সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ | ৩ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

পানি সম্মেলন

বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদীর উপর

জাতিসংঘের পানি সম্মেলনে এবার বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আন্তঃসীমান্ত এবং আন্তর্জাতিক পানি সহযোগিতা ও ক্রস সেক্টরাল সহযোগিতার উপর। পানির জন্য সহযোগিতা এই থিমে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের এজেন্ডা জুড়ে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা চায়।

আগামী ২২ থেকে ২৪ মার্চ তিন দিন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘ পানি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এই সম্মেলনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পাঁচটি ইস্যুতে গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আন্তঃসীমান্ত এবং আন্তর্জাতিক পানি সহযোগিতার উপর। এই ইস্যুতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে ভয়েস রেইস করতে চাচ্ছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুলে মোমেন এর নেতৃত্বে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান পত্র তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছেন। এরই অংশ হিসেবে পাঁচটি থিম ঠিক করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। যেগুলো আগামী ২২-২৪ মার্চ পানি সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে যেসব আন্তর্জাতিক নদী প্রবেশ করেছে তার সবকটিই হচ্ছে নেপাল, ভারত ও চীন থেকে আসা। কিন্তু এ সব নদীর উজানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নিজেদের স্বার্থে বাঁধ তৈরি করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ফলে বাংলাদেশ তার ন্যায্য পানির হিস্যা পাচ্ছে না। এই অবস্থায় এবারের সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ বেশি জোর দিচ্ছে।

বাংলাদেশ বলছে, আন্তঃসীমান্ত নদীকে বাঁচিয়ে রেখে নদীর পানিসহ যেসব সম্পদ রয়েছে ওই নদী সংশ্লিষ্ট সকল দেশ সেগুলো তার সর্বোচ্চটা ব্যবহার করবে। আন্তর্জাতিক নদীর পানি নিয়ে সবার জন্য সমান সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে ক্রস সেক্টরাল সহযোগিতা করবে। নেপাল, ভারত ও চীনের সমন্বিত সহযোগিতায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নদী যেগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে সেগুলোর পানিসহ অন্যান্য সবকিছুর সর্বোচ্চ সুবিধা যেন বাংলাদেশ পায় তার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সে লক্ষ্যেই বাংলাদেশ এবারর পানি সম্মেলনে নিজেদের অবস্থানপত্র উপস্থাপন করবে।

এবারের পানি সম্মেলনে বাংলাদেশ তার অবস্থানপত্রে আন্তঃসীমান্ত ও আন্তর্জাতিক পানি সহযোগিতার জন্য নেপাল, ভারত ও চীনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নদীকে বাঁচিয়ে রেখে কীভাবে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায় সে জন্য এই তিন দেশের সঙ্গে আলোচনা করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী দিনগুলোতে বিশ্বব্যাপী পানি একটা বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে। পানির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুরো বিশ্বকেই নজর দিতে হচ্ছে। এই ইস্যু থেকে বাংলাদেশ তথা এই অঞ্চলও বাদ যাচ্ছে না। সঙ্গত কারণেই বাংলাদেশ পানি ইস্যুতে ভয়েস রেইস করতে চায়।

বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত বলেন, জেনারেলি যদি বলি তাহলে বলতে হচ্ছে, পৃথিবীতে পানির সম্পদের পরিমান ফিক্সড। এটা বাড়বেও না, কমবেও না। কিন্তু মানুষ বাড়ছে। মানুষের পানির চাহিদা বাড়ছে। সেচের জন্য পানির চাহিদা বড়েছে। খাবারের জন্য পানির চাহিদা বাড়ছে। শিল্পের জন্য পানির চাহিদা বাড়ছে।

দ্বিতীয়ত হচ্ছে, বছরের একসময় প্রচুর পানি আছে। অন্যসময় পানির প্রবাহ কম। এই সমস্যা যে নদীটা দুই বা তিন দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তাদের সকলের জন্যই। কিন্তু অববাহিকাভিত্তিক পরিকল্পনা করে এ সমস্যাটা বহুলাংশে সমাধান করা সম্ভব।

