রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাজারে আসছে স্যামসাং এর নতুন দুই ফাইভ জি স্মার্টফোন

গেল ১৭ মার্চ স্যামসাং লঞ্চ করেছে গ্যালাক্সি এ সিরিজের দুটো নতুন ফাইভ জি স্মার্টফোন। এ ফিফটি থ্রি ও এ থারটি থ্রি। স্যামসাং জানিয়েছে আসছে এপ্রিলেই আন্তর্জাতিক বাজারে ফোনদুটো কিনতে পাওয়া যাবে।

স্যামসাং দাবি করেছে ফোন দুটো তাদের সম্পূর্ণ নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সমন্বয় করে তৈরিকৃত যা ব্যবহারকারীকে 'সাধ্যের মধ্যে সব' প্যাকেজের অভিজ্ঞতা দিবে। দুটো ফোনেই স্যামসাং তাদের নতুন চিপসেট ব্যবহার করেছে যার সাথে থাকছে তাদের নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্যামেরা। পাশাপাশি দুটো ফোনেই থাকছে হাই রিফ্রেশ রেটের সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি।

গেল বছরে স্যামসাং বাজারে ছাড়ে গ্যালাক্সি এ সিরিজের পাঁচটি ফোন যথাক্রমে এ থারটি টু, এ ফিফটি টু, এ থারটি টু ফাইভ জি, এ ফিফটি টু ফাইভ জি ও এ ফিফটি টু এস ফাইভ জি। পাঁচটি ফোনই বাজারে স্যামসাং এর বেশ ব্যবসা সফল স্মার্টফোন ছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশের বাজারে এ থারটি টু, এ ফিফটি টু ও এ ফিফটি টু এস ফাইভ জি এই তিনটি ফোনই পাওয়া যাচ্ছে। ২৬ হাজার থেকে ৪৬ হাজার টাকার মধ্যে তিনটি ফোনই দেশের বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

স্যামসাং এ থারটি থ্রিএ ফিফটি থ্রি দুটো স্মার্টফোনে একই প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। তবে স্যামসাং জানায়নি তারা কি তাদের নিজস্ব এক্সোনাস চিপসেট ব্যবহার করেছে নাকি মিডিয়াটে বা স্ন্যাপড্রাগন। তবে তারা বলেছে প্রসেসরটি নতুন সংস্করণ। আট কোরের এই প্রসেসরটি ২.৪ গিগাহার্জ পর্যন্ত স্পিড আপ করতে সক্ষম। সহায়ক হিসাবে থাকছে ৬ ও ৮ জিবি র‍্যাম। গ্রাফিক্স কার্ডের কথাও উল্লেখ করেনি স্যামসাং কিন্তু হাই রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে ব্যবহার করায় ধারনা করা যাচ্ছে মালি বা অ্যাড্রিনো যে গ্রাফিক্স কার্ডই ব্যবহার করা হোক না কেন ভালো পারফরম্যান্সের জিপিউ-ই ব্যবহার করা হয়েছে। আরও থাকছে ১২৮ ও ২৫৬ গিগাবাইট স্টোরেজের সুবিধা। দুটো ফোনই চলবে অ্যান্ড্রোয়েড টুয়েলভ অপারেটিং সিস্টেমে আর ইউজার ইন্টারফেস বা ইউআই থাকছে স্যামসাংয়ের নিজস্ব ওয়ান ইউআই ৪.১। ফোন দুটো পাওয়া যাবে ৬/১২৮; ৮/১২৮ ও ৮/২৫৬ তিনটি ভ্যারিয়েন্টে। দুটো ফোনেই আলাদা ১ টেরাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকছে।

এ থারটি থ্রি-তে ডিসপ্লে হিসাবে দেওয়া হয়েছে ৬.৪ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড ইনফিনিটি ইউ মনিটর যা ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেটে অপারেট করা যাবে। ডিসপ্লের রেজুলেশন ১০৮০বাই২৪০০ (ফুল এইচডি)। ডিসপ্লের সুরক্ষায় স্ক্রিন হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ফাইভ।

এ ফিফটি থ্রি স্মার্টফোনটিতে ডিসপ্লে হিসাবে দেওয়া হয়েছে ৬.৫ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড ইনফিনিটি ও মনিটর যা ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটে অপারেট করা যাবে। এই ডিসপ্লের রেজুলেশনও ১০৮০বাই২৪০০ (ফুল এইচডি) এবং এতেও ডিসপ্লের সুরক্ষায় থাকছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ফাইভ।

