খেলা

আবারও লজ্জাজনক পরাজয় পাকিস্তানের, এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত


স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১৮ এএম

আবারও লজ্জাজনক পরাজয় পাকিস্তানের, এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত
ছবি: সংগৃহীত

এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তান আবারও লজ্জাজনক পরাজয়ের মুখ দেখল। ম্যাচের শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল মাত্র ১০ রান। হাতে ছিল ছয় বল। কিন্তু পাকিস্তানের অভিজ্ঞ পেসার হারিস রউফের সামনে ভারতীয় ব্যাটাররা ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। শেষ পর্যন্ত দুই বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় সূর্যকুমার যাদবের দল।

ফাইনাল ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল পাকিস্তান। ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ৩৮ বলে ৫৭ রান এবং ফখর জামান ৩৫ বলে ৪৬ রান করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ৯.৪ ওভারেই পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৪ রান। কিন্তু এর পর ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ব্যাটিং লাইন ভেঙে পড়ে। মাত্র ১৯.১ ওভার খেলেই ১৪৬ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। সাঈম আইয়ুব (১৪), মোহাম্মদ হারিস (০), হুসেইন তালাত (১) সহ মিডল অর্ডার ব্যাটাররা পুরোপুরি ব্যর্থ হন। মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে একেবারে ভেঙে পড়ে বাবরবিহীন পাকিস্তান দল।

১৪৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও ভারত শুরুতে ধাক্কা খায়। অভিষেক শর্মা ৭ রান করে ফেরেন সাজঘরে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও ২ রান করে আউট হলে ১০ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় ভারত। এরপর শুভমান গিলও ফিরলেন দলীয় ২০ রানে। এক সময় ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০ রানে ৩ উইকেট।

তবে এ সময় ব্যাট হাতে দায়িত্ব নেন তরুণ তিলক ভার্মা। অসাধারণ ব্যাটিং করে ৬৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সঞ্জু স্যামসন ও শিবম দুবে। দু’জনই ছোটো কিন্তু কার্যকরী ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ পর্যন্ত ভারত ১৯.৪ ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান তোলে এবং ৫ উইকেটের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

পাকিস্তানের ব্যাটিং ভরসা দিতে পারেনি, বোলিংয়েও নেই কোনো দৃঢ়তা। বিশেষ করে অভিজ্ঞ বোলার হারিস রউফ শেষ ওভারে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। অন্যদিকে ভারতের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসী দাপটই ফাইনাল জয়ের মূল কারণ।

ফাইনালের এই জয়ে পাকিস্তানকে আবারও নাস্তানাবুদ করে এশিয়া কাপের শিরোপা ঘরে তুলল ভারত। ব্যাটিং ও বোলিং – দুই বিভাগেই পাকিস্তানকে ছাপিয়ে যায় তারা। শুরুতে ধাক্কা খেলেও তিলক ভার্মার দায়িত্বশীল ইনিংস এবং দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত নিশ্চিত করে এশিয়া কাপের আরেকটি শিরোপা।