শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

সরকারবিরোধী বক্তব্যেই মকবুলের পতন!

সদ্য বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেনকে নিয়ে এখানো আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। আকস্মিক এই অবসরের নেপথ্যের কাহিনী নিয়ে চলছে নানামুখী জল্পনা-কল্পনা। মুখরোচক অনেক কথাও ছড়িয়েছে নানাভাবে।

কিন্তু আসলে কী কারণে মেয়াদ পূর্তির এক বছর আগেই তথ্য ও সম্প্রচার সচিবকে সরকার আকস্মিকভাবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো। তার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা গেছে অনেক তথ্য।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে অন্তত পাঁচটি কারণে সরকার তথ্য সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার।

বিভিন্ন পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে ঢাকাপ্রকাশ যেসব তথ্য পেয়েছে তাতে সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর অন্যতম কারণ হচ্ছে-সম্প্রতি সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভায় মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া সচিবের একটি বক্তব্য। যা সরাসরি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ছাড়া, আগামী বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সম্প্রচার নিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বড় অঙ্কের একটা চুক্তির প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করা, মন্ত্রণালয়ের সবকাজে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার করা, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, ফিল্ম আর্কাইভসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নথি দিনের পর দিন আটকে রাখা, পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়ে অধিক আগ্রহসহ আরও অনেকগুলো কারণে সরকারের খড়গ নামে তথ্য ও সম্প্রচার সচিবের উপর। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে সচিবের সরকার বিরোধী বক্তব্যই প্রধান কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একাধিক সূত্র জানায়, গত ৪ অক্টোবর সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন। সেখানে মন্ত্রী অনুপস্থিত ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্তত চার জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ওই সভায় সদ্য বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো সচিব মকবুল হোসেন সরকারের সমালোচনা করে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। সেখানে মকবুল হোসেন বলেন,‘আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। আমরা কোনো দলের কর্মচারী না। সরকার আসবে সরকার যাবে, আমরা আমাদের মত কাজ করব। আমরা কারো কথা মত কাজ করব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমলাতন্ত্র এখনো মরে যায়নি। আমলাতন্ত্র এখনো আছে। আপনারা সবাই আমলাতন্ত্রের কথা মত কাজ করবেন।’

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সচিবের এই বক্তব্য সভায় উপস্থিত অনেকের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। কিন্তু কেউ কোনো কথা বলেননি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মকবুল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে দেওয়ার পেছনে তার এই বক্তব্য মূখ্য ভূমিকা রেখেছে। সরকারের শেষ সময়ে এসে সচিবের এমন বক্তব্য কার্যত সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান বলে মনে করছেন তারা।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো এই সচিবের বিরুদ্ধে আরও অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে একটি হচ্ছে তিনি সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর অগোচরে। এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি একক ভূমিকা রেখেছেন। যা মন্ত্রী ও সচিবের মধ্যে এক ধরনের শীতল সম্পর্ক তৈরি করে।

সূত্র জানায়, মকবুল হোসেন গত কয়েক মাসে নিজেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সর্বেসর্বা হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেছেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।

একজন কর্মকর্তা জানান, সচিব বেতার, টেলিভিশন, ফিল্ম আর্কাইভসহ প্রায় সব দপ্তরের গুরুত্ত্বপূর্ণ নথি দিনের পর দিন কোনো কারণ ছাড়াই আটকে রাখতেন। এতে মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরগুলোতে কাজের গতি স্থবির হয়ে পড়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ত্বপূর্ণ কাজ রেখে সচিব মকবুল হোসেন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীদের পদোন্নতি দিতেই বেশি আগ্রহ দেখাতেন। কেউ কেউ বলছেন, এতে তার ইন্টারেস্ট আছে।

এসব কিছুর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখানোর ঘটনা। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়,বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো সচিব মকবুল হোসেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে পাশ কাটিয়ে একাই একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিটিভিতে খেলা সম্প্রচারের বিষয়ে এমওইউ স্বাক্ষর করেছেন।

শুধু তাই নয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে থেকে টাকা ছাড় করার বিষয়ে একজন সিনিয়র সচিবের শরণাপন্ন তথ্য সচিব। এই ঘটনা এবং মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এডিপি সভায় দেওয়া বক্তব্য সচিবের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তকে তরান্বিত করে।

সূত্র জানায়, ফিফা বিশ্বকাপ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ছয় মাস আগে কথা বলেন তথ্য সচিব মকবুল হোসেন। মন্ত্রী তাতে সায় দেন। কিন্তু মন্ত্রীর সায় পাওয়ার পর এ বিষয়ে সচিব এককভাবেই সব সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি সম্পর্কে মন্ত্রীকে আর কোনো কিছু জানানোর প্রয়োজন অনুভব করেননি।

সূত্র জানায়, ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সম্প্রচারের স্বত্ত্ব ফিফা থেকে কিনে ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠান ভায়াকম। তারা সেটি বিক্রি করে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এভামোর এর কাছে। সেখান থেকে সম্প্রচার স্বত্ত্ব ক্রয় করে বাংলাদেশের এনডব্লিউও-কে স্পোর্টস।

তথ্যসচিব মকবুল হোসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অন্তত দুই জন প্রভাবশালী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ করে ১০৪ কোটি টাকায় খেলা সম্প্রচারের জন্য তমা নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেন। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটি সচিব সম্পন্ন করেন তথ্যমন্ত্রীকে অন্ধাকারে রেখে। অবশ্য মন্ত্রী জানার পর সেটি আর সামনে এগোয়নি।

