন তার বাবা আসিফ আলী জারদারি। সরকার গঠন হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। সেখানে পিপিপির আসিফ আলী জারদারিকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিএমএল-এন।

বিলাওয়াল আরও জানিয়েছেন, শুধুমাত্র পাকিস্তানের স্থিতিশীলতার জন্য তারা জোট সরকার গঠনে সম্মত হয়েছেন। তবে নতুন সরকারের মন্ত্রীসভায় তারা কোন কোন মন্ত্রণালয়গুলো নেবেন বা পাবেন সেটি পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বিলাওয়াল।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বানে সর্বোচ্চ ৯২টি আসন পায় পিটিআইয়ের স্বতন্ত্ররা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৫টি আসন পায় পিএমএলএন। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৫৪টি আসন পায় পিপিপি।

ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ জনই মাদারীপুরের

ছবি: সংগৃহীত

অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইতালি যাবার সময় নৌযানে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনরে মধ্যে পাঁচজনই মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার বাসিন্দা। এদিকে যুবকদের মৃত্যুর খবরে এলাকাজুড়ে চলছে শোকরে মাতম। আদরের সন্তানদের হারিয়ে দিশেহারা পরিবার। এই ঘটনায় দালালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লিবিয়ার দূতাবাসের মাধ্যম ও নিহতদের বাড়িতে গিয়ে এ তথ্য নিশ্চিতি হওয়া গেছে।

নিহত মাদারীপুরের ৫ যুবকরা হলেন- রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান কাজীর ছেলে সজীব কাজী (১৯), খালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম স্বরমঙ্গল গ্রামের ইউসুফ আলী শেখের ছেলে মামুন শেখ (২২), একই ইউনিয়নের সেনদিয়া গ্রামের সুনীল বৈরাগীর ছেলে সজল বৈরাগী (২২), কদমবাড়ির ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের পরিতোষ বিশ্বাসের ছেলে নয়ন বিশ্বাস (২৪), কবিরাজপুর ইউনিয়নের কেশরদিয়া গ্রামের কাওসার হোসেন (২২)।

বাকি তিনজন হলেন- গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদি ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের দাদন মিয়ার ছেলে রিফাদ (২১), দিকনগর ইউনিয়নের ফতেয়পট্টি এলাকার মো. রাসেল (২০) ও গয়লাকান্দি গ্রামের পান্নু শেখের ছেলে ইসরুল কায়েস আপন (২২)।

স্বজনরা জানায়, গত ১৪ জানুয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বেশ কয়েকজন যুবক ইতালির উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে গত বুধবার লিবিয়া থেকে দালালদের মাধ্যমে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় রওনা দেয় তারা।

তিউনিসিয়ার ভূমধ্যসাগরে নৌকার ইঞ্জিন ফেটে আগুন ধরে যায়। পরে সাগরেই ডুবে যায় নৌকাটি। এতে সজীব কাজি, মামুন শেখ, সজল বৈরাগী, নয়ন বিশ্বাস, কাওসার, আপন, রাসেল ও রিফাদের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া এক পাকিস্তানি নাগরিকও মারা যান। খবর পেয়ে কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় কোস্টগার্ড। নিহতদের খবর বাড়িতে আসলে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা।

স্বজনদের অভিযোগ, মানব পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের গজারিয়া গ্রামে রহিম শেখ ও রাঘদি ইউনিয়নের সুন্দরদী গ্রামের বাদশা কাজির ছেলে মোশারফ কাজি ইউরোপ নেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০-১৫ লাখ টাকা নেয়। পরে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ইতালি পাঠালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, তিউনিসিয়ার ভূমধ্যসাগরে মাদারীপুরের ৫ জনসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি মারা গেছেন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ বাজানো হয়।

এর আগে রাত ১১টা ৫১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে এসে পৌঁছলে তাকে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিনার অঙ্গনে উপস্থিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাবি উপাচার্য তাকে অভ্যর্থনা জানান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পরে মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু। তাদের পর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন৷

পরে তিন বাহিনীর প্রধানেরা, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। কালো ব্যাজ, কালো পতাকা ও ব্যানার নিয়ে পলাশী হয়ে জগন্নাথ হলের সামনে দিয়ে সবাই ধীরপায়ে এগিয়ে চলেছেন শহীদ মিনারের দিকে। অনেকের পোশাক ও সজ্জাতেও রয়েছে শোকের কালো রং। কণ্ঠে আছে সেই বেদনাবিধুর গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি…’।

এবার মহান শহীদ দিবসের ৭২তম বছর পূর্ণ হচ্ছে। মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বাংলা মায়ের সাহসী সন্তানদের অনন্য আত্মত্যাগের এই দিনকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়। তারপর থেকে সারা বিশ্বেই নিজ নিৃজ মাতৃভাষা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ

অবশেষে সরকার গঠনে সম্মত পাকিস্তানের প্রধান দুই দল
ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ জনই মাদারীপুরের
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ
যৌন নিপীড়নের দায়ে জাবি শিক্ষক জনি স্থায়ী বরখাস্ত
পুত্র সন্তানের বাবা-মা হলেন বিরাট-আনুশকা
জামিনে মুক্ত সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন
যুক্তরাজ্যে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের সাম্রাজ্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের
উত্তর কোরিয়ার দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনে ছুড়েছে রাশিয়া
গৃহকর্মী প্রীতির মৃত্যু: সাংবাদিক আশফাকুল ও তার স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর
ইবনে সিনা হাসপাতালে রাশিয়ান কিশোরীর শ্লীলতাহানি, ওয়ার্ডবয় গ্রেফতার
শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর সময় জানাল বিমানমন্ত্রী
পরীক্ষার্থীরা মুচলেকায় ছাড় পেলেও মাদরাসা প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
পরীমণির বিরুদ্ধে মাদক মামলার নতুন সিদ্ধান্ত আসছে
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু কাল, নিরাপত্তা জোরদার
বগুড়ায় মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বাণিজ্যমেলায় ৪০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি
জীবনের প্রথম ছবি ‘চক্কর ৩০২’, পোস্টারে কে এই অভিনেতা?
১০ গুণ জামানত বাড়লো উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে
ফুলের দাম চড়া, তবুও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত নওগাঁর দোকানীরা