বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

অগ্নিঝরা একাত্তরের দিনগুলি

১৯৭১ সাল। মাসটা ছিল মার্চ। তখন অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র। সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন সময় যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে। মানুষের মনে আতংক । পাকিস্তান সৈন্য এনে মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। কাজ কর্ম থেকে মানুষ বিরত থেকে নিরাপত্তার জন্য বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে।

কি যেন এক জরুরী কাজে আমি সেদিন গিয়েছিলাম আলমডাঙ্গাতে। কাজ হয়নি। ষ্টেশনে ফিরে আসি। ষ্টেশন ফাঁকা। কি যেন এক আতংক বিরাজ করছে। দোকান পাট সব ব্ন্ধ। ট্রেন এসে থামলো আলমডাঙ্গা ষ্টেশনে। বেলা ১১/১২ টার সময়। তারিখটা ছিল সম্ভবত ৮ই মার্চ। ট্রেন যখন চুয়াডাঙ্গা ষ্টেশনে এসে থামে তখন মানুষের মধ্যে ছুটাছুটি করার যেন প্রতিযোগিতা বেড়ে যায়। কি ব্যাপার জিজ্ঞাসা করতেই একজন বলে বাঁচতে যদি চাও পালাও। বড় বাজারে পাকিস্তানের সৈন্য এসে গেছে। যাকে পাচ্ছে তাকে গুলি করছে।

মনটা খারাপ হয়ে যায়। কি করে বাড়ি যাবো। অন্য দশ জনের মত আমিও ছুটতে থাকি। ছুটে ছুটে ক্লান্ত হয়ে যায়। এ গলি ও গলি দিয়ে হাটতে হাটতে এক সময় বাড়িতে পৌছে যায়। বাড়ির সকলে আমার জন্য পথ চেয়ে আছে। সৈন্য আসেনি। দেশে আগুন ধরেছে । ব্ঙ্গবন্ধুুর ভাষণ প্রচারিত হচ্ছে। মানুষ রেডিও ঘিরে ভাষণ শুনছে। -----------আর যদি একটা গুলি চলে আমার মানুষকে হ্ত্যা করা হয়। "

ভাষণ শেষ হতেই সবাই যেন ঘাম মুছতে থাকে। তাহলে দেশে কিছু একটা হচ্ছে। পাকিস্তানের নির্যাতন ও শোষণের হাত থেকে এবার বাঙালিরা মুক্তি পাবে। ২৩ বছরের আন্দোলন ও লড়াইয়ের ফসল এবার অর্জিত হবে। ঘরে ঘরে বীর বাঙালিরা জেগেছে। তখন আমি লেখালেখি না করলেও মনের আবেগে একটি গণমুখী ছড়া লিখেছিলাম "বাঙালিরা জাগলো এবার
শকুনেরা বুঝবে,
দিশেহারা হয়ে ওরা
পালাবার পথ খুঁজবে। "

এরপর যা হবার তা তো হল। নির্বিচারে ও বিনা উস্কাানিতে পাকিস্তানের জঙ্গী বাহিনীরা ২৭মার্চ কালো রাতে রাজার বাগ ঘুমন্ত পুলিশের উপর গুলিবর্ষণ করে। বহু পুলিশ সেদিন শহিদ ও আহত হয়। বাঙালিরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল তারা আর চুপ থাকতে পারে না। তারা মুক্তিযোদ্ধায় নাম লেখায় এবং প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে আশ্রয় নেয়।
তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা মহকুমার আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২রা এপ্রিল চুয়াডাঙ্গাকে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়। মতিবাবুর পরিত্যাক্ত ভবনে সচিবালয় গঠন করা হয়। সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যাদী পরিচালনার জন্য দক্ষিন পশ্চিম রনাঙ্গনের মনোগ্রামযুক্ত সিল প্রয়োজন হলে বাবু এন এন সাহা প্রনয়ন করেন। পরবর্তীতে সামান্য পরি- বর্তন করে বাবু এন এন সাহা রা্ষ্ট্রীয় মনোগ্রামও প্রনয়ন করেন। যা আজও রাষ্ট্রীয় কার্য্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

৩ রা এপ্রিল দুপুরে পাকিস্তানি বিমান চুয়াডা্ঙ্গার উপর অবিরাম বোমা বর্ষণ করে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিসেনারা অস্ত্র ধরে। শুরু হয় যুদ্ধ । সাধারণ মানুষ প্রানের ভয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হয়। যুদ্ধের এ সময়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়, আহত হয় এবং মা বোনেরা সম্ভ্রমহানি হয়।

শুধু কি তাই ঘর বাড়ি অফিস আদালত দোকান পাট সব আগুন দিয়ে জালিয়ে ধবংস করে পাক বাহিনীরা । ঐ সময় ভারতে অবস্থান কালে আমরা অমানষিক কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করি। তবু দেশের প্রতি ভালবাসা তিল মাত্র কম ছিল না। মা চরম অসুখে পরে। অপর দিকে বাবা দেশে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পরে। অবশেষে দেশে ফিরে আসি। এসে যা দেখলাম তা বিভৎস দৃশ্য। মা বাবা কাঁন্নায় ভেঙে পরে। বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল লুঠ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কিছুই পাইনি। যারা দেখেছে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছে। একাত্তরের সেই দুর্বিসহ দিনগুলো আজও ভুলিনি। প্রতিটি মুহুর্ত্ত কুরে কুরে খায় আমাদের বিদগ্ধ হৃদয়টাকে। দুঃখটাকে বুঝাবার কোন হৃদয়বান ব্যক্তিকে পাইনি।
স্বাধীনতা কিংবা বিজয় দিবস
যখনই দেশে আসে,
সেদিনের সেই যন্ত্রণাটা
চোখের পাতায় ভাসে।

