সারাবিশ্ব

দিল্লিতে ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১ হাজার, ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা


সারাবিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম

দিল্লিতে ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১ হাজার, ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে ভারতীয় ইউটিউবার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ ধ্রুব রাঠিসহ অন্তত ১ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার সকাল ১০টার দিকে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ওই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ধ্রুব রাঠির। তবে শনিবার ভোরে রাজধানী সংলগ্ন গুরুগ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সামনে রেখে যন্তর মন্তর এলাকায় সাত স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে পুলিশ। নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে যন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে শনিবার কনট প্লেস এলাকা থেকে ১৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে নয়াদিল্লি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ হাজার জনকে আটক করে পুলিশ। বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি নজরদারির জন্য বসানো হয়েছে ৩০০টিরও বেশি ক্যামেরা। বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ১২টি বন্দিশিবিরও প্রস্তুত করা হয়েছে।

সিজেপি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছিল। তবে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ, অতীতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিপুল জনসমাগমের কারণে নিরাপত্তাঝুঁকি এবং যান চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে পুলিশ।
এদিকে নয়াদিল্লিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার অধীনে সভা সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বিক্ষোভ ঘিরে নেওয়া কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন সিজেপির শীর্ষ সংগঠক অভিজিত দীপকে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন।

অভিজিত দীপকে বলেন, “আমাদের প্রতিবাদ শুরু হওয়ার আগেই মোদি পরাজয় মেনে নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক দমন পীড়ন এবং দিল্লিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলা, এসব কোনো শক্তির পরিচয় নয়, বরং নিজের দেশের মানুষের কাছে ভীত এক নেতার লক্ষণ।”
সূত্র, ইন্ডিয়া টুডে।