এ থারটি থ্রি-তে পিছনের ক্যামেরা প্যানেলে ৩টি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। প্রাইমারি ক্যামেরা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ১.৮ অ্যাপারচারের ৪৮ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ২৬ মিলিমিটার ওয়াইড। সেকেন্ডারি ক্যামেরা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ২.২ অ্যাপারচারের ৮ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ১২৩ ডিগ্রি আল্ট্রাওয়াইড। তৃতীয় ক্যামেরা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ২.৪ অ্যাপারচারের ৫ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ম্যাক্রো এবং সাথে থাকছে ২.৪ অ্যাপারচারের ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর। আর বরাবরের মতো অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন তো থাকছেই। ভিডিও ধারণ করা যাবে ফোর-কে ফরম্যাটে। সেলফি ক্যামেরা হিসাবে থাকছে ২.২ অ্যাপারচারের ১৩ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর।

এদিকে এ ফিফটি থ্রি-তে পিছনের ক্যামেরা প্যানেলেও ৩টি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। প্রাইমারি ক্যামেরা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ১.৮ অ্যাপারচারের ৬৪ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ২৬ মিলিমিটার ওয়াইড। সেকেন্ডারি ক্যামেরা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ২.২ অ্যাপারচারের ১২ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ১২৩ ডিগ্রি আল্ট্রাওয়াইড। তৃতীয় ক্যামেরা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ২.৪ অ্যাপারচারের ৫ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ম্যাক্রো এবং সাথে থাকছে ২.৪ অ্যাপারচারের ৫ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর। এতেও অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন থাকছে। ভিডিও ধারণ করা যাবে ফোর-কে ফরম্যাটে। সেলফি ক্যামেরা হিসাবে থাকছে ২.২ অ্যাপারচারের ৩২ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর যার লেন্স ২৬ মিলিমিটার ওয়াইড।

দুটো ফোনেই সাউন্ড সিস্টেম হিসাবে থাকছে স্টেরিও স্পিকার। তবে এ থারটি থ্রি-তে ৩.৫ মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক থাকলেও এ ফিফটি থ্রি-তে থাকছেনা। দুটো ফোনেরই ফ্রেম ও ব্যাকশেল পাস্টিকের। এ থারটি থ্রি এর ওজন ১৮৬ গ্রাম এবং এ ফিফটি থ্রি এর ওজন ১৮৯ গ্রাম।

দুটো ফোনই সচল রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলি ব্যাটারি যা ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্টেড। দুটো ফোনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাশের পাওয়ার বাটনে ইনভার্ট করা। চারটি কালারে ফোন দুটো পাওয়া যাবে সাদা, কালো, পীচ ও আকাশী।

এ থারটি থ্রি-এর মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে ৪০০ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। আর এ ফিফটি থ্রি-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৯ হাজার টাকা।

স্যামসাং জানিয়েছে আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ ফিফটি থ্রি এবং ২২ এপ্রিল থেকে এ থারটি থ্রি আন্তর্জাতিক বাজারে পাওয়া যাবে। তবে এই ফোনটি বাংলাদেশে কবে আসবে তা এখনো জানা যায়নি।

/এএস

মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম। ছবি: সংগৃহীত

৩১ দিন পর সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ মুক্তি পেয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টা ৮ মিনিটের দিকে জাহাজ থেকে নেমে যায় দস্যুরা। এরপর জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এদিকে উদ্ধারের পরপরই জাহাজ মুক্ত করতে দস্যুদের কত টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে এবং কীভাবে এসব টাকা দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ওঠে। এ বিষয়ে রোববার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কেএসআরএমের কর্পোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয় মালিকপক্ষকে।

এ বিষয়ে কেএসআরমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম বলেন, আমি উদ্ধার প্রক্রিয়া হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে মনোনীত প্রতিনিধি। আমাদের সঙ্গে ওদের কনফারেন্সিয়াল অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে মুক্তিপণের বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। সেই অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী আমি আপনাদের সঙ্গে কিছু শেয়ার করতে পারব না। কারণ এটা আমি সই করেছি। উদ্ধার প্রক্রিয়ায় আমরা আমেরিকান নিয়ম মেনেছি এবং ইউকে (যুক্তরাজ্য) ও সোমালিয়ার নিয়ম মেনেছি। ফাইনালি কেনিয়ার নিয়মও মেনেছি। সবার সঙ্গে আমাদের অ্যাগ্রিমেন্ট করা আছে এ বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। তবে আমি আবার বলি, আমরা সবকিছু আইন মেনে করেছি।

