বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

অতিরিক্ত গরমে স্কুলগামী শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার উপায়

ছবি: সংগৃহীত

প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর গরমের মাত্রা অনেক বেশি। গরমের তীব্রতা অসহনীয় করে তুলেছে মানুষের জীবন। বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিকুল অবস্থা আশঙ্কাজনক। অত্যধিক ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় তরল বেরিয়ে যাওয়ার কারণে নানা ধরণের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হয়। আর এই ঝুঁকির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে এই কম বয়সী শিক্ষার্থীরাই।

তাই উষ্ণ আবহাওয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজন যথাযথ পদক্ষেপের। উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। তাই চলুন, গরমের তীব্রতা থেকে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়গুলো জেনে নেওয়া যাক।

সূর্যালোক এড়িয়ে চলা:

সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অতিবেগুনি রশ্মি সবচেয়ে বেশি তীব্র থাকে। আর দিনের এই সময়টাতেই শিক্ষার্থীরা সাধারণত ক্লাস এবং স্কুল-পরবর্তী খেলাধুলার জন্য ঘরের বাইরে থাকে। তাই এই সময়টাতে শিক্ষার্থীদের বিচরণের জায়গাগুলোতে সর্বাত্মকভাবে ছায়ার ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ-গাছালি ঘেরা প্রাকৃতিক ছায়া শোভিত স্থান সর্বোত্তম। তবে এর পাশাপাশি ছাউনির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। খেলাধুলার সময় ছাত্রছাত্রীরা যেন উন্মুক্ত জায়গায় চলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ছাতা ব্যবহার করা:

স্কুলে যাওয়া ও আসা নিয়ে প্রতিদিনই বাচ্চাদের একটি উল্লেখযোগ্য সময় রোদের আলোয় কাটাতে হয়। এই সময়টিতে সূর্যালোক প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরিধান ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ছাতা ব্যবহার করা। খুব নান্দনিক এবং রঙচঙা নয়, এ ক্ষেত্রে খেয়াল দিতে হবে ছাতাটি রোদ থেকে কতটা ছায়া দিতে পারছে তার ওপর। মুষলধারে বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে যেভাবে ছাতা ব্যবহার করা হয়, এক্ষেত্রেও একই কাজ করা উচিত। আর ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের এই অভ্যাস তৈরিতে আদর্শ হতে পারে পিতামাতা ও পরিবারের অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্করা।

গরমের জন্য আরামদায়ক পোশাক পরা:

শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়াসহ বিভিন্ন উপলক্ষে ঘরের বাইরে থাকার সময়ে হাল্কা বুনন, হাল্কা ও এক রঙের কাপড় পড়তে হবে। হাতাকাটা শার্ট বা গেঞ্জি এবং হাফ প্যান্ট বা শর্টস এক্ষেত্রে উপযুক্ত মনে হতে পারে। কিন্তু কাপড়ের উপাদান এবং শিক্ষার্থীদের শরীরের কতটা অংশ উন্মুক্ত থাকছে সেদিকে কড়া নজর দেওয়া আবশ্যক। হাতাকাটা বা শর্টসের ক্ষেত্রে কাপড় যদি অনেক মোটা বা ভারী হয়, তাহলে তা আরও গরম করে তুলতে পারে। তাই শরীর যতটা ঢেকে রাখা যায় ততই ভালো।

তোয়ালে আর টিস্যু সঙ্গে দিন:

সন্তানকে যতটা সম্ভব ঘাম থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। ঘাম থেকে দূরে রাখার কাজটি সহজ না। স্কুলে থাকলে গরম ভয়াবহভাবে কাবু করতেই পারে। তাই তোয়ালে বা টিস্যু দিন। আপনার সন্তান স্কুলে গেলে মুখ, হাত ধোবেই। তাই তাদের যেন হাত-মুখ মোছার সুযোগ থাকে তা নিশ্চিত করুন।

বেশি বেশি পানি পান করা:

