বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি

ছবি: সংগৃহীত

ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কাছ থেকে কোনো পরিবহন যদি বাড়তি ভাড়া আদায় করে, তবে সেই পরিবহনের মালিক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন মুনিবুর রহমান। ঈদুল আজহায় ট্রাফিক নির্দেশনা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মুনিবুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটি শুরুর আগে বিশেষ করে এক থেকে দুই দিন আগে সড়কে চাপ বাড়ে। তখন অধিকাংশ শ্রমিকরা ঢাকা ছাড়ে। তাদের মধ্যে সব থেকে বেশি থাকেন পোশাক শ্রমিকরা। তারও ঈদের এক থেকে দুই দিন আগে বাড়িতে যেতে চান। আর ঈদযাত্রার ট্রিপ নিয়ে যেসব গাড়ি ঢাকা ছেড়ে যায় তারা আবার সঠিক সময়ে ফিরে আসতে পারে না। আর এই সুযোগটা নেয় লোকাল বাসগুলো। শ্রমিকরা অনেকটা জোর-জবরদস্তি করে এসব লোকাল বাসে করে গ্রামে যায়।

প্রতিবছর ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়, এ বিষয়ে পুলিশের কোনো উদ্যোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিটি বাস টার্মিনালে সার্ভিলেন্স টিম আছে। সার্ভিলেন্স টিম কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে হয়। সেখানে পুলিশের প্রতিনিধি, বিআরটিএ-এর প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন। ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী তা আদায় হচ্ছে কিনা, ভাড়া দুই থেকে তিনগুণ বেশি আদায় করা হচ্ছে কিনা অথবা বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে কিনা, এগুলো দেখভালের জন্য কিন্তু সার্ভিলেন্স টিম আছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকে। অযাচিতভাবে ভাড়া আদায় করা হয় এমন কোনো অভিযোগ এলে সেখানে কিন্তু কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়। বাড়তি ভাড়া নিয়ে যদি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো হয় তবে সার্ভিলেন্স টিম আছে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কোনো পরিবহন ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বাড়তি ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লোকাল বাসগুলো যাত্রী নিয়ে ঈদের সময় ঢাকার বাইরে যায় এ বিষয়ে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে বলেন, অনেক সময় তাদের আটকানো যায় না। কিন্তু আটকানো না গেলেও আমরা তাদের বিরুদ্ধে ভিডিও মামলা করতে পারব। পরে যেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আমরা যদি তাদের রুট পারমিট ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি শনাক্ত করতে পারি আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা সেই ব্যবস্থাও নিতে পারব।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান বলেন, ঢাকা মহানগরীতে বাস টার্মিনাল ও আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ছাড়া সড়কের কোথাও দাঁড়িয়ে দূরপাল্লার পরিবহনগুলো যাত্রী তোলা বা নামাতে পারবে না। বাস টার্মিনালের ভেতরেই অবস্থান করে যাত্রীরা বাসের আসন পূর্ণ করবেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পরিবহন মালিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা একাধিক বৈঠক করে তাদেরকে সঠিক নির্দেশনা মেনে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছি। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার বাসগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী ও অতিরিক্ত মালামাল বহন করা যাবে না। রাজধানীর ভেতর থেকে দূরপাল্লার ফিটনেসবিহীন, অনুমোদন ছাড়া কোনো বাস যাত্রী বহন করে চলাচল করতে পারবে না। পরিবহন সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। কোনো বাসের ছাদে যাত্রী বহন করা যাবে না, এটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয় সে বিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ সতর্ক রয়েছে। যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে দূরদূরান্তে যাবেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাবেন তাদেরকে সার্বক্ষণিকভাবে হেলমেট পরার অনুরোধ করব। একইসঙ্গে সড়কে চলাচলে গতিসীমা অবশ্যই মেনে চলার জন্য অনুরোধ করছি।

তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত লাভের আশায় রুট পারমিটবিহীন বা অনুমোদনহীন কোনো পরিবহন যাতে যত্রতত্র রাজধানীতে চলাচল না করতে পারে সে বিষয়টি কঠোরভাবে ডিএমপি ট্রাফিক পুলিশ মনিটরিং করবেন। এ বিষয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুনিবুর রহমান বলেন, রাজধানীর এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট গুলোতে যাতে কোন ধরনের যানজট সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগ মনিটরিং করছে। এই পয়েন্টগুলোর মধ্যে হাইওয়ে পুলিশ জেলা পুলিশ এবং ডিএমপির পুলিশ সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

