বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

নিজের নকশা করা ভবনে যেতে নিষেধ করলেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ

গাউসিয়া টুইন পিক এবং স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যেখানে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ভবনটিতে কোনো ধরনের অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে এমন দুর্ঘটনার পর সরব হয়েছেন অনেকে। কথা বলেছেন নানা অসঙ্গতি নিয়ে। রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন ও অভিজাত স্থাপনা গাউসিয়া টুইন পিক। ব্যতিক্রম ডিজাইনে ফেয়ার ফেস কংক্রিট ও গ্লাসে আবৃত স্থাপনাটির ডিজাইন করেছেন প্রখ্যাত স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশের প্রতিষ্ঠান ভিসতারা আর্কিটেক্টস। তবে এই ভবনটিতে সাধারণ মানুষকে না যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন খোদ স্থপতি নিজেই।

এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্থপতি মুস্তাফা খালিদ লিখেছেন, ‘প্রতিনিয়ত ভবনটি নিয়ে সত্যি উৎকণ্ঠায় থাকি। নকশা এবং অনুমোদন বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে হলেও এর ব্যবহারে বড় রকমের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সার্বিকভাবে অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ রেস্তোরাঁ ভবনে রূপান্তর করা হয়েছে। স্থপতি হিসেবে শেষ যে ক্ষমতাটুকু রাজউক দিয়েছে অকুপেন্সি সার্টিফিকেটের জন্য রিপোর্ট স্বাক্ষর করার তার তোয়াক্কাও এখানে করা হয়নি।’

‘অকুপেন্সি সার্টিফিকেট না নিয়েই চলছে দেদার ব্যবসা। যেহেতু ভবনটি নির্দিষ্ট ব্যবহারের ব্যত্যয় করে ব্যবহার শুরু করে দেওয়া হয়েছে তাই স্থপতি হিসেবে রিপোর্ট ও এজবিল্ট ড্রইং প্রদান থেকে বিরত থেকে জমির মালিক, ডেভেলপারকে বারংবার লিখিত বার্তায় এ বিষয়ে সতর্ক করা হলেও কোনো ফলপ্রসূ অগ্রগতি হয়নি। অর্থের কাছে আমার আহাজারি বারবারই নিস্ফল হচ্ছে। ডেভেলপারকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর আসে তাদের নাকি ফায়ার লাইসেন্স আছে। কি করে সম্বব সেটা? কপি চাইলে নিরুত্তর।’

‘জমির মালিককে বললে উত্তর, ভাড়া হয় না তাই আর কী করা! তাদের এও জানানো হয় যে, সঠিক ব্যবস্থা না নিলে ভবনের স্থপতি হিসেবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করা হবে। উদ্ভট সব যুক্তির বেড়াজালে একজন স্থপতি হিসেবে নিজেকে অসহায় না ভেবে গত মাসে অত্র এলাকার ফায়ার সার্ভিস বিভাগের স্টেশন মাস্টারকে এক বার্তায় বিষয়টি বললে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন বলে জানান।’

‘আমার ঘনিষ্ট ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সাবেক ডিজিকেও তার ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য অনুরোধ করলে তিনি তার সাধ্যমতো তা করবেন বলে জানান। আজ আবার স্টেশন মাস্টারকে বিস্তারিত তথ্য সমেত লিখলাম। দেখা যাক কী হয়।’

‘যতদূর জানি এ ভবনের অগ্নিনিরাপত্তার অবস্থা ক্রমান্বয়ে ভয়াবহভাবে অবনমিত করা হয়েছে। ফায়ার ডোর খুলে ফেলা হয়েছে, ফায়ার স্টেয়ার স্টোররুম হয়েছে, যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার রাখা হয়েছে ইত্যাদি।’

Header Ad

জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত

ড. জাফর ইকবালসহ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থানকারীদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও আজীবন নিষিদ্ধ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নামে একটি বিবৃতি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা হয়। এ বিবৃতিতে 'ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো' বলে উল্লেখ করা হয়।

জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। তার স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হকও শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) একটি নিবন্ধ লেখেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এ নিবন্ধনের একটি ছোট অংশ ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় ইউজিসি থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার প্রেক্ষিতে জরুরি সিন্ডিকেট মিটিং করে অনির্দিষ্টকালের জন্য শাবিপ্রবির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয় বলে জানান শাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মো. আবু হাসান। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পাশাপাশি হলও বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আজ বিকেল ৩টার মধ্যে সব হল থেকে শিক্ষার্থীদের চলে যেতে বলা হয়েছে।

