শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

শীতজনিত রোগে ৮০ দিনে শিশুসহ ৮১ জনের মৃত্যু

রাজধানীসহ সারা দেশে শীতজনিত রোগে বিদায়ী বছরের ১৪ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ৮০ দিনে শিশুসহ ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৫ জন।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিবৃতি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯৫ জন। গত ৮০ দিনে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মোট ৫২ হাজার ৩৯৩ জন। একই সময়ে এ রোগে মারা গেছেন ৭৮ জন।

পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৭ জন। ১৪ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মোট ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৯০২ জন। একই সময়ে এ রোগে মারা গেছেন ৩ জন।

বিভাগ ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগী চট্টগ্রামে। এ বিভাগে গত ৮০ দিনে ১৮ হাজার ৭৬৫ জন রোগী এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৫১ জন মারা গেছেন।

এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ১২ হাজার ৪১৫ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। ময়মনসিংহে ৩ হাজার ৮৪৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ২৩ জন। রাজশাহীতে ২ হাজার ৫১ জন, রংপুরে ১ হাজার ৭৪০ জন, খুলনায় ৭ হাজার ৫৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ২ জন। বরিশালে ৩ হাজার ৪৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২ জন মারা গেছেন। সিলেট বিভাগে ৩ হাজার ৬৭ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ২ লাখ ২৯ হাজার ৬১০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে ১৪ নভেম্বর থেকে ১২ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে কেউ মারা যাননি। ময়মনসিংহ বিভাগে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৪১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২ হাজার ৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের, রাজশাহীতে ১৩ হাজার ৮০০ জন, রংপুরে ৯ হাজার ১০৮ জন, খুলনায় ১৭ হাজার ৫২৬ জন, বরিশালে ১০ হাজার ৮৪৯ জন ও সিলেট বিভাগে সাত হাজার ৫০২ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এএইচ/এএস

কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, তিনদিন ধরে অনলাইন মাধ্যমে একদল প্রতারক চক্র ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। বাস্তবে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

এই চক্রের মূল কাজ হলো আমাদের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যারা এ সম্পর্কে জানেন না, তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এজন্যই তারা প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, প্রতারক চক্রটি সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা করছে। আপনাদের অনেক সাংবাদিকও তাদের সাথে কথা বলেছেন। সেই চক্রটি প্রশ্নের বিনিময়ে আপনাদের কাছ থেকেও অগ্রিম টাকা চাচ্ছে। এ পর্যন্ত এই চক্রের হাতে প্রতারিত হওয়ার কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। আমরা সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সবাইকে এই প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত চক্রটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের সমন্বয়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান আমার সাথে এবং দুইজন উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, পরীক্ষা উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল টিমের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আমরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকছি যেন প্রতারক চক্রটি এবারের ভর্তি পরীক্ষাকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে না পারে।

উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। বেলা ১১টায় ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে পরীক্ষা হয়েছে। গতকাল রাত ও আজ সকালে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভর্তি কমিটির সংশ্লিষ্টদের সাথে আমার কথা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষা কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ তথা ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হয়। বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় শেষ হয়।

‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় দুই হাজার ৯৩৪টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে এক লাখ ২২ হাজার ২৭৯টি। সে হিসাবে প্রতিটি আসনের জন্য ৪২ জন শিক্ষার্থী লড়াই করছেন।

পরীক্ষায় সময় ছিল এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এর মধ্যে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট। ৪০ মার্কের লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট।

সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেছেন, ১০৫ একর জায়গা নিয়ে রাজবাড়ীতে আরেকটি রেল কারখানা করা হবে। যা সৈয়দপুর কারখানার চেয়েও বড়। এখানে সকল প্রকার মেরামত ও বগি তৈরির কারখানাও করা হবে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেনাপোল এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে রাজবাড়ী এসে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রেল হচ্ছে সবচেয়ে শস্তা পরিবহন। মালামাল পরিবহনেও রেলওয়ে বগি শস্তায় সার্ভিস দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় রেল সংযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যেই ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দরে রেল যাবে। এজন্য রেলের কোচ ও ইঞ্জিন আমদানি করা হয়েছে। আরও কিছু আমদানি করা হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রেলওয়ে ও জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী

ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক মাধ্যমে এ খবর জানান নায়িকা নিজে । এরপর থেকে চুপ থাকলেও এবার মুখ খুললেন মাহির স্বামী রকিব। তবে রকিব বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেননি। উল্টো মাহির প্রতি জানিয়েছেন ভালোবাসা।

নিজের ফেসবুকে সন্তান ও মাহির সঙ্গে নিজের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি। সেখানে লিখেছেন। তোমাতেই ডুবে থাকি। এরপরই মাহি তার ফেসবুক পেজে লেখেন, একা একা লাগে।

রকিব ও মাহির পোস্ট করা ছবি ও স্ট্যাটাস একই সূত্রে গাঁথা বলে ধারণা করছেন তাদের ভক্ত ও অনুসারীরা।

রকিব সরকারের দেওয়া ছবি ও স্ট্যাটাসের নিচে আজিজুর রহমান নামের এক অনুসারী ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে লিখেছেন, প্রিয়জনের হাত ছাড়া যাবে না। মিলে যান ভাইয়া। তবে এ নিয়ে আর কিছু বলেননি রাকিব।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় হাজির হয়ে নিজের সংসার ভাঙনের খবর জানান মাহি নিজেই। অভিনেত্রী নিশ্চিত করেন, বর্তমানে স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে থাকছেন না তিনি। আলাদা থাকছেন দুজনে। পাশাপাশি খুব শীঘ্রই বিচ্ছেদ হচ্ছে তাদের।

ভিডিওতে সংসার ভাঙার বিষয়টি জানানোর পাশাপাশি নিজ সন্তানকে নিয়ে কথা বলেন মাহি। কথা বলতে গিয়ে শেষের দিকে আবেগ সংবরণ করতে পারেননি মাহি। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার যে ছোট বাবুটা। আমার ফারিস আমার কলিজার টুকরা। ছোট বাচ্চাটাকে অনেকে অনেক কথা বলেন। ওকে নিয়ে কিছু লিখবেন না। কোনো বাচ্চাকে নিয়েই লিখবেন না। আমার আর ফারিসের জন্য দোয়া করবেন। প্রফেশন থেকে অনেক দূরে। নতুন করে কাজ শুরু করব। আমার বাচ্চাটা বড় করব। সবাই দোয়া করবেন ফারিসকে নিয়ে আমার চলার পথটা যেন মসৃণ হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

এদিকে মাহির বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়ার পর বেশ কয়েকদিন চুপ থাকলেও একটি গণমাধ্যমকে মাহির স্বামী রকিব বলেন, আমি আসলে এ সময় এসব নিয়ে কথা বলতে চাই না। একটু সময় নিই। আমিও একটা ভিডিও করে সব কিছু বলব। আমি এসব নিয়ে কোথাও কোনো মন্তব্য করিনি। আমি একটু সব কিছু অবজার্ভ (পর্যবেক্ষণ) করছি। তার ভিডিও আপনারা দেখেছেন। আপনারা সবই শুনেছেন। নতুন করে আর কিছু বলতে চাইছি না। সময় নেই। তারপর বলব।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি। এটি মাহি ও রকিবের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। এর আগেও ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান মাহি।

সর্বশেষ সংবাদ

কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য
সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী
মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী
বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি
গাজায় ক্ষুধা-অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজার হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ
পাকিস্তানে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে পিটিআই
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ইলন মাস্ক
ভোটার টানতে কন্ডমের প্যাকেটে দলীয় প্রতীক ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি
ভালোবাসার মাসে মা হলেন মিথিলা, বাবা সৃজিত
মাকে শেষ বিদায় দিতে এসে সড়কেই প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসীর
আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
'সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক'
ডিবিতে ৫০ মিনিট কি করলেন নিপুন
পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ জন কর্মকর্তা
এক তরুণীকেই ১০০ বারের বেশি ধর্ষণ !
পুতিনকে কুকুরের বাচ্চা বলায় বাইডেনকে যা বললেন ক্রেমলিন
সাকিবকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো বিসিবি
গাজায় আবাসিক বাড়িতে হামলা, নিহত কমপক্ষে ৪০ ফিলিস্তিনি
গোবিন্দগঞ্জে চাষ হচ্ছে মসলা জাতীয় ফসল জিরা