কোরবানির পশুবাহী গাড়ির জন্য নির্দেশনা:

মুনিবুর রহমান বলেন, কোরবানির পশুবাহী গাড়িগুলোকে অবশ্যই সিটি করপোরেশনের অনুমোদিত হাটে যেতে হবে এবং অবশ্যই হাটের ভেতরে পশু লোড-আনলোড করতে হবে। কোন ক্রমেই তারা সড়কে লোড-আনলোড করতে পারবে না।

কোরবানির পশুবাহী যানবাহনকে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পশুবাহী ট্রাক বা গাড়িকে কোনো প্রকার হয়রানি করা যাবে না। অবশ্যই পশুবাহী ট্রাকের সামনে নির্ধারিত হাটে যাওয়ার স্টিকার ব্যানার লাগাতে হবে। যদি কেউ আগেই পশুবাহী গাড়ি থামিয়ে অন্য হাটে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাহলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।

বাস টার্মিনাল ও পশুর হাটকেন্দ্রিক নজরদারি অতীতেও ছিল এবারও থাকবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, গাবতলী-মহাখালী পশুর হাট ছাড়াও সব পশুর হাটে আমাদের ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে আমরা সার্বিক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখব।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কাজ ঈদের সাত দিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে। হাটকেন্দ্রিক এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ট্রাফিক বিভাগ কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

Header Ad

পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে: পলক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে কোটা আন্দোলনকারীরা। এদিকে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এই তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বার্থান্বেষী মহলের নানা গুজব আর অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে। এর জন্য পূর্বে কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি, পরিস্থিতি বুঝে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত সংযোগ দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পলক বলেন, ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব, টিকটকের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ হয়েছে। কিন্তু বিতর্কিত কনটেন্ট অপসারণ নিয়ে তাদের প্রাইভেসি পলিসি সন্তোষজনক না। এরপর তাদের কারণে যদি একটি প্রাণহানি ঘটে তাহলে এসব কোম্পানিকে ছাড় দেয়া হবে না। তাদেরকে বাংলাদেশে ডেটা সেন্টার স্থাপন করে বাংলাদেশের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

এতে ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে অনেকে প্রবেশ করতে পারছেন না। দীর্ঘ চেষ্টায় প্রবেশ করতে পারলেও কোনো বার্তা, ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা যাচ্ছে না। সরকারি নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বুধবার (১৭ জুলাই) সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছে অপারেটর কোম্পানিগুলো।

উল্লেখ্য, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ

গাবতলী বাস টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ-বিজিবি-র‍্যাব ও সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটাব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ (সর্বাত্মক অবরোধ) পালিত হচ্ছে। এর ফলে ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। অন্যান্য জেলা থেকেও আসছে না কোনো বাস।

‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে হাসপাতাল, গণমাধ্যমসহ অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া এই কর্মসূচি চলাকালে সব কিছু বন্ধ থাকবে—ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টারের স্টাফ গণমাধ্যমকে জানান, মালিকরা বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এসময় একাধিক পরিবহনের টিকেট কাউন্টের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, টার্মিনালে যাত্রীর সংখ্যা খুব কম। এ কারণে আমরা বাস ছাড়িনি।

এদিন সকালে গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী না থাকায় টার্মিনালের প্রায় সব টিকিট কাউন্টার ফাঁকা। টার্মিনালের অনেক বাস কাউন্টার বন্ধ দেখা গেছে। সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে বাসগুলো।

রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা

আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ পণ্ড করে দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মিরপুর-১০ গোলচত্বরে 'কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করে স্বাধীনতা বিরোধীদের নৈরাজ্য সৃষ্টির' প্রতিবাদে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠান করছিলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, সমাবেশ চলাকালে ওই এলাকায় হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারী উপস্থিত হয়ে ধাওয়া দিলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান। এ সময় আন্দোলনকারীরা সমাবেশের জন্য আনা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছেন।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আশেপাশের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন।

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

সর্বশেষ সংবাদ

পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে: পলক
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ
রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা
যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ
স্বামীকে তালাক দিলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা
সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দিল পুলিশ
কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক
ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
কোটা নিয়ে যেসব কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মাথায় পুলিশের গুলি