পানিশূন্যতার মতো গরম আবহাওয়ার ফলে সৃষ্ট নানা ধরনের রোগ বালাই থেকে বাঁচতে পানি পানের কোনও বিকল্প নেই। স্কুল বা বাড়ি যেখানেই থাকুক না কেন, বাচ্চাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার সময় নির্দিষ্ট সময় পরপর পানি বিরতি দিতে হবে। এমনকি তারা তৃষ্ণার্ত না থাকলেও চালিয়ে যেতে হবে এই কার্যক্রম। বেশি বেশি পানি পান শুধু পানিশূন্যতাই প্রতিরোধ করে না, বাচ্চাদের দাঁতের ক্ষয়ের ঝুঁকিও কমাতে পারে।

আমেরিকার জাতীয় একাডেমি মেডিসিন ইনস্টিটিউট অনুসারে, ৯ থেকে ১৩ বছরের ছেলেদের জন্য প্রতিদিন পানি পান করতে হবে ৮ কাপ। আর একই বয়সের মেয়েদের প্রতিদিন ৭ কাপ পানি পান করা উচিত। ১৪ থেকে ১৮ বছরের ছেলেদের বেলায় এই পরিমাণ প্রায় ১১ কাপ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রায় ৮ কাপ।

পানিশূন্যতা রোধকারী ফল ও সবজি খাওয়া:

গ্রীষ্মের খরতাপ থেকে স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য সেরা উপায় হচ্ছে সর্বাধিক পানি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। এক্ষেত্রে গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ একটি উৎকৃষ্ট খাবার কেননা এতে রয়েছে ৯১ শতাংশ পানি। এছাড়া অন্যান্য ফল-ফলাদির মধ্যে রয়েছে আঙ্গুর, আপেল, চেরি, কমলা, এবং আনারস। এগুলো সরাসরি অথবা জুস বানিয়ে কিংবা সালাদ করেও খাওয়া যায়।

তরকারির মধ্যে রয়েছে পালং শাক, টমেটো, শসা, মুলা, ফুলকপি, গাঁজর, পুদিনাপাতা, পেঁয়াজকলি, ঢেঁড়শ এবং লাউ। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই ফল এবং শাকসবজি থাকা মানে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন পাওয়া। এই পুষ্টি উপাদান পানিশূন্যতা রোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।

প্রতিদিন গোসল করা:

স্কুল বা যে কোনও উপলক্ষে বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পরপরই গোসল করা একটি স্বাস্থ্যবিধি। এমনকি এটি একাধিকবার দীর্ঘ সময়ের জন্য বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কেননা যখন গোসলের পানি বাচ্চার ত্বকে ভিজিয়ে দেয়, তখন শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর কার্যকলাপের জন্য নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় থাকে। এই পরিমিত তাপমাত্রাতেই রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে শরীরকে সতেজ করে তোলে।

তবে গোসলের সময় আরামদায়ক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা উচিত। খুব গরম বা খুব ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা যাবে না। এভাবে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত গোসলে অভ্যস্ত হলে উত্তাপজনিত অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে পারে।

Header Ad

কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক

অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে উত্তাল সারাদেশ। এক দফা এক দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা। চলমান এই ইস্যুতে বেশ সরব দেশের শোবিজ অঙ্গন। তারকারা শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক কোটা আন্দোলন নিয়ে একের পর পোস্ট করছেন তার ফেসবুকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক এক পোস্ট করে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ রাস্তায় নেমে তাদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। ছবি: সংগৃহীত

পোস্টে রুকাইয়া জাহান বলেন, ‘আমি সারারাত জেগে আছি। ঢাবি আর জাবি তে কি চলছে ? কেউ কি আপডেট দিতে পারবেন ? কাল সকাল পর্যন্ত আমার ফেইসবুক থাকবে কিনা জানি না। তবে, কাল থেকে আমি রাস্তায় নামবো আমার আন্দোলনকারী ভাইবোনদের সাথে।’

এ পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। কমেন্ট বক্সে আব্দুল হক নামে একজন লিখেছেন, ‘আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আগামীকালের আন্দোলনের সফলতা কামনা করছি।আপনাদের অংশগ্রহণ আমাদের অনেক বেশি উৎসাহিত করবে।’

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী। যেখানে চমক লিখেছেন, হয়তো দু-এক দিনের মধ্যেই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। হয় দাবি আদায় হবে, আর না হয় ভাগ্য খুব খারাপ হলে হবে না। কিন্তু এই যে ছয়টি তাজা প্রাণ ঝরে গেল। এটার দায়ভার কে বা কারা নেবে। চমক আরো লিখেছেন, আর কি কোনো কিছুর বিনিময়ে তাদের ফিরিয়ে আনা যাবে? আমরা মাঝে মাঝে এত নিষ্ঠুর কেন হই?