তৃতীয়ত হচ্ছে, অভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনাতে দুই দেশের মধ্যে কিংবা দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সিদ্ধান্তটাই প্রধান। আর দুই দেশের মধ্যে শক্তি যদি অসম হয় তহালে বিষয়টা আরও জটিল হয়। সেজন্য কিছু বৈশ্বিক নিয়মকানুন থাকলে ভাটির দেশের জন্য সুবিধা হবে। বৈশ্বিক নিয়মকানুন তো নাই। এটা খুব প্রয়োজন। সবকিছু নির্ভর করে রাজনীতির উপরে। সেটার সঙ্গে যদি কিছু গাইডলাইন থাকে তাহলে সমস্যা সমাধান সম্ভব।

তিনি বলেন, আর সর্বশেষ হচ্ছে নদীর পানির সঙ্গে জীববৈচিত্র্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। কাজেই শুধুমাত্র সেচের জন্য পানি কিংবা উজানের দেশ, ভাটির দেশ তাদের পানির চাহিদার সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিরও একটা পানির চাহিদা আছে। এটা ধরে রাখা উচিত। প্রকৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad

বিদেশের ওপর নির্ভর করে আওয়ামী লীগ সরকার টিকে আছে : মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকার একটি নতজানু সরকার, বিদেশের ওপর নির্ভর করে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । তিনি বলেন, ‘আমাদের ভূখণ্ড সেন্টমার্টিনে গোলাগুলি হচ্ছে। মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজও সেখানে দেখা যাচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত আসছে। আর তারা বলছে (সরকার)- আমরা দেখছি।’

রোববার দুপুর ২টায় ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ীতে নিজ বাসভবনে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার আমাদের আন্তর্জাতিক যে সমুদ্র পথ সে পথে আমরা যেতে পারছি না। এটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি।

দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো- এই অনির্বাচিত সরকার, দখলদারিত্বের সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্টেটমেন্ট দেয়নি। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আলোচনা করবে বলছে; কিন্তু কোনো আলোচনা এখন পর্যন্ত আমরা শুনিনি। তাহলে এ সরকারের প্রতি মানুষ কী করে আস্থা রাখবে। এটি (আওয়ামী লীগ) একটি নতজানু সরকার। বিদেশের ওপর নির্ভর করে এই সরকার টিকে আছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা-কর্মকারী মনে করছেন যে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, লুটপাট করে, বিএনপিকে নির্যাতন করে টিকে থাকতে পারবেন; তারা তা পারবেন না। আল্টিমেটলি এভাবে টিকে থাকা যায় না। তার প্রমাণ বেনজীর ও আজিজ। আওয়ামী লীগ সরকারই তাদেরকে বলির পাঁঠা বানিয়েছে।

‘এখন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ফিরিস্তি পত্রিকায় বের হয়েছে। একে একে সবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। এ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তাদেরকে চুরির সুযোগ দিচ্ছে। তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সরকার ফেল। তাদের উচিত পদত্যাগ করা।’

ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন একটা তামাশা। এটা করতে হয় তাই আওয়ামী লীগ করছে। নির্বাচনের আগেই বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে তারা জেলে পাঠিয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

‘ভারতেও নির্বাচনের আগে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। তাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তার কারন হলো যারা শাসন ক্ষমতায় থাকে তারা গণএন্ত্র বিশ্বাস করে না।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাহস করে যদি আপনারা না দাঁড়ান তাহলে সংবাদ মাধ্যমে টিকে থাকতে পারবেন না। আওয়ামী লীগ সরকারই ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল।

‘সাংবাদিকরা তখন ভিক্ষা করতেন, ফল বিক্রি করতেন। এখন অনেকটিভি চ্যানেল হয়েছে। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তার মালিকের হুকুম ছাড়া কিছুই করতে পারেন না।’

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমীন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, আবু নুর চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতা।

