সারাবিশ্ব

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ


সারাবিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৫, ০৬:৩৮ পিএম

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক। ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশে ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন অগ্নিনির্বাপক বাহিনী, ইতোমধ্যেই পাঁচটি অঞ্চলজুড়ে ৪১টি বসতি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

তুরস্কের বনমন্ত্রী ইব্রাহিম ইউমাকলি জানিয়েছেন, ইজমিরের কুইউচাক ও দোগানবেয় এলাকায় দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতির দমকা হাওয়ার কারণে। আগুনের তীব্রতা এত বেশি যে টানা তৃতীয় দিনেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভাতে ১,০০০-এর বেশি কর্মী, অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টার, বিমান ও শতাধিক যানবাহন কাজ করে যাচ্ছে।

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশে ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন অগ্নিনির্বাপক বাহিনী, ইতোমধ্যেই পাঁচটি অঞ্চলজুড়ে ৪১টি বসতি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

তুরস্কের বনমন্ত্রী ইব্রাহিম ইউমাকলি জানিয়েছেন, ইজমিরের কুইউচাক ও দোগানবেয় এলাকায় দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতির দমকা হাওয়ার কারণে। আগুনের তীব্রতা এত বেশি যে টানা তৃতীয় দিনেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভাতে ১,০০০-এর বেশি কর্মী, অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টার, বিমান ও শতাধিক যানবাহন কাজ করে যাচ্ছে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে ইজমিরের আদনান মেনদেরেস বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত ঘটে রোববার, ইজমিরের সেফেরিহিসার ও মেন্দেরেস জেলার সীমান্ত এলাকায়। এরপর প্রবল বাতাসের কারণে দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকাগুলোতে।

প্রাদেশিক গভর্নর সুলেমান এলবান জানান, বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার (৭৫ মাইল), যা আগুন ছড়িয়ে পড়ার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। একই সময় ইজমির শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে গাজিমিরের একটি ল্যান্ডফিলে আরও একটি আগুন লাগে, যা পরে ছড়িয়ে পড়ে ওটোকেন্ট শিল্প অঞ্চলে। ওই এলাকায় রয়েছে বেশ কিছু গাড়ি উৎপাদনকারী কারখানা। স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, একটি কারখানায় আগুন জ্বলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দাবানলের বিস্তার ঠেকাতে অনেককে আশপাশের গাছ কেটে ফেলতে হয়েছে। উর্কমেজ গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, "আমাদের নিজেদের ঘরবাড়ি রক্ষার জন্য গাছ কাটতে বাধ্য করা হয়েছে।"

প্রসঙ্গত, ইজমিরসহ তুরস্কের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে দাবানল এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গ্রীষ্মকালের উচ্চ তাপমাত্রা ও শুষ্ক আবহাওয়া এই ধরনের দুর্যোগের মূল কারণ। গত বছরও একই এলাকায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল।

বর্তমানে ইজমিরসহ আশপাশের এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।