উল্লেখ্য, ছোট পর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। বছরজুড়েই ব্যস্ত থাকেন তিনি। ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়ে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন চমক। লেখাপড়ার বিরতি শেষে ২০২০ সালে ছোট পর্দার অভিনয় শুরু করেন তিনি। ওটিটিতেও কাজ করেছেন তিনি। গতমাসে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন অভিনেত্রী। শুক্রবার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমের বিয়ের খবর জানান অভিনেত্রী।

ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন। ছবি: সংগৃহীত

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি জানান, কমপ্লিট শাটডাউনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার বেশ সহিংস রূপ নেয়। এদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা যান। আহত হন কয়েক শ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ অবস্থায় সারা দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বন্ধ ঘোষণা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও।

গতকাল রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শনির আখড়ায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে তিনি বলেন, উচ্চ আদালত থেকে ছাত্রসমাজ ন্যায়বিচার পাবে এবং তাদের হতাশ হতে হবে না।

এরপর দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কর্মসূচি অনুযায়ী, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে এবং রাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলে জানানো হয়।

রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকার অধিকাংশ জায়গাতেই মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। প্রায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে এমন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। তবে ব্রডব্যান্ড লাইনে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত রয়েছে।

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, পলাশী, সায়েন্সল্যাব, গ্রিনরোড, যাত্রাবাড়ী এবং পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ, টঙ্গী এবং গাজীপুর সিটির বিভিন্ন এলাকায়ও মোবাইল ডাটা দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে একই অবস্থার খবর পাওয়া গেছে।

গ্রাহকরা অভিযোগ জানিয়ে বলছেন, গত পরশুদিন মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাত থেকেই এমন অবস্থা শুরু হয়েছে। তবে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত মোবাইল ডাটা কিছুটা কাজ করলেও এরপর থেকে একেবারেই ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ডাটা চালু করার পর ফোরজি সাইন এলেও ফেসবুক ও মেসেঞ্জার কাজ করছে না। পর্যাপ্ত ডাটা থাকার পরও অনলাইনে কোনো কিছুই করা যাচ্ছে না। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল এবং টেলিটকের সিম ব্যবহারকারী সবার একই অবস্থা। তবে স্বাভাবিক রয়েছে ব্রডব্যান্ড লাইন। বাসা-বাড়িতে এবং বিভিন্ন অফিসে সংযোগ করা লাইনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

যদিও বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কিংবা মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির এক কর্মকর্তা বলেন, মোবাইল ডাটার ব্যবহারে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সমস্যা নেই। আগে যেমন ব্যবস্থাপনা ছিল এখনও ঠিক তেমনটিই আছে। তবে বিভিন্নভাবে এর গতি পরিমিত করা বা গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবার গতি কমানোর সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকায় ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার মৌখিক নির্দেশনা সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বাতিলের দাবিতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই মোবাইল ডাটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধীরগতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে গ্রাহকদের। অবশ্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার ফলে সারা দেশে ব্যাপক সংঘর্ষ ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেছে। সেজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো কিছু দেখে যাচাই-বাছাই না করে শিক্ষার্থীদের কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক
ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
কোটা নিয়ে যেসব কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মাথায় পুলিশের গুলি
গায়েবানা জানাজা বলে কিছু নেই বলে ইমামকে নিয়ে গেল ওসি আমিনুল
ঢাবিতে গায়েবানা জানাজায় কফিন ছুঁয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ
রণক্ষেত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, আহত শতাধিক
বৃহস্পতিবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক
সাংবাদিকদের মাঝে সাউন্ড গ্রেনেড মারলো পুলিশ, অন্তত তিন সংবাদকর্মী আহত
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী