শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

নদী ভাঙন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণ জরুরি

নদী ভাঙন খুবই স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। আগের দিনে নদী থেকে অনেক দূরে ঘরবাড়ি তৈরি হতো। ছোটবেলায় দেখেছি ট্রেন অথবা বাসে করে কোথাও যাচ্ছি। সেখান থেকে অনেক দূরে গ্রাম দেখা যেত। সড়ক অথবা ট্রেন লাইনের ধারে কাছে বসতবাড়ি ছিল না। পথেরপাঁচালী ছবিতে একটি খুব মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আছে। অপু ও দুর্গা কাশবনের ভেতর দিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে। ট্রেন চলছে। আশেপাশে কোনো গ্রাম নেই। এখন থেকে ২০০ বছর আগে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলা মিলে লোকসংখ্যা ছিল ২ কোটি।

১০০ বছর আগেও ছিল ৩ থেকে সাড়ে ৩ কোটির মতো। ব্রিটিশরা যখন বিদায় হলো তখন ছিল ৪ কোটির মতো। পাকিস্তানিদের বিদায়ের সময় ছিল ৭ কোটি। বর্তমানে প্রায় ১৮ কোটি। এখন নদী নদীর জায়গায় আছে। কিন্তু মানুষ বেড়ে গিয়ে উঠেছে নদীর ধারে। বসতবাড়ি গড়ে তুলেছে। নদী মুখভার করেছে ও নদী ভেঙেছে। তাহলে আপত্তি কেন? নদীর ভাঙন ঠেকাতে চেষ্টা করা দরকার এবং সেটি করতে হবে।

আমেরিকার মিসিসিপির নদীর পাড়ে শহর আছে। শিল্পকারখানা আছে। ইউরোপে আছে। ইংল্যান্ডে আছে। ফ্রান্স ও জার্মানিতে আছে। এসব জায়গায় নদী কখনো ভাঙে না। কারণ নদী যেন না ভাঙে সেজন্য পাড়গুলি বাঁধানো আছে। কিন্তু আমাদের এখানে তথাকথিত পরিবেশবাদী বুঝে না বুঝে হই চই করে। নদী ভাঙন ঠেকাতে তাদের মাথা গরম হয়ে যায়। তারা কিন্তু আদৌ জানে না নদী কেন ভাঙে এবং তার রোধ করা সম্ভব। প্রথমত কারণ ও প্রতিকার জানতে হবে।

আমি মনে করি, সরকারকে এ বিষয়ে ভাবতে হবে। নদী রক্ষায় অধিক বিনিয়োগ করতে হবে। সরকার বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ করছে। ৫০০ কোটি টাকা বাঁধ নির্মাণে বরাদ্দ করুক। এটি তো খুব বড় অংক নয়। উপকূলে যে বেড়িবাঁধ আছে সেগুলি সংস্কার করে দিলেই হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র সরকারকে দোষারোপ করেও লাভ নেই। কারণ এসব ক্ষেত্রে বরাদ্দ যে হয় না তা কিন্তু নয়। কিন্তু সেই বরাদ্দ আসলে কোথায় যায় সেটি কারও জানা নেই।

নদীমাতৃক দেশ আমাদের। নদী হচ্ছে প্রাণ। নদী হচ্ছে মা। আজকাল দেখা যায়, বাবা মায়ের প্রতি সন্তানেরা উদাসীন। মা-বাবা সন্তানের কাছে অবহেলিত। সম্প্রতি দেশে একটি আইন হয়েছে যে, সন্তান বাবা-মা কে না দেখলে পুলিশ অথবা ম্যাজিস্ট্রেট ধরে নিয়ে যেতে পারে। ছেলের ঘরে খাবার। কিন্তু কোনো ছেলেই খেতে দেয় না মা-কে। এইকথাগুলো বলার কারণ হলো, জ্যান্ত মায়ের প্রতিই আমাদের সম্মান নেই, যত্ন নেই। যে মা অন্তত কাঁদতে পারে, অভিশাপ দিতে পারে। নদী নামক মায়ের অভিশাপ দেওয়ার ক্ষমতা নেই। কাজেই তখন ভাঙে কিংবা সে আস্তে আস্তে মরে যায়।

আমাকে যখন কেউ বলে, নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমি বলি, আপনি শুকিয়ে ফেলছেন বলেই নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। এখন নভেম্বর চলছে। এখন থেকে অথবা সামনের মাসে কিংবা জানুয়ারিতে বাংলাদেশের যেখানেই যান না কেন! দেখা যাবে নদীতে পাম্প বসিয়ে পানি তুলে ধান ক্ষেতে দেওয়া হচ্ছে এবং নদীতে ধান চাষ হচ্ছে। নদীকে চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এভাবেই নদীগুলো আস্তে আস্তে শুকিয়ে গিয়ে একসময় মরে যাচ্ছে।

লেখক: পানিসম্পদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ; ইমেরিটাস অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

এসএন

 

Header Ad

গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ, তাপপ্রবাহ ঘিরে বিশেষ ব্যবস্থা

ফাইল ছবি

দেশের ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ (২৭ এপ্রিল)। এদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা। একই দিনে বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নেওয়া হবে আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রয়িং) পরীক্ষা।

সূত্র জানায়, আগামী ৩ মে মানবিক শাখাভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখাভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা ১০ মে অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটের স্বতন্ত্র পরীক্ষা ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে।

