শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪ | ১২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

ব্রহ্মপুত্রের চরে আশার আলো ‘চর ভগবতীপুর উচ্চ বিদ্যালয়’

ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে দুর্গম চর এলাকা ভগবতীপুর। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের এই দুর্গম চরাঞ্চলে প্রায় ৫০০ পরিবার বসবাস করছে। এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তিনটি মাদ্রাসা রয়েছে কিন্তু ছিল না কোনো উচ্চ বিদ্যালয়। তাই প্রাথমিক পাসের পর এই চরের শিক্ষার্থীদের আর পড়াশুনা হতো না। জেলা প্রশাসনেসর উদ্যোগে এই চরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘চর ভগবতীপুর উচ্চ বিদ্যালয়’। চলতি বছর জানুয়ারি মাস থেকে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্য্যক্রম চালু করা হয়েছে। ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে ১৩০ জন শিক্ষার্থী। চারজন শিক্ষক পাঠদান করছেন। চরের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে আশার আলো জাগিয়েছে বিদ্যালয়টি।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে প্রায় ৪০০ চর রয়েছে। প্রত্যেক চরে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা রয়েছে। এতগুলো চরের মধ্যে মাত্র ৬টি চরে ৬টি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সপ্তম উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হলো চর ভগবতীপুরে। অধিকাংশ চরে উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি।

চর পার্বতীপুর এলাকার কৃষক আজগর আলী (৫০) বলেন, তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। পঞ্চম শ্রেণি পাস করার কিছুদিন পর মেয়ে দুটির বিয়ে দিয়েছেন। এক ছেলে তার সঙ্গে ক্ষেতে কাজ করছে। ছোট ছেলে গেল বছর প্রাথমিক পাস করেছে। চরে নতুন ভাবে গড়ে ওঠা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করেছেন। চরে উচ্চ বিদ্যালয়টি গড়ে না উঠলে হয়তো ছোট ছেলের পড়াশুনারও ইতি ঘটত। তিনি বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ছোট ছেলেকে কলেজ পর্যন্ত পড়াশুনা করাব। আগে যদি আমাদের চরে উচ্চ বিদ্যালয় গড়ে উঠত তাহলে আমার বাকি তিন ছেলে-মেয়ে কলেজে পড়াশুনা করার সুযোগ পেত।

এই চরের কৃষক নয়া মিয়া (৫৭) বলেন, চর থেকে মূল ভূ-খণ্ডে গিয়ে পড়াশুনা করা তাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য কষ্টকর। এ ছাড়া এটা ব্যয় বহুলও। তাই তাদের ছেলে-মেয়েরা প্রাথমিক পর্যন্ত পড়াশুনা করে আর পড়াশুনা করত না। আমাদের চরে নতুন একটি উচ্চ বিদ্যালয় হয়েছে। এটা আমাদের মাঝে আশার আলো জাগিয়েছে। এখন আমাদের ছেলে-মেয়েরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এই বিদ্যালয় আমাদের জন্য আশির্বাদ।

 

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী কোহিনুর আক্তার ও সুমি খাতুন বলে, চরে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা না হলে তার পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যেত। আমি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। এখন আমি উচ্চ শিক্ষা লাভের স্বপ্ন দেখছি। আমার বাবা-মাও আমাকে উচ্চ শিক্ষিত করতে আগ্রহী। চরে উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ না থাকায় আমার দুইজন বড় বোনের বাল্য বিয়ে হয়েছে।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রোজিনা আক্তার জানায়, মূল ভূ-খণ্ডে যাত্রাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল কিন্তু যাতায়াত ব্যবস্থা দুর্গম হওয়ায় সে সপ্তাহে একদিন বিদ্যালয়ে যেত। তাদের চরে বিদ্যালয় গড়ে উঠায় এখানে ভর্তি হয়েছে সে। এখন সে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে। এখন সে শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির আজীবন সদস্য ইউসুফ আলমগীর বলেন, চর ভগবতীপুর ছাড়া চর পার্বতী, পোড়ার চর, মাঝের চরসহ বিভিন্ন চরের শিক্ষার্থীরা এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীই বেশি। চর ভগবতীপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি চরাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত করতে আমরা নজর রাখছি এবং নজরদারি অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আমরা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে চারটি শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। ধীরে ধীরে অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

