মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ | ১১ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

রাজশাহীতে প্রতীকী রূপে টিকে আছে ৩৫ ঢোপকল

পুঠিয়ার বিখ্যাত জমিদার মহারাণী হেমন্ত কুমারী দেবী রাজশাহীর মানুষকে কলেরার হাত থেকে রক্ষা করতে রক্ষাকবজ হিসেবেই তৈরি করেছিলেন ‘ঢোপকল’। কলেরার সেই ক্লান্তিলগ্ন পেরিয়েছে বহু আগেই। প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে জনজীবনেও। ‘ঢোপকল’ ছাপিয়ে এসেছে ‘ওয়াটার ট্যাংক’। নিরাপদ পানি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি নিয়ে গঠিত হয়েছে ওয়াসা। আর একারণেই কালের বির্বতনের সঙ্গে সংগ্রাম করে এখন প্রতিকী রুপেই টিকে আছে ঢোপকল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একসময় রাজশাহী মহানগরে শতাধিক ঢোপকল ছিল। ঢোপকলের উপযোগিতা ফুরিয়েছে অনেক আগেই। তবে এখন ৩৫টির মতো ঢোপকল আছে। এরমধ্যে ১২টি ঢোপকলে ওয়াসার পানি সাপ্লায়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেটা গত বছরও ছিল ২২টির মতো। ঢোপকলগুলো দীর্ঘ দিনের পুরোনা হওয়ায় পানি রির্জাভে রাখার সক্ষমতাও হারাচ্ছে। এতে প্রতি বছর ঢোপকলের সংখ্যাও কমছে। আর ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই প্রতীকী রূপে কিছু ঢোপকল সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

জানা যায়, ১৯৩০ এর দশকে রাজশাহীতে পানিবাহিত রোগ কলেরার প্রাদুর্ভাব হয়েছিল। নোংরা, জীবাণুতে ভর্তি পানি খেয়ে অনেকে মারা গেছেন। তখন পুঠিয়ার জমিদার মহারাণী হেমন্ত কুমারী দেবীর টাকায় সুপেয় পানির কলের ব্যবস্থা করা হলো। যুগান্তকারী উদ্যোগে বানানো হলো ‘ঢোপকল’। সুপেয় পানির সরবরাহকারী কল হিসেবে ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল এসব। তবে এখন ঢোপকলের উপযোগিতা ফুরিয়েছে। রাজশাহী ওয়াসার পানির লাইন আছে আলাদা।

এক একটি ঢোপকল ১২ ফুট উঁচু, ৪ ফুট চওড়া। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই কলগুলো বিশেষভাবে বানানো। মূল উপকরণ সিমেন্ট ও ইটের খোয়া। প্রতিটি কলের গায়ে উপর থেকে নিচের দিক পর্যন্ত বিশেষ একটি ঢেউ খেলানো ডিজাইন রয়েছে। নকশাটি করা হয়েছে টিন ব্যবহার করে। চারিদিকে টিনের রাউন্ড বানিয়ে তার ভেতরে সিমেন্ট ও ইটের খোয়ার ঢালাই ঢেলে দেওয়া হয়েছে। ঢালাইটি আড়াই থেকে তিন ইঞ্চির, আজও দারুণ শক্ত। অসাধারণ ডিজাইন, পুরোটাই সিমেন্টের দারুণ কারুকাজ আর পানির ফিল্টারিং ব্যবস্থা রাজশাহীর ঢোপকলের বিশেষত্ব। প্রতিটি ঢোপকলের পানি ধারণ ক্ষমতা ৪৭০ গ্যালন।