চলমান তাপপ্রবাহে পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষায় বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে এবার। নিশ্চিত করেছেন পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, তাপপ্রবাহের মধ্যে যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে। একইসঙ্গে গুচ্ছভুক্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যেন ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষায় পরীক্ষা কেন্দ্রে পর্যাপ্ত সুপেয় পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখেন।

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস, ফলসহ অন্যান্য তথ্য https://gstadmission.ac.bd এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

তিনটি ইউনিটে ২১ হাজার আসনের বিপরীতে মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন এক লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯ শিক্ষার্থী। মানবিক শাখার ‘বি’ ইউনিটে ৯৪ হাজার ৬৩১ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৪০ হাজার ১১৬ জন আবেদন করেছেন।

গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে ১৪ বছর লাগতে পারে: জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি তাণ্ডবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ড। সেখানকার ধ্বংসস্তূপ সরাতে ১৪ বছর লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। গতকাল শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানানো হয়।

জাতিসংঘের জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা পেহর লোধাম্মার বলেন, হামাস-ইসরাইল সংঘাতের ফলে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি হয়েছে। যা ব্যাপক ঘনবসতিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে পড়ে আছে। খবর রয়টার্সের

তিনি বলেন, গাজায় পাওয়া অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব। তারপরও ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর ধ্বংসাবশেষসহ পুরো ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে ১৪ বছরের মতো সময় লাগতে পারে।

জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা জানি, সাধারণত স্থল বাহিনীর ছোড়া গোলাবারুদের অন্তত ১০ শতাংশ অবিস্ফোরিত অবস্থায় থেকে যায়। আমরা ১০০টি ট্রাক ব্যবহার করে ১৪ বছর ধরে পরিষ্কার কাজ চালানোর কথা বলছি।

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর হামাস নেতৃত্বাধীন হামলায় প্রায় ১২০০ জন নিহত এবং ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি নেওয়া হয়েছিল। তার উত্তরে ইসরাইলের পাল্টা আক্রমণ চালায়।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর ফলে ৩৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত অঞ্চলটির বিরাট অংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে এবং বহু ফিলিস্তিনি খাবারের দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছে।

টাঙ্গাইলে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, আটক ৩

ছুরিকাঘাতে নিহত মো. সাইম। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে মো. সাইম (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন কিশোরকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। এরআগে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গোসাই জোয়াইর এলাকার রানাগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাইম একই গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে ও স্থানীয় আজিম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের রানাগাছা নামক স্থানে (বাড়ির পাশে) যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় স্কুলছাত্র মো. সাইম।

পরে তার চার বন্ধুর সঙ্গে পাশের গ্রামের ওবায়দুল পাগলার বাড়িতে যান। ওবায়দুল পাগলার বাবার সাথে তাদের কোন এক বন্ধুর পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ওবায়দুল সাইমকে ছুরিকাঘাত করে। তার বন্ধুরা সাইমকে ধরাধরি করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

এ সময় সাইমের মা ছেলের কি হয়েছে জানতে চাইলে তারা জানায় মাঁচা (বাঁশ দিয়ে তৈরি বসার স্থান) থেকে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়ে অজ্ঞান হয়েছে। তার মাথায় পানি ঢালতে গিয়ে স্বজনরা দেখতে পায় মো. সাইমের বুক থেকে রক্ত বের হচ্ছে। দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মামা সোহাগ জানান, তার ভাগ্নে সাইমকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কী এমন ঘটনা ঘটেছে যে কারণে তার ভাগ্নেকে মেরে ফেলতে হল- তা তিনি জানেন না।

ঘারিন্দা ইউনিয়নের সদস্য সাদ্দাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত সাইমকে হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, বন্ধুর ডাকে সাইম সহ চার বন্ধু ওই গ্রামের ওবায়দুল পাগলার বাড়িতে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ওবায়দুল ছুরিকাঘাত করে। তখনই সাইমের মৃত্যু হয়। পরে ওবায়দুল পাগলাকে স্থানীয়রা পালিয়ে যেতে দেখেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন জনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ, তাপপ্রবাহ ঘিরে বিশেষ ব্যবস্থা
গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে ১৪ বছর লাগতে পারে: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, আটক ৩
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
টাঙ্গাইলে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
দিনাজপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু
গাইবান্ধায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে রিকশাচালক নিহত, আটক ১
ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের ভেতরে আগুন
৭৬ বছরের তাপপ্রবাহের রেকর্ড ভাঙল, জানা গেল বৃষ্টির তারিখ
ফিলিস্তিনি মৃত মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া শিশুটি আর বেঁচে নেই
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রীময়ী, দুশ্চিন্তায় কাঞ্চন মল্লিক
প্রথমবার এশিয়া কাপে আম্পায়ারিং করবেন বাংলাদেশের জেসি
বিয়ে না দেওয়ায় মাকে জবাই করলো ছেলে
রেকর্ড তাপপ্রবাহের জন্য সরকার দায়ী: রিজভী
চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪২.৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবনে অস্বস্তি
বিএনপির আরও ৭৫ নেতা বহিষ্কার
প্রেমিকার আত্মহত্যা, শোক সইতে না পেরে প্রেমিকও বেছে নিলেন সে পথ
দুই বিভাগে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
অভিষেকেই শূন্য রানে ৭ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রোহমালিয়া