ঈদের দিন তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দিন তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার কোনো কোনো স্থানে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও আছে। এর পাশাপাশি দু–এক বিভাগে মেঘলা আকাশ এবং সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তথ্য মতে, দেশজুড়ে টানা বা ভারী বৃষ্টি হবে নেই। দেশের বড় অংশজুড়ে ওই দিন ভ্যাপসা গরমের ভাবটা থাকতে পারে। এর কারণ হলো, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি। তাই তাপমাত্রা হয়তো খুব বেশি না থাকলেও অস্বস্তি চরমে উঠতে পারে। আজ রোববারও দেশের একটি বড় অংশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়তি, আছে অস্বস্তিও।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ আজ বলেন, ঈদের দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতিতে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ওই দিন বৃষ্টি হতে পারে। এই তিন বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে। এসব এলাকার তাপমাত্রা সহনীয় থাকতে পারে। ঈদের দিন চট্টগ্রাম বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী বিভাগে ঈদের দিন তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত বেশি থাকতে পারে বলে জানান বজলুর রশীদ। তিনি বলছিলেন, এই তিন বিভাগের কোথাও কোথাও সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। খুলনা ও বরিশালে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকতে পারে। কোথাও কোথাও তা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। এ বিভাগের কিছু জায়গায় আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।

খুলনা বিভাগে টানা কয়েক দিন মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল খুলনায়, ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ বিভাগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১০টি স্টেশনের মধ্যে কুমারখালী ও নড়াইল বাদ দিয়ে বাকিগুলোতে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল। তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে ধরা হয়।

ঈদের দিন তাহলে ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে—এ প্রশ্নে বজলুর রশীদ বলেন, ঢাকার আকাশ ওই দিন মেঘলা থাকতে পারে। আর বিকেলের দিকে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ঢাকায় ঈদের দিন বৃষ্টি হলেও তা গরম কমাবে না বলেই মনে হয়।

যদিও এখন তাপমাত্রা এপ্রিলের সেই তীব্র বা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ নেই। কিন্তু এর মধ্যেও গরমের অনুভূতি হচ্ছে প্রচণ্ড। ঘাম ঝরছে খুব। এর কারণ হিসেবে বজলুর রশীদ বলেন, ‘এখন বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ খুব বেশি। গতকাল ঢাকায় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৯ ভাগ। ঈদের দিনেও আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। তাই গরমের অনুভব হবে বেশি।

আজ সকাল ছয়টায় ঢাকার বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ ভাগ।

আকাশ মেঘলা থাকলে একটা বড় বিপত্তি দেখা দেয়। সেটা হলো, ভূপৃষ্ঠে তৈরি হওয়া তাপ আটকে থাকে। এতে গরমের অনুভূতি বেশি হয়। ঈদের দিন অন্তত ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকলে গরমে অস্বস্তি বেশি হতে পারে বলে জানান বজলুর রশীদ।

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল (১৭ জুন) দেশে উদযাপিত হবে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ঈদুল আজহা।

রোবাবার (১৬ জুন) তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাতে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম, এক বছর পর আবারও আমাদের জীবনে ফিরে এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি আপনাদেরকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাই।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আসুন ঈদুল আজহার শিক্ষা গ্রহণ করে ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি।

বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা আপনার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ, শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঈদ মোবারক।

সর্বশেষ সংবাদ

বিদেশের ওপর নির্ভর করে আওয়ামী লীগ সরকার টিকে আছে : মির্জা ফখরুল
ঈদের দিন তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদুল আজহা উদযাপন
ঘোড়াঘাটে ভূমি দখলকারীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি
ঈদের দিন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ও জাদুঘর সকল দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ থাকবে
ছাত্রদলের ২৬০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা
দায়িত্বের এ জীবন কঠিন হলেও সুন্দর : বাবা দিবসে পরীমণি
কুড়িগ্রামে আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় সোলায়মানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব
জাতীয় ঈদগাহে ৫ স্তরের নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার
জেনে নিন ঢাকায় কখন কোথায় ঈদের জামাত
ঈদের দিনেও রেহাই নেই গাজার বাসিন্দাদের
চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা
বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে ফের রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় অর্ধলাখ যানবাহন পারাপার
শেষ মুহূর্তে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ
অজিদের কল্যাণে সুপার এইট নিশ্চিত করলো ইংল্যান্ড
সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান রেখেছে আওয়ামী লীগ : খাদ্যমন্ত্রী
সারাদিনের ভোগান্তির পর উত্তরের ঈদযাত্রায় ফিরেছে স্বস্তি
আর্থিক সংকটে কাঙ্খিত বেচা-কেনা হয়নি চুয়াডাঙ্গার পশুহাট গুলোতে
আনারকন্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিএমপি কমিশনার