স্কুলের শিক্ষক ফারুক আহমেদ জানান, তারা স্বেচ্ছাশ্রমে পাঠদান করছেন। চরাঞ্চলে শিক্ষার আলো জ্বালাতে তারা নিবেদিত রয়েছেন। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জায়গা সংকুলান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অবকাঠামো আর বাড়ানো দরকার। তিনি বলেন, আমরা চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, তিনি বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। পাঠদানের অনুমতির জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। পাঠদানের অনুমতি পেলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। বিদ্যালয়টি যাতে দ্রুত এমপিওভুক্ত করা যায় সে ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করব।

চর ভগবতীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাসেদুল হাসান জানান, সরকারি আর্থিক সহায়তায় বিদ্যালয়টির জন্য ৪টি রুমে চর উপযোগী একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি এবং বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য একটি আর্থিক তহবিল গঠন করা হয়েছে। এমপি, জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়রসহ স্থানীয় অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সমাজের সবার পৃষ্ঠপোষকতা পেলে স্কুলটি আরও বিকশিত হবে। বিদ্যালয়টি চরাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে।

এসএন

Header Ad

বিটিভি ভবনে আগুন: বিএনপি নেতা এ্যানি ৭ দিনের রিমান্ডে

বিএনপি নেতা এ্যানি ৭ দিনের রিমান্ডে। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) রামপুরা ভবনে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা আক্তারের আদালত এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

এছাড়া গোলাম দস্তগীর প্রিন্স এবং এ বি এম খালিদ হাসানকেও সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইয়াসিন শিকদার আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

এ্যানির পক্ষে তার আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদসহ আরও অনেকেই রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত ২৫ জুলাই বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে নিউ এলিফ্যান্ট রোড থেকে এ্যানিকে আটক করা হয়।

রাত ১টার মধ্যে রাজধানীসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

ছবি: সংগৃহীত

রাত ১টার মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ১১টি অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বাংলাদে শ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদের রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচা পের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দে খিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আবু সাঈদের পরিবার

আবু সাঈদের পরিবার। ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় এসেছেন। আবু সাঈদের মা-বাবা ও ভাই শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে একটি মাইক্রোবাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আবু সাঈদের পরিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের দেখা করার সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যার বিচার, পরিবারের দায়-দায়িত্বসহ নানা বিষয়ে কথা বলতে রোববার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারা দেখা করবেন বলে জানা গেছে।

১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিছিলে অংশ নেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন তিনি। মিছিলের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাঁধে।

এ সময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার সেল, রাবার বুলেট ও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। আবু সাঈদ একাই দাঁড়িয়ে তা মোকাবিলার চেষ্টা করেন। পুলিশের সামনে বুক উঁচিয়ে দাঁড়ানো আবু সাঈদকে লক্ষ্য গুলি ছোড়ে পুলিশ। বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে আবু সাঈদ। তিনি ছিলেন দরিদ্র পরিবারের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তান। প্রবল ইচ্ছাশক্তিতে ৯ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন। অভাবের সংসারে অন্য ভাইবোনেরা লেখাপড়া করতে না পারলেও আবু সাঈদ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পাসের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। পুরো পরিবারের স্বপ্ন ছিল আবু সাঈদকে ঘিরে।

সর্বশেষ সংবাদ

বিটিভি ভবনে আগুন: বিএনপি নেতা এ্যানি ৭ দিনের রিমান্ডে
রাত ১টার মধ্যে রাজধানীসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আবু সাঈদের পরিবার
সমন্বয়কদের খোঁজে ডিবি কার্যালয়ে ১২ শিক্ষক, দেখা করেননি হারুন
অলিম্পিকের জন্য আঙুল কেটে ফেললেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা!
ডাটা সেন্টারের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন
চলতি সপ্তাহে খুলতে পারে প্রাথমিক বিদ্যালয়
প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, লজ্জায় কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা
রোববার থেকে মঙ্গলবার অফিস ৯টা-৩টা
করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪ দিন হাসপাতালে ছিলেন ববিতা
অপরাধটা কী করেছি, দেশবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন
আন্দোলনকারীদের ৮ দফার যৌক্তিক দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রী মেনে নেবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আমরা ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে: প্রতিমন্ত্রী পলক
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
সরকার পতনের দাবি নিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক বিএনপির
কোটা আন্দোলনের ৩ সমন্বয়কারীকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় ২২ বাংলাদেশিসহ ৫৯ অভিবাসী আটক
দেশবিরোধী জামায়াত, বিএনপি, ইউনূস গঙকে রুখে দিতে হবে: নৌপ্রতিমন্ত্রী
অলিম্পিক ইতিহাসে ভিন্নধর্মী উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপহার দিল ফ্রান্স
ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে কারাগারে আশ্রয় ফিলিস্তিনিদের