সবগুলো ঢোপকলে সুপেয় পানি দেওয়ার জন্য মহারাণী হেমন্ত কুমারী দেবী নিজের নামে একটি বিশেষ পানিশোধন কেন্দ্র তৈরি করে দিয়েছিলেন। তার কেন্দ্র থেকেই লোহা ও পানির ক্ষার দূর করে ঢোপকলে পানি দেওয়া হতো। কলগুলোর প্রতিটির আলাদা ফিল্টারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরোপুরি স্বচ্ছ ও সুপেয় পানি খেতেন নগরের মানুষ। পাথরের কুঁচি আছে ভেতরে কোনোভাবে ঢুকে পড়া ময়লাগুলো থেকে পানিকে বাঁচাতে। বালি ও পাথরের স্তরও আছে প্রতিটি কলে। তা ছাড়া সিমেন্টের কল বলে পানি কোনোভাবেই গরম হয় না। শীতকালে তীব্র শীতের প্রভাব পড়ে না পানিতে।

১৯৩৭ থেকে ১৯৬৫ টানা ২৮ বছর রাজশাহী শহরের সুপেয় পানি ব্যবস্থা ছিল ঢোপকলগুলোর মাধ্যমে। এরপর নগরায়ন হলো। প্রতিষ্ঠিত হলো ওয়াসা। তারা নিজেদের ব্যবস্থা গড়ে তুলল। তারপরও যে কয়েকটি বেঁচে আছে, সেগুলোর মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটিকে তারা রিজার্ভ পানির ট্যাংকি হিসেবে সচল রেখেছেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) জেলা শাখার সভাপতি ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেছেন, ‘আমাদের রাজশাহী নগরীতে সুপেয় পানি সরবরাহের কালের সাক্ষী হয়ে রয়েছে এই ঢোপকলগুলো। মহারাণী হেমন্ত কুমারী দেবীর দান ও প্রশাসনিক এই উদ্যোগ ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে জ্বলজ্বল করে জ্বলছে। সে সময় নগরবাসীকে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহে ঢোপকল স্থাপন প্রকল্প যে জীবনদায়ী ভূমিকা রেখেছে। এই প্রকল্পকে রাজশাহী ওয়াসা রক্ষা করতে পারেনি। বিশুদ্ধ পানির সরবরাহের প্রশ্নেও ওয়াসা পিছিয়ে আছে। আবার আধুনিকতার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে ঢোপকলগুলো যত্ন ও কাজে লাগানোর অভাবে পিছিয়ে গিয়েছে। নগর উন্নয়ন কাজে কিছু ঢোপকল ভেঙে ফেলা হয়েছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ. এইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের আন্তরিকতা ও ও সুশীল সামাজের দাবিতে ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বাকিগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এই ঢোপকলগুলো ভবিষ্যতের কাছে সাক্ষী হয়ে থাকবে।’

রাজশাহী ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মো. পারভেজ মাসুদ বলেছেন, ‘সময়ের সঙ্গে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় অনেকটাই পরিবর্তন এসেছে। ঢোপকলগুলোর কার্যকারিতাও এখন বিলুপ্তিতে। ওয়াসা যে ঢোপকলগুলো পানির রির্জাভার হিসেবে ব্যবহার করছিল। দীর্ঘ দিনের পুরোনো হওয়ায় সেখানে ব্যাকটেরিয়া ও জীবানুর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছিল। এতে যুগের চাহিদায় বিকল্প ভাবতে হচ্ছে। তবে ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে রাজশাহী নগরের দর্শনীয় স্থান, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জাদুঘরে ঢোপকলগুলো স্থানান্তর করা হচ্ছে।

এসএন

Header Ad

পিস্তল দেখিয়ে হুমকি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিস্তল দেখিয়ে গুলি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে রৌমারী থানায় অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিমন্ত্রীর প্রতিবেশী রৌমারীর বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভুক্তভোগী (আনোয়ার হোসেন) পৈতৃক জমির ৪৫ শতক দখল করে নেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাকির হোসেন লোকজন দিয়ে দখলকৃত জমির পাশে থাকা ভুক্তভোগীর বাকি জমিতে মাটি ভরাট করে দখল করার চেষ্টা করেন।

খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি ভরাটে বাধা দিলে জাকির হোসেন ক্ষিপ্ত হন। সাবেক প্রতিমন্ত্রী, তার স্ত্রী সুরাইয়া সুলতানা ও ছেলে সাফোয়াত আদি জাকির ভুক্তভোগীকে শাসান ও মারধর করতে উদ্যত হন। একপর্যায়ে জাকির হোসেন পিস্তল উঁচিয়ে আনোয়ার হোসেনকে গুলি করার হুমকি প্রদান করেন।

বিবাদীরা (জাকির হোসেন, তার স্ত্রী ও ছেলে) ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের লোকজনকে রাস্তাঘাটে একা পেলে মারধরের হুমকি দেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

এ বিষয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জমিটি অর্পিত সম্পত্তি ছিল। আমি আদালতের রায় পেয়েছি। সেটি আইনগতভাবে অবমুক্ত হওয়ার পর এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ করে দখল নিয়েছি। জমির দুই পাশে জনগণের চলাচলের রাস্তা রেখে সীমানা প্রাচীর দিয়েছি। প্রাচীরের নিচের ফাঁকা অংশে মাটি ভরাট করতে গেলে তারা (অভিযোগকারী) বাধা দেয়। এ সময় রাগারাগি হয়েছে। এ সময় তারা আমাকে গালিগালাজ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি দোতলায় ছিলাম। মেয়ে আমাকে নামতে দেয়নি। পিস্তল দেখাবে কী করে? তবে হ্যাঁ, আমার লাইসেন্স করা পিস্তল আছে। তবে সেটা দেখানোর জন্য না। তদন্ত করলে সত্য জানতে পারবেন।’

ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘তিনি (জাকির হোসেন) ভুয়া দলিল বানিয়ে আমার বাবার জমিকে অর্পিত সম্পত্তি দেখিয়ে নিজের পক্ষে একতরফা রায় নিয়েছেন। মন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এটা করেছেন। আমাদের জমি অর্পিত সম্পত্তিতে পড়ে না। আমাদের খাজনা, খারিজসহ সব বৈধ কাগজ আছে। কিন্তু তার ক্ষমতার কাছে আমরা টিকতে পারি না। জাকির হোসেন পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করার হুমকি দিয়েছেন। তার মেয়ে বাধা না দিলে তিনি পিস্তল নিয়ে তেড়ে আসতে ছিলেন।’

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লা হিল জামান বলেন, জিডি পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোপা আমেরিকায় প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং ইউরো ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ চলমান থাকা অবস্থায়ই গত ২১ জুন শুরু হয়েছে কোপা আমেরিকা। আর আজ সকালে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল।

এবারের আসরের জন্য অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দল গড়েছেন কোচ দরভাল জুনিয়র। তবে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে তরুণ সেলেসাওরা। কোস্টারিকার বিপক্ষে আজকের ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ব্রাজিল। ডি’ গ্রুপে আজ (২৫ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোরে শুরু হওয়া ম্যাচটিতে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ব্রাজিল।

শুরু থেকেই কোস্টারিকাকে চেপে ধরে ব্রাজিল। তবে তাদের একের পর এক আক্রমণ ভেস্তে যায় কোস্টারিকার রক্ষণদেয়ালের জন্য। ম্যাচজুড়ে একটি আক্রমণও না করা দলটির কাজ ছিল কেবল ব্রাজিলিয়ানদের আটকে রাখা। আর সেটিই করে দেখিয়েছে তারা। ড্র করে রুখে দিয়েছে সেলেসাওদের।

ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখে ব্রাজিল। তবে কোস্টারিকার রক্ষণভাগ দেয়ালের মতো বাধা দিতে থাকে তাদের। কোনোভাবেই এই রক্ষণভাগ ভেদ করতে পারছিল না তারা। ২২তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় লুকাস পাকুয়েতা। বাঁ দিক থেকে প্রতিআক্রমণে গিয়ে তার উদ্দেশে বল বাড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু বলটি ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি ওয়েস্ট হ্যামের এই মিডফিল্ডার।

