বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

আসামিকে সাজা দেওয়ার আগে শুনানি করতে হবে: হাইকোর্ট

ফৌজদারি মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে দোষী সাব্যস্তের পরই আসামিকে শাস্তি দিয়ে থাকেন অধস্তন আদালতের বিচারক। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় নতুন একটি দিক যুক্তের নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট।

সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যখন উভয় পক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় তখন বিচারক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। তখন বিচারক তার মনের এই কথাটি উন্মুক্ত আদালতে মামলার উভয় পক্ষের আইনজীবীদের জানাবেন।

এরপর উপযুক্ত শাস্তি নির্ধারণের জন্য আসামির শাস্তির বিষয়ে পৃথক শুনানির জন্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যে একটি তারিখ ধার্য করবেন। সেই ধার্য তারিখের শুনানিতে আসামির সামাজিক অবস্থান, অপরাধের রেকর্ড, বয়স ও আর্থিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনা নিয়ে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি ঘোষণার কথা বলা হয়েছে।

‘রাষ্ট্র বনাম মো. লাভলু' মামলায় বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের এই নির্দেশনা সার্কুলার আকারে জারি করে অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবহিত করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

শনিবার (২০ মে) রায়ের এই নির্দেশনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাষ্ট্রের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ফৌজদারি মামলায় আসামির শাস্তি নির্ধারণে আলাদা শুনানি করতে হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছে তা নিম্ন আদালতের জন্য এখন বাধ্যতামূলক হবে। যদিও এ ধরনের পৃথক শুনানির ব্যবস্থা প্রচলিত আইনে নেই। এ কারণে এই রায়ের নির্দেশনা প্রতিপালন করা আইনগতভাবে কতটুকু সম্ভব সেটা নির্ধারণে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাব। কারণ ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় এ বিষয়টি আপিল বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত হওয়া উচিত।

সাবেক বিচারপতি ও ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, অপরাধের গভীরতার মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে সাজার মেয়াদ নির্ধারণ করা উচিত। সেই দিক থেকে এ রায় যুগান্তকারী।

দুই বছর আগে ‘আতাউর মৃধা বনাম রাষ্ট্র মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বলেছিল, বাংলাদেশের বিচারকদের জন্য শাস্তি প্রদানের কোনো গাইডলাইন নাই। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এই শাস্তি প্রদানের নীতিমালা আছে। তাই শাস্তি প্রদানের জন্য বাংলাদেশে আইনসিদ্ধ নির্দেশিকা প্রয়োজন। অপরাধের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে এই নির্দেশিকা প্রণয়ন জরুরি।

প্রসঙ্গত ধর্ষণ, খুন, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন বিচারক। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে নতুন একটি দিক যুক্তের নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। যেখানে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য না করে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী আসামির শাস্তি কী হবে সেটা নির্ধারণে পৃথক শুনানির জন্য ব্যবস্থা রাখা। সেই শুনানিতে অপরাধীর বয়স, চরিত্র, ব্যক্তি বা সমাজের প্রতি সংঘটিত অপরাধের প্রভাব, অপরাধী অভ্যাসগত, সাধারণ নাকি পেশাদার, অপরাধীর ওপর শাস্তির প্রভাব, বিচার বিলম্ব এবং দীর্ঘস্থায়ী বিচার চলায় কারাগারে আটক থাকায় অপরাধীর মানসিক যন্ত্রণার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। যাতে একজন অপরাধী নিজেকে সংশোধন ও সংস্কারের সুযোগ পান। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে শাস্তির বিষয়ে রায় দেবেন বিচারক।

এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, শাস্তি নির্ধারণের জন্য পৃথক শুনানির যে নির্দেশনা রায়ে বলা হয়েছে সেটা ভালো উদ্যোগ। তবে এর জন্য একটা নীতিমালা করতে হবে সরকারকে। কারণ নানা ধরনের অপরাধ রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয় আমলে নিতে হবে বিচারকদের, যা নীতিমালায় থাকতে হবে।

কেএম/এএস

দুই দিন বাড়ল বইমেলার সময়

ছবি: সংগৃহীত

অমর একুশে বইমেলা-২০২৪ এর সময় আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ২ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত।

মঙ্গলবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদের বরাতে মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গনি বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মেলা দুই দিন বৃদ্ধির কথা সংস্কৃতি সচিব জানিয়েছেন। কালকে চিঠি পাঠাবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলার সময়সীমা দুদিন বাড়ানোর আবেদনে অনুমোদন দিয়েছেন। তাই বইমেলা চলবে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুল হুদা রাত ৯টায় বইমেলায় ঘোষণা কেন্দ্র থেকেও বইমেলার মেয়াদ বাড়ানো ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতিক্রমে বই মেলা দুই দিন বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার সময় দুদিন বাড়ানোর জন্য বাংলা একাডেমিকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতি।

অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির কারণে নিষেধাজ্ঞার মুখে রোনালদো