এ ছাড়া, মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি যখন চট্টগ্রামে পরিবেশ অধিদপ্তরে ছিলেন তখনো তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠে। সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর পর অধ্যাপক ইদ্রস আলী নামে চট্টগ্রামের এক পরিবেশকর্মী তার ফেসবুক ওয়ালে সেই ঘটনা তুলে ধরেন।

এর বাইরে মকবুল হোসেনর বিরুদ্ধে আগেই একাধিক বিভাগীয় মামলা হয়েছিল অনিয়ম-দুর্নীতির জন্য। এত কিছুর পরও তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল গত বছরের ৩১ মে।

১৬ অক্টোবর (সোমবার) দুপুরের পর মকবুল হোসেন যখন নিজ দপ্তরে কাজ করছিলেন ঠিক তখনই তার বাধ্যতামূলক অবসরের প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাকি থাকতেই তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর কারণে বিভিন্ন মহলে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়।

অবশ্য ১৭ অক্টোবর দুপুরের পর সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে গিয়েছিলেন সদ্য বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মকবুল হোসেন। এ সময় সাংবাদিকরা তাকে অবসর দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি এও দাবি করেন যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কখনো অনৈতিক কাজ করেননি। কোনো রকম আর্থিক অনিয়মের সঙ্গেও তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এমএমএ/

মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন ও সড়ক জনপথ বিভাগ। আজ শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

মহাসড়কের এমসি, নয়নপুর ও জৈনাবাজর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা বাজার, দোকানসহ প্রায় সাড়ের তিন হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। গুড়িয়ে দেওয়া হয় সকল অবৈধ স্থাপনা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইএনও) শামীমা ইয়াসমীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া।

জানা যায়, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে হাজার হাজার অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। আজ সকাল নয়টা থেকে উপজেলার এমসি বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে উপজেলা প্রশাসন। পরে দুপুর আড়াইটায় জৈনাবাজার এলাকায় এসে শেষ হয় এই অভিযান। উচ্ছেদের খবর পেয়ে কেউ স্বেচ্ছায় তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়। অনেকে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। বন্ধ থাকা স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু স্থায়ী স্থাপনাও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া বলেন, ‘জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের শ্রীপুর অংশের ৩টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সব স্থানের অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করা হয়। মহাসড়কের সকল অংশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।’

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ইয়ামিন বলেন, ‘সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের নিয়ে জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় সাড়ে তিন হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পরে যাতে মহাসড়কে পাশে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে সে জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, তিনদিন ধরে অনলাইন মাধ্যমে একদল প্রতারক চক্র ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। বাস্তবে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

এই চক্রের মূল কাজ হলো আমাদের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যারা এ সম্পর্কে জানেন না, তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এজন্যই তারা প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, প্রতারক চক্রটি সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা করছে। আপনাদের অনেক সাংবাদিকও তাদের সাথে কথা বলেছেন। সেই চক্রটি প্রশ্নের বিনিময়ে আপনাদের কাছ থেকেও অগ্রিম টাকা চাচ্ছে। এ পর্যন্ত এই চক্রের হাতে প্রতারিত হওয়ার কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। আমরা সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সবাইকে এই প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত চক্রটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের সমন্বয়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান আমার সাথে এবং দুইজন উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, পরীক্ষা উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল টিমের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আমরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকছি যেন প্রতারক চক্রটি এবারের ভর্তি পরীক্ষাকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে না পারে।

উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। বেলা ১১টায় ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে পরীক্ষা হয়েছে। গতকাল রাত ও আজ সকালে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভর্তি কমিটির সংশ্লিষ্টদের সাথে আমার কথা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষা কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ তথা ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হয়। বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় শেষ হয়।

‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় দুই হাজার ৯৩৪টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে এক লাখ ২২ হাজার ২৭৯টি। সে হিসাবে প্রতিটি আসনের জন্য ৪২ জন শিক্ষার্থী লড়াই করছেন।

পরীক্ষায় সময় ছিল এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এর মধ্যে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট। ৪০ মার্কের লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট।

সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেছেন, ১০৫ একর জায়গা নিয়ে রাজবাড়ীতে আরেকটি রেল কারখানা করা হবে। যা সৈয়দপুর কারখানার চেয়েও বড়। এখানে সকল প্রকার মেরামত ও বগি তৈরির কারখানাও করা হবে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেনাপোল এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে রাজবাড়ী এসে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রেল হচ্ছে সবচেয়ে শস্তা পরিবহন। মালামাল পরিবহনেও রেলওয়ে বগি শস্তায় সার্ভিস দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় রেল সংযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যেই ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দরে রেল যাবে। এজন্য রেলের কোচ ও ইঞ্জিন আমদানি করা হয়েছে। আরও কিছু আমদানি করা হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রেলওয়ে ও জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ
কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য
সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী
মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী
বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি
গাজায় ক্ষুধা-অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজার হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ
পাকিস্তানে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে পিটিআই
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ইলন মাস্ক
ভোটার টানতে কন্ডমের প্যাকেটে দলীয় প্রতীক ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি
ভালোবাসার মাসে মা হলেন মিথিলা, বাবা সৃজিত
মাকে শেষ বিদায় দিতে এসে সড়কেই প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসীর
আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
'সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক'
ডিবিতে ৫০ মিনিট কি করলেন নিপুন
পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ জন কর্মকর্তা
এক তরুণীকেই ১০০ বারের বেশি ধর্ষণ !
পুতিনকে কুকুরের বাচ্চা বলায় বাইডেনকে যা বললেন ক্রেমলিন
সাকিবকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো বিসিবি
গাজায় আবাসিক বাড়িতে হামলা, নিহত কমপক্ষে ৪০ ফিলিস্তিনি