সেই থেকে আজও দুখটাকে বহন করে বেড়াচ্ছি। বুকের ভেতরে আজও ভয়াবহ ভাবে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে। মা
বাবা কেহ আজ বেঁচে নেই। না ফেরার দেশে চলে গেছে। সেখান থেকে হয়তো বাবা মা আশির্বাদ করছে। সমস্ত দুঃখ কষ্টকে ভুলে আসুন সবাই কন্ঠ মিলায়-
আসুন সবাই এদেশটাকে
আমরা গড়ে তুলি,
হিংসা বিদ্বেষ হানাহানি
সব কিছু আজ ভুলি।

 

ডিএসএস/ 

Header Ad

কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ

কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়েছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কারের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। সারাদেশে এখনও এই আন্দোলন চলমান। চলছে দফায় দফায় সংঘর্ষ। এরই মধ্যে চলমান এই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন ৬ জন। আহত হয়েছেন কয়েক শ’। এমন পরিস্থিতিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

যেখানে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে ঝামেলা বাঁধে বিজ্ঞপ্তির প্যাড নিয়ে। কারণ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন নিপুণ।

বিজ্ঞপ্তিতে নিপুণ বলেছেন, বাঙালির সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় ১৯৭১ এবং আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সর্বস্ব বাজি রেখে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন সার্বভৌম এই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের এই ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। কিন্তু বাঙালি তার শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোটা সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলন নিয়ে আমাদের কিংবা রাষ্ট্র কারও কোনো বিভেদ নেই। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর যেকোনো যৌক্তিক রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। কিন্তু এই কোটা আন্দোলনকে ইস্যু করে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করছেন এবং রাজাকারদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মনে রাখতে হবে… তুমি কে?, আমি কে?, বাঙালি, বাঙালি… এই শ্লোগান বাঙালি জাতির সবচেয়ে গর্বের শ্লোগান। জয় বাংলা।

মূলত তিন কারণে সমালোচনা হচ্ছেন নিপুণ। প্রথমত, নিপুণ তার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করে। যেখানে নিজেকে ‘সাবেক’ সাধারণ সম্পাদক বলেছেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কোনও পদবিতে নেই। তাহলে তিনি কীভাবে সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহারের এখতিয়ার রাখেন—অনেকেই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দ্বিতীয়ত, এটি হুবহু কপি করা হয়েছে টেলিভিশনের অভিনয়শিল্পী সংঘের বিবৃতি। সহিংসতাকে এড়িয়ে দেওয়া সে বিবৃতি নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা হয়েছে। তৃতীয়ত, নিপুণের বিবৃতিতেও একইভাবে সহিংসতা ও নিহত হওয়ার মতো ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

এদিকে নেটিজেনরা নানা ধরনের বিরূপ মন্তব্য করে যাচ্ছেন নিপুণের পোস্টের কমেন্ট বক্সে। যদিও এসব মন্তব্যে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি অভিনেত্রীর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। একইসঙ্গে আজ বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজ বুধবার সকালে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পর করণীয় কী হবে, তা ঠিক করতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পরে আজ সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার।

উল্লেখ্য, গত কদিন ধরেই ঢাকাসহ সারা দেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছে। সোমবার সংঘর্ষ হলেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। এদিকে, মঙ্গলবার দিনভর সহিংসতার পর দেশের সব সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একই সঙ্গে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ত্যাগেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা দিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দেয় ইউজিসি।

এরই মধ্যে, রাজশাহী বিশ্বিবদ্যালয়, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কোটা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ

কোটা আন্দোলনে নিহত বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বোরোবি) অন্যতম সমন্বয়ক ও ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের (২৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার সকাল ৯টায় রংপুরে পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত ২টার দিকে আবু সাঈদের মরদেহ তার গ্রামে এসে পৌঁছে। এ সময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। শোক আর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ।

জানা গেছে, আবু সাঈদ খালাশপীর দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। রংপুর সরকারি কলেজ থেকে একই ফলাফল নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন তিনি। তার এক ভাই উচ্চমাধ্যমিক পাস করলেও অন্যরা পড়েছেন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যন্ত। পুরো পরিবারের তাই স্বপ্ন ছিল ৯ ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট সাঈদকে ঘিরে। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। তাকে হারিয়ে এখন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে পরিবারটির।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের লালবাগ এলাকা থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যায়। এরপর ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সংঘর্ষে নিহত হন আবু সাঈদ।

সর্বশেষ সংবাদ

কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কোটা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ
এবার ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামের কক্ষ ভাঙচুর
তিস্তায় ভেসে এলো ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর লাশ
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের রুমে ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
কোটা আন্দোলন: হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু
গভীর রাতে বোরখা পরে পালিয়েছেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
ইউজিসি কি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে পারে, প্রশ্ন ঢাবি অধ্যাপকের
রক্তপাত বন্ধের আহ্বান হৃদয়-শরিফুলের
স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের ২ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করবে আন্দোলনকারীরা
পবিত্র আশুরা আজ
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণ গ্রেফতার
পদত্যাগ করলেন ইংল্যান্ডের কোচ সাউথগেট
শিক্ষার্থী নিহতের পর বেরোবির ভিসির বাসভবনে ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
নওগাঁয় আবারও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
ঢাবিতে ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগের হিড়িক