ছবি: সংগৃহীত

রিয়াদ ডার্বিতে অনুষ্ঠিত সৌদি প্রো লিগে আল শাবাবকে ৩-২ গোলে হারায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আল নাসর। এই ম্যাচে গোলের দেখা পান রোনালদো। ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারে ৭৫০ তম গোলের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি। তবে মাইলফলকের ম্যাচে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে খবরের শিরোনাম হন রোনালদো। অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করায় নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় পড়েছেন পাঁচবারে ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার।

সৌদি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল অনলাইন জানিয়েছে, দৃষ্টিকটু আচরণের জন্য দুই ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জরিমানাও দিতে হতে পারে রোনালদোকে।

রোববার রাতে আল শাবাবের বিপক্ষে ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় পায় আল নাসর। ম্যাচের ২১ মিনিটে স্পটকিক থেকে ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারে ৭৫০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন রোনালদো। ম্যাচ শেষে আল শাবাবের সমর্থকরা 'মেসি, মেসি' বলে স্লোগান দিতে থাকেন। আর এতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন সিআরসেভেন।

এই সময় কানের পেছনে হাত নিয়ে সেই স্লোগান শুনছেন এমন ভঙ্গি করেন রোনালদো। এরপর আল শাবাব সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেই জয় উদযাপন করেন তিনি। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন রোনালদো।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি আল হিলালের বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলে হারের পর বাজে অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন রোনালদো। ম্যাচ শেষে টানেলে ফেরার পর 'মেসি, মেসি' স্লোগান দিয়ে রোনালদোর দিকে স্কার্ফ ছুঁড়ে দেন আল হিলাল সমর্থকরা। সেই স্কার্ফ তুলে নিজের শর্টসের মধ্যে ঢুকিয়ে তা ফেলে দেন এই পর্তুগিজ সুপারস্টার।

সৌদি আরবে একদিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার ‘সন্ত্রাসবাদের’ অভিযোগে সৌদি আরবে একদিনে সাতজনের শিরশ্ছেদের মাধ্যমে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

২০২২ সালে একবার দেশটিতে একদিনে ৮১ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল। ওইদিনের পর আজই আবার একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

সৌদির রাষ্ট্রয়ত্ত বার্তাসংস্থা সৌদি প্রেসি এজেন্সি দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানিয়েছে, এই সাতজন “সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি ও অর্থায়নের” অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন।

বিশ্বে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিক দিয়ে শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব। এ বছর এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২৯ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালে সৌদিতে ১৭০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরা করা হয়েছিল।

দুই বছর আগে একদিনে ৮১ জনের শিরশ্ছেদ করার পর বিশ্বজুড়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিল সৌদি আরব।

আজ যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরা করা হয়েছে তাদের জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে তাদের নামের বিষয়টি ইঙ্গিত করছে তারা সবাই সৌদির নাগরিক ছিলেন।

সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে আরও বলা হয়েছে, এই সাতজন “সন্ত্রাসবাদের পথ বেঁছে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন যেটির মাধ্যমে রক্ত ঝরানোর আহ্বান জানানো হয়, তারা সন্ত্রাসী সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং অর্থায়ন করেছিলেন এবং সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।”

তবে তারা কোন দল তৈরি করেছিলেন বা কি ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন সে ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো কিছু জানায়নি সৌদি প্রেস এজেন্সি।

সৌদির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো, আইন ও কোরআনভিত্তিক শরীয়াহ শাসন অক্ষুন্ন রাখতে মৃত্যুদণ্ড অপরিহার্য।

সর্বশেষ সংবাদ

দুই দিন বাড়ল বইমেলার সময়
অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির কারণে নিষেধাজ্ঞার মুখে রোনালদো
সৌদি আরবে একদিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ
আইসিইউতে তরুণীকে ধর্ষণ
বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ-মিছিল নিষিদ্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের
শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ইসলাম-নৈতিকতাকে সরিয়ে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করা হচ্ছে : ড. মাসুদ
মালয়েশিয়ায় গাড়িচাপায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
ধান খেতের পোকা দমনে পার্চিং উৎসব
এবার ঘুষের মামলায় নতুন করে অভিযুক্ত কারাবন্দি ইমরান খান
২৮ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
দেশে খাদ্যশস্য মজুদ আছে ১৬ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন : খাদ্যমন্ত্রী
বেঁচে আছেন ‘পঞ্চায়েত ২’ খ্যাত অভিনেত্রী আঁচল তিওয়ারি
সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে হবে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স: আপিল বিভাগ
দেশের উন্নয়নকে আরও কাছ থেকে দেখবেন বিদেশি কূটনীতিকরা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিয়ে করে হানিমুনে জায়েদ খান !
কারও অবহেলায় এখন কিছু যায় আসে না পরীমণির
ওষুধ ও হার্টের রিংয়ের দাম কমাতেই হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ প্রধানমন্ত্রীর ১৫ নির্দেশনা
যে কারণে ধূমপান ছেড়েছেন শহিদ কাপুর
বাড়ছে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম, রমজানের আগেই কার্যকর