সারাবিশ্ব
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে ‘প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র’ সংকটের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও এক সপ্তাহ স্থায়ী হলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে টানা হামলা ও পাল্টা হামলা চললে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে।
'দি ইকোনমিস্ট'-এর ডিফেন্স এডিটর শশাঙ্ক জোশি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর সামরিক লক্ষ্য নির্ধারণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এতে ইরান-এর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, হামলা শুরুর পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর অবস্থানে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। শুরুতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত থাকলেও বর্তমানে জোর দেওয়া হচ্ছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করার ওপর।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের বিভিন্ন অপারেশনাল পয়েন্ট ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার হতে পারে, যাতে তাদের সামরিক সক্ষমতা সর্বোচ্চভাবে ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ চেইনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি আঘাতের কৌশলও দেখা যেতে পারে।
তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে কোনো দেশই তাদের মজুত প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রকৃত পরিমাণ প্রকাশ করে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যদি আরও এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকে, বিশেষ করে উচ্চমানের প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সংকট দেখা দিতে পারে।