'বিউটি অব সাস্ট ক্যাম্পাস' নামে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের একটি ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা বিবৃতিতে উল্লেখ রয়েছে- 'রেজি: ভবন, কন্ট্রোলার এবং ভিসি ভবন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও আজ (বুধবার) বিকেল ৩ টার মধ্যে সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে তাদের কোয়ার্টার ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে।

পাশাপাশি ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল কে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে শাবিপ্রবির আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হঠাৎ করেই আমাদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দিয়েছে। এই নির্দেশনার প্রতিবাদেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কক্ষগুলো বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ চলমান থাকায় অফিস খোলা থাকবে।

কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ

কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়েছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কারের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। সারাদেশে এখনও এই আন্দোলন চলমান। চলছে দফায় দফায় সংঘর্ষ। এরই মধ্যে চলমান এই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন ৬ জন। আহত হয়েছেন কয়েক শ’। এমন পরিস্থিতিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

যেখানে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে ঝামেলা বাঁধে বিজ্ঞপ্তির প্যাড নিয়ে। কারণ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন নিপুণ।

বিজ্ঞপ্তিতে নিপুণ বলেছেন, বাঙালির সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় ১৯৭১ এবং আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সর্বস্ব বাজি রেখে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন সার্বভৌম এই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের এই ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। কিন্তু বাঙালি তার শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোটা সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলন নিয়ে আমাদের কিংবা রাষ্ট্র কারও কোনো বিভেদ নেই। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর যেকোনো যৌক্তিক রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। কিন্তু এই কোটা আন্দোলনকে ইস্যু করে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করছেন এবং রাজাকারদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মনে রাখতে হবে… তুমি কে?, আমি কে?, বাঙালি, বাঙালি… এই শ্লোগান বাঙালি জাতির সবচেয়ে গর্বের শ্লোগান। জয় বাংলা।

মূলত তিন কারণে সমালোচনা হচ্ছেন নিপুণ। প্রথমত, নিপুণ তার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার করে। যেখানে নিজেকে ‘সাবেক’ সাধারণ সম্পাদক বলেছেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কোনও পদবিতে নেই। তাহলে তিনি কীভাবে সমিতির অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহারের এখতিয়ার রাখেন—অনেকেই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দ্বিতীয়ত, এটি হুবহু কপি করা হয়েছে টেলিভিশনের অভিনয়শিল্পী সংঘের বিবৃতি। সহিংসতাকে এড়িয়ে দেওয়া সে বিবৃতি নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনা হয়েছে। তৃতীয়ত, নিপুণের বিবৃতিতেও একইভাবে সহিংসতা ও নিহত হওয়ার মতো ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

এদিকে নেটিজেনরা নানা ধরনের বিরূপ মন্তব্য করে যাচ্ছেন নিপুণের পোস্টের কমেন্ট বক্সে। যদিও এসব মন্তব্যে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি অভিনেত্রীর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। একইসঙ্গে আজ বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজ বুধবার সকালে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পর করণীয় কী হবে, তা ঠিক করতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পরে আজ সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার।

উল্লেখ্য, গত কদিন ধরেই ঢাকাসহ সারা দেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছে। সোমবার সংঘর্ষ হলেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। এদিকে, মঙ্গলবার দিনভর সহিংসতার পর দেশের সব সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একই সঙ্গে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ত্যাগেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা দিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দেয় ইউজিসি।

এরই মধ্যে, রাজশাহী বিশ্বিবদ্যালয়, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ

জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কোটা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ
এবার ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামের কক্ষ ভাঙচুর
তিস্তায় ভেসে এলো ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর লাশ
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের রুমে ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
কোটা আন্দোলন: হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু
গভীর রাতে বোরখা পরে পালিয়েছেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
ইউজিসি কি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে পারে, প্রশ্ন ঢাবি অধ্যাপকের
রক্তপাত বন্ধের আহ্বান হৃদয়-শরিফুলের
স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের ২ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করবে আন্দোলনকারীরা
পবিত্র আশুরা আজ
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণ গ্রেফতার
পদত্যাগ করলেন ইংল্যান্ডের কোচ সাউথগেট
শিক্ষার্থী নিহতের পর বেরোবির ভিসির বাসভবনে ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন
নওগাঁয় আবারও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