তবে এ বিষয়ে জানা গেছে, জলদস্যুদের দাবি অনুয়ায়ী মুক্তিপণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেলে জিম্মি জাহাজের ওপর চক্কর দেয়। এসময় জাহাজের ওপরে ২৩ নাবিক অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর উড়োজাহাজ থেকে ডলারভর্তি ৩টি ব্যাগ সাগরে ফেলা হয়। স্পিডবোট দিয়ে এসব ব্যাগ জলদস্যুরা কুড়িয়ে নেয়। জাহাজে ওঠে দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ গুনে নেয় জলদস্যুরা। তবে চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি যথাসময়ে ছেড়ে দেয়নি দস্যুরা। পরে তারা আশেপাশে কেউ আটক করছে কি না সেটি নিশ্চিত হয়ে জাহাজটি থেকে দস্যুরা নেমে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে কেএসআরএম গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহরিয়ার জাহান রাহাত বলেন, আমাদের কাছে নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই, কোনো সামারিক অভিযানে পক্ষে আমরা সম্মতি দেইনি। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ কর্তৃক এমভি আবদুল্লাহকে উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনাকেও নিরুৎসাহিত করা হয়। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর পিছু নেওয়ার খবর জানার পর আমরা দ্রুত সরকারকে অবহিত করি। চট্টগ্রামের একাধিক মন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর পর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ এমভি আবদুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায় কেএসআরএম গ্রুপ।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা

মঙ্গল শোভাযাত্রা। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলে দিনব্যাপি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যান থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। পরে শোভাযাত্রাটি টাঙ্গাইল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ করে একাডেমি হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন- জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মো. এরশাদ হাসান। পরে দেশত্ববোধক গান, নৃত্য, লাঠিখেলা ইত্যাদি আয়োজনে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়। কর্মসূচিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী সহ নানা বয়সী নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

অন্যদিকে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে বাংলা নববর্ষ বরণকে কেন্দ্র করে পান্তা-ইলিশ উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রেসক্লাব সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)।

ইরানের হামলার পর বাইডেন-নেতানিয়াহু ফোনালাপ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু টার্গেট করে গতকাল শনিবার কয়েক ডজন ড্রোন হামলা করে ইরান। ড্রোন হামলাচলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে আলাপ করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রোববার (১৪ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ হয়েছে। ইরান হামলা চালানোর পর দুই নেতার মধ্যে এটাই প্রথম ফোনালাপ বলে নিশ্চিত করেছেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ইরানের দিক থেকে আসা সব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, তিনি গত সপ্তাহে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থাকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। জো বাইডেন বলেছেন, মোতায়েনকৃত ব্যবস্থা ও আমাদের দক্ষ সেনা সদস্যদের ধন্যবাদ, আমরা ধেঁয়ে আসা প্রায় সব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছি।

এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে কয়েক ডজন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তারা। ‘ট্রু প্রোমিজ’ নামে অভিযানের আওতায় এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলের অপরাধের শাস্তি দিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও ইরানের এই বাহিনী উল্লেখ করেছে।

১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যা করে ইসরায়েল। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ৭ জন সদস্য রয়েছেন। তাদের মধ্যে আইআরজিসির বিদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইউনিট কুদস ফোর্সের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা জাহেদিও রয়েছেন। তিনি সিরিয়া ও লেবাননে কুদস ফোর্সের কার্যক্রম পরিচালনার নেতৃত্বে ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের বদলা নিতে ইসরায়েলে হামলা চালানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল ইরান।

সর্বশেষ সংবাদ

মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা
ইরানের হামলার পর বাইডেন-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু
বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি: কেএনএফের আরও ৪ সদস্য কারাগারে
সালমান খানের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের গুলি
নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঙালির বর্ষবরণ
আজ রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
বিএনপি বাঙালির সংস্কৃতি সহ্য করতে পারে না: ওবায়দুল কাদের
৩১ দিন পর মুক্ত ২৩ নাবিক ও জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ
আজ পহেলা বৈশাখ, চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
চাঁদপুরে যুবকের পায়ুপথে ৬ ইঞ্চি ডাব, অস্ত্রোপচারে অপসারণ
ঈদের আনন্দে যমুনার পাড়ে বিনোদন প্রেমীদের ঢল
চালের বস্তায় লিখতে হবে ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য
আজ চৈত্র সংক্রান্তি
তাপপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
নড়াইলে বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেললেন মাশরাফি