৩০তম মিনিটে বল জালে পাঠায় ব্রাজিল। রাফিনিয়ার নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে রদ্রিগোর পাসে বক্স থেকে পায়ের স্পর্শে গোলটি করেন মার্কিনিয়োস। তবে লম্বা সময় ভিএআর চেকের পর সেটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ৪০তম মিনিটে বক্সে ভারগাসের ফাউলের শিকার হন পাকুয়েতা। তখন পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি সেটি দেননি।

বিরতির পরও একইভাবে আক্রমণ চালাতে থাকে ব্রাজিল। ৬৩তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত তারা। তবে পাকুয়েতার বুলেট গতির শটটি পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ৭২তম মিনিটে অল্পের জন্য নিজেদের জালে হেডে বল পাঠাননি কোস্টারিকা ডিফেন্ডার কুইরোস।

৭৯তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ব্রাজিল। সতীর্থের ক্রস বক্স থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন আরানা। তবে কোস্টারিকা গোলরক্ষক সেটি ঝাপিয়ে ঠেকিয়ে দেন। ৮৫তম মিনিটে সাভিওর শট ঠেকিয়ে দেন ভারগাস। ৮৭তম মিনিটে বক্সে রদ্রিগো ফাউলের শিকার হলে চতুর্থবারের মতো পেনাল্টির আবেদন করে ব্রাজিল। তবে এবারও গলেনি রেফারির মন।

যোগ করা সময়ে দারুণ এক সুযোগ পান রদ্রিগো। বক্সে আসা শট কোস্টারিকা ফুটবলারের পায়ে লেগে চলে যায় পাকুয়েতার কাছে। তার দেওয়া দারুণ পাস গোলরক্ষককে একা পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ব্রাজিল।

হজে গিয়ে ৪৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, দেশে ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮১৬ হাজি

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ পালন শেষে এ পর্যন্ত ১৪ হাজার ৮১৬ হাজি দেশে ফিরেছেন। মারা গেছেন ৪৭ জন। সোমবার (২৩ মে) রাতে হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি থেকে ৩৮টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ১৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ১৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে পুুরুষ ৩৬ এবং মহিলা ১১ জন।

এদিকে, আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, নির্ধারিত সংখ্যার মধ্যে কতজন সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর কতজন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাবেন তা বাংলাদেশ সরকার পরে নির্ধারণ করে দেবে।

সর্বশেষ সংবাদ

পিস্তল দেখিয়ে হুমকি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় জিডি
কোপা আমেরিকায় প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল ব্রাজিল
হজে গিয়ে ৪৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, দেশে ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮১৬ হাজি
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে ভারত
টাঙ্গাইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন মোটরসাইকেল আরোহী
সেমিতে যেতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১১৬ রান
রুনা লায়লার সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্ণ
কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আলোচিত পাপিয়া
ভোরে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে টিম টাইগার্স
আত্রাই বিলসুতি বিলে জব্দ করা ১৫ লক্ষ টাকার জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস
আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এডিসি জিসানুল বরখাস্ত
ভারতীয় বোর্ডকে শর্ত দিয়েছেন গম্ভীর, কোচ হলে ছাঁটাই হতে পারেন কোহলি-রোহিতরা
টাঙ্গাইলে ২০০ বস্তা চাল উদ্ধার, এক ব্যবসায়ীসহ ২ জন আটক
টাঙ্গাইলে কমতে শুরু করছে যমুনার পানি
১০ মাসে ১৩০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে বিদেশিরা: সংসদে অর্থমন্ত্রী
প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন বলেই খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন : আইনমন্ত্রী
রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল
তামিলনাড়ুতে বিষাক্ত মদপানে মৃত বেড়ে ৫৬
আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান মারা গেছেন
কৃষক বেঁচে থাকলে দেশে খাদ্যের অভাব হবেনা: খাদ্যমন্ত্রী