বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪ | ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি-ম্যানেজিং কমিটি চালাতে নতুন বিধিমালা

ছবি: সংগৃহীত

গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন দেওয়ার এখতিয়ার শিক্ষা বোর্ডের। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও ব্যবস্থা নেওয়ার তেমন সুযোগ ছিল না এই শিক্ষা বোর্ডেরই। ফলে দুর্নীতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেমে এসেছিল সর্বনাশ।

এ বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নতুন জারি করা বিধিমালায় গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির ওপর শিক্ষা বোর্ডের কর্তৃত্ব অনেক বেশি রাখা হয়েছে। কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও স্বার্থহানির প্রমাণ মিললে কারণ দর্শানো ছাড়াই এই কমিটি ভেঙে দিতে পারবে শিক্ষা বোর্ড, যা আগের বিধিমালায় ছিল না। এছাড়া বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে বিশেষ পরিস্থিতিতে কমিটি দুই বছরের জন্য গঠন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবে।

সম্প্রতি এই বিধিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে ২০০৯ সালে জারি করা বিধিমালার আলোকে চলছিল। যদিও ঐ বিধিমালায় বেশি কিছু সংশোধনী আনা হয়েছিল। নতুন বিধিমালা জারির ফলে ২০০৯ সালের বিধিমালা অকার্যকর হয়ে যায়।

নতুন জারি করা বিধিমালা অনুযায়ী, গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির কিংবা সভাপতির বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ, গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে শিক্ষা বোর্ড বিশেষ পরিস্থিতি কমিটি গঠন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবে।

এছাড়া ভর্তি, অতিরিক্ত ভর্তি, ফরম পূরণ এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে এবং প্রতিষ্ঠানের অস্থিতিশীল পরিবেশের কারণে গুণগত শিক্ষাদানে অন্তরায় মনে হলেও বিশেষ কমিটি গঠন করতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, বিশেষ কমিটি সাধারণ কমিটির মতো দুই বছর হবে। তিনি জানান, আমি আশা করছি এই বিধিমালা বাস্তবায়নের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, ‘শিক্ষা বোর্ড, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গভর্নিং বডি, ম্যানেজিং কমিটি, নির্বাহী কমিটি, অ্যাডহক কমিটি বা বিশেষ পরিস্থিতি কমিটির যে কোনো বিষয় অনুসন্ধান করিতে কিংবা কোনো অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করিতে এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র তলব করতে পারবে।’

এই প্রবিধানমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন, সরকার বা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত কোনো নির্দেশনা অমান্যকরণ, অদক্ষতা, আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থহানি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণ প্রমাণ হলে শিক্ষা বোর্ড যে কোনো সময় গভর্নিং বডি, ম্যানেজিং কমিটি, নির্বাহী কমিটি, অ্যাডহক কমিটি বা বিশেষ পরিস্থিতি কমিটি বাতিল করতে পারবে।

এছাড়া সভাপতির বা কোনো সদস্যের কোনো কর্মকাণ্ড বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিংবা শিক্ষার্থীদের স্বার্থ পরিপন্থি হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান বা দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের আবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান বা সংশ্লিষ্ট কমিটির কোনো সদস্য শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন বিধিমালায়।

নতুন বিধিমালা আরো উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান বিধিমালায় সভাপতি হওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে এইচএসসি উত্তীর্ণ। আগে এই পদে কোনো যোগ্যতা নির্ধারিত ছিল না। এ কারণে স্কুলের গণ্ডি পেরোয়নি এমন ব্যক্তিরাও উচ্চ মাধ্যমিকের বা মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য ‘সভাপতি’ হতে পারতেন।

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাস। আর মাধ্যমিক ও কলেজ পরিচালনার জন্য সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না থাকায় বিষয় নিয়ে সমালোচনা চলছিল। এ বিষয়টি আমলে নিয়ে গভর্নিং বডি-ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এইচএসসি পাশ নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া নতুন বিধিমালায় সভাপতি হওয়ার মেয়াদ নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি একই প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পরপর দুই বারের বেশি সভাপতি, শিক্ষক প্রতিনিধি বা অভিভাবক প্রতিনিধি হতে পারবেন না। তবে এক মেয়াদ বিরতি দিয়ে পুনরায় নির্বাচন করতে পারবেন। এক জন ব্যক্তি দুটি কলেজের গভর্নিং বডি এবং দুটি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিসহ মোট চারটির বেশি পদে সভাপতি থাকতে পারবেন না।

গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধান স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শক্রমে সভাপতির জন্য তিন ব্যক্তির নাম বোর্ডে পাঠাবেন। তবে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হবে নির্বাচনের মাধ্যমে।

এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারই সব ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে। এ কারণে গভর্নিং বডির প্রভাব কমিয়ে শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা প্রশাসনের হাতে আরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

Header Ad

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় ‘ইতিবাচক’ সাড়া দিয়ে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ‘সুপ্রসস্ত পথ’ খুলে দিয়েছে; কিন্তু ফিলিস্তিনি এই স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি বা ইসরাইল একটি চুক্তি করতে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হওয়ায় অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।

বুধবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জত আল-রিশক এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিষয়ে তাদের জবাব ‘দায়িত্বপূর্ণ, ঐকান্তিক ও ইতিবাচক’ এবং তা একটি চুক্তির বিষয়ে ‘একটি প্রশস্ত পথ খুলে দিয়েছে’।

আরেক হামাস কর্মকর্তা মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেছেন, একটি যুদ্ধবিরতি অবশ্যই গাজায় শত্রুতার স্থায়ী অবসান, ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি নিশ্চিত করবে-সম্মতিপত্রে নিজেদের এ অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা। তিনি বলেছেন, আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি আমরা। বল এখন ইসরাইলের ঘরে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৩১ মে গাজা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যে রূপরেখা প্রস্তাব করেছেন মঙ্গলবার তাতে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে হামাস; কিন্তু ইসরাইল বলছে, হামাসের এই সম্মতি প্রত্যাখ্যানের সমতুল্য যখন হামাসের একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে- তারা কেবল তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেছেন, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় তা পূরণ হয়নি।

মিসর ও কাতার জানিয়েছে, তারা হামাসের আনুষ্ঠানিক সম্মতিপত্র গ্রহণ করেছে কিন্তু তাতে কী আছে তা প্রকাশ করেনি।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইসরাইল তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, কিন্তু ইসরাইল প্রকাশ্যে এ কথা জানায়নি।

ইসরাইলি এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার বলেছেন, তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হামাসের জবাব হাতে পেয়েছেন আর হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের ‘সব মূল ও সবচেয়ে অর্থপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছে’।

তিনি বলেন, হামাস প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপস্থাপন করা জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে এক অ-ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, ইসরাইলের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও রাফাসহ গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের একটি নতুন সময়সীমা প্রস্তাব করেছে হামাস।

বাইডেনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের রূপরেখা নিয়ে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব তুলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্যের ভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

এরপরই মঙ্গলবার জাতিসংঘ-সমর্থিত প্রস্তাব মেনে নেওয়ার কথা জানায় হামাস। হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি এদিন রয়টার্সকে বলেন, হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবনা মেনে নিয়েছে এবং এ প্রস্তাবের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে ইসরাইলের এ প্রস্তাব মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার ভার যুক্তরাষ্ট্রের।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার তেল আবিবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্লিঙ্কেন হামাসের মন্তব্যকে ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ বলে বর্ণনা করে তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছেন বলে জানিয়েছিলেন।

আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসের ফ্লাটে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা করা হয়। ফ্লাটটিতে আনার হত্যা চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে, এমন একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিটিতে দেখা যায় আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্যাতন করার সময় ওই ছবিটি তোলা হয়েছিল। কালো রঙের একটি চেয়ারে বস্ত্রহীনভাবে বসিয়ে কাপড় দিয়ে এমপি আনারের মাথা বেঁধে রাখা হয়েছে এবং সাদা রঙের কাপড় মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

ছবি: সংগৃহীত

ধূসর রঙের একটি গামছা দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে তার গলা বরাবর বেঁধে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও তার দুই হাত রশি দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে।

জিহাদের তথ্যেই জানা যায়, ফ্ল্যাটের বাথরুমে টুকরো টুকরো করে আনারের দেহাংশ ফ্লাশ করে দেওয়া হয়।

এ সময় আনার হত্যায় কারা কারা জড়িত ছিল, কার কী ভূমিকা ছিল, হত্যার পর কীভাবে আনারের দেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়, সবই স্বীকার করে জিহাদ।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানীর শ্রম ভবন সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার উদ্দেশ্যে বাঙালির জীবনমান উন্নয়ন, কর্মের স্থিতিশীলতা, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে সব শিল্পকারখানা রাষ্ট্রীয়করণ করেন। এছাড়া তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ নিশ্চিত করা গেলে সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতি হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এই আইনে মোট ৮টি অধ্যায়, ৩৭টি ধারা ও একটি তফসিল বিদ্যমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিক ভাই-বোনদের সামাজিক মর্যাদা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২, জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা-২০১৩ এবং গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫ প্রণয়ন করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল শিল্প সম্পর্ক এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে প্রমাণ করেছে।

এ কর্মশালায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মোল্লা জালাল উদ্দিনসহ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর, শ্রম অধিদফতর এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস
আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ
জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
আনার হত্যা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের কারাগারে ৩৬৩ জন বিদেশি নাগরিক আটক
ভারতে স্বর্ণ বলে ৩০০ রুপির নকল গয়না ৬ কোটি রুপিতে বিক্রি
পল্টনে বহুতল ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর পল্টনে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি: প্রধানমন্ত্রী
ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু
১৪ কিলোমিটার সড়কে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি, ৮ ঘণ্টাপর স্বাভাবিক
এবার মরক্কোতে কোকাকোলা-পেপসি বয়টকটের ডাক
মসজিদে মাইকিং করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক নারীর
ঢাকায় ৮ মাত্রায় ভূমিকম্প হতে পারে: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ড. ইউনূসের মন্তব্য দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক : আইনমন্ত্রী
সৌদিতে ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী
আবাসিক হোটেল থেকে সাবেক বন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি
কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ: মেয়র তাপস
কুয়েতে আবাসন ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩৯