সোমবার, ২৭ মে ২০২৪ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘বর্তমান পরিস্থিতি অতিক্রম করে পূর্বের অবস্থায় ফেরার চেষ্টা করছি’

ড. ফা হ আনসারী। দেশের বৃহত্তম করপোরেট প্রতিষ্ঠান এসিআই (অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ) শিল্প গ্রুপের এসিআই মোটরস লিমিটেড, এসিআই এগ্রোলিংক, প্রিমিয়ারফ্লেক্স প্লাস্টিকস ও এসিআই এগ্রিবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। সুইজারল্যান্ডের কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিনজেনটায় চাকরি শুরু করে ৩৮ বছরের ব্যবধানে বর্তমানে এই পর্যায়ে এসেছেন তিনি।

কৃষি সেক্টর কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কৃষি শিল্পের রূপান্তর, কৃষিতে এসিআই কী অবদান রাখছে? ঢাকাপ্রকাশ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে কথা বলেছেন ফা হ আনসারী। গত রবিবার (২৮ আগস্ট) এসিআই এর তেজগাঁও অফিসে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ঢাকাপ্রকাশ-এর সিনিয়র রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম।

ঢাকাপ্রকাশ: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি আপনাদের ব্যবসায় কী ধরনের প্রভাব ফেলেছে?

ফা হ আনসারী: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। বর্তমানে দেশেও পেট্রোল, ডিজেলের দাম বেড়ে গেছে। এর প্রভাবে কারখানা চালাতে গিয়ে খরচ বেড়ে গেছে। কারণ ডিজেল দিয়ে কারখানা চালাতে হচ্ছে। ধানের দাম বৃদ্ধির কারণে চালের দাম বেড়ে গেছে। আমদানি খরচ বেড়েছে, উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। ধান ও গমের কারণে চাল, আটার দামও বেড়ে গেছে। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয়ও বেড়ে গেছে। সামগ্রিকভাবে দেশে সব জায়গায় প্রায় সব জিনিসের দাম বেড়েছে। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়ে একই অবস্থা। প্রায় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তাই আমাদের পণ্যের দামও কিছুটা বেড়েছে। সর্বসাকুল্যে যে মূল্যস্ফীতি হয়েছে তাতে আমাদের ব্যবসাকে হার্ড করছে। তার মানে এই নয় যে, আমাদের ব্যবসা কমে গেছে। বরং আমাদের ব্যবসা বেড়েছে। তবে লাভটা কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা ভয় পাই না। আমাদের টিমকে সেভাবে শক্তিশালী করছি। কাস্টমার বৃদ্ধির চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিকে অতিক্রম করে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছি। 

ঢাকাপ্রকাশ: এসিআই কীভাবে কৃষকদের সহায়তা করছে?

ড. ফা হ আনসারী: আমরা (এসিআই) কমপ্লিট এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন নিয়ে কাজ করি। ভ্যালু চেইনের মধ্যে টেকনোলজি, সিড, ফার্টিলাইজার, ক্রপ প্রটেকশন, অ্যানিম্যাল হেল্থ, গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের জন্য সিমেন উৎপাদন ও এক্সপোর্ট করছি। আমাদের ফ্লাওয়ারমিল, রাইসমিল করা হয়েছে। ফুড প্রসেস করি। এসব পণ্য স্থানীয়ভাবে বিক্রি করি। রপ্তানিও করি। আমাদের ‘স্বপ্ন’কে দেশের সবচেয়ে বড় রিটেইল শপিং সেন্টার করা হয়েছে। কমপ্লিট এগ্রিকালচার ও ফুড ভ্যালু চেইন নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষকের সম্পদ বৃদ্ধি করা। কৃষককে ফোকাস করা। বাংলাদেশের অর্ধেক মানুষ হচ্ছে কৃষক। তাই এসিআই দেশে সবচেয়ে বড় কোম্পানি হিসেবে কৃষকের সম্পদ বৃদ্ধিতে সব কিছু করার চেষ্টা করছে। এতে কৃষকের আরও উন্নয়ন হবে।

ঢাকাপ্রকাশ: এসিআই কীভাবে কৃষি থেকে শিল্পপণ্যে রূপান্তর করছে?

ড. ফা হ আনসারী: গত চার দশকে কৃষিতে একটি বিপ্লব সাধিত হয়েছে। এরফলে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। যেহেতু এ দেশের অর্ধেক মানুষ গ্রামে বাস করে। আমরা তাদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছি। যাতে কৃষি পণ্য উৎপাদন করে কৃষকরা লাভ করতে পারে। এতে কৃষকের খরচ কমে যায়। আমরা এক্সটেনশন ওয়ার্ক করি। আমাদের হাজার হাজার কর্মী মাঠে কাজ করছে। ডিজিটাল প্লাটফর্ম আছে। সব ফার্মারকে কানেক্ট করছি। কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে দেশের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের মাধ্যমে টেকনিক্যাল সহযোহিতা দিচ্ছি। কৃষকের দোড় গোড়ায় সব সেবা পৌঁছে দিচ্ছি। জমিতে বীজ উৎপাদন করছি। সারাদেশে আমাদের ১০ হাজারের বেশি কন্ট্রাক্ট ফার্মিং আছে। তারা আমাদের বীজ সরবরাহ করে। আমরা কৃষকের পণ্য কিনে প্রক্রিয়াজাত করে তা দেশের বাজারে বিক্রি করি, রপ্তানিও করি। আমরা কৃষকদের অ্যানিম্যাল হেল্থ, এগ্রিমেশিনারিজ সাপ্লাই দিই। ফার্মাসিউটিক্যিাল প্রডাক্ট, ভ্যাকসিনও সাপ্লাই দিই।

ঢাকাপ্রকাশ: করোনার প্রভাব কেটে বর্তমানে কোনো পর্যায়ে এসেছে এসিআই?

ড. ফা হ আনসারী: করোনা আমাদের ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। ১৩ হাজার কোটি টাকার টার্নওভার। আমাদের বেশির ভাগ কাঁচামাল আমদানি করা হয়। এ ছাড়া ডলারের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। ৮৬ থেকে বাড়তে বাড়তে ১১৮ টাকায় চলে এসেছে। এতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে।

ঢাকাপ্রকাশ: প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিপণ্য কীভাবে কৃষকের উপর প্রভাব ফেলেছে?

ড. ফা হ আনসারী: আমরা বাজারে পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে এসেছি। কৃষিযন্ত্রপাতিতে আমরা বাংলাদেশে প্রথম অবস্থানে। আমরাই বাংলাদেশে প্রথম কমবাইন্ড হারভেস্ট মেশিন নিয়ে এসেছি বাজারে। এর মাধ্যমে কৃষক বাড়িতে বসে দেখতে পায় কতটুকু জমির ধান কাটা হচ্ছে। কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না তা জানতে পারছে। সেচ পাম্পও কৃষকের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এভাবে প্রায় কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে কৃষকের কাছে। তাদের সমাধান দিচ্ছি। শুধু সসমাধান দিলে হবে না, তাদের সার্ভিসও দেওয়া হচ্ছে। প্রকৌশলীদের সেভাবে কন্ট্রাক্ট করে ৬ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাক্টর সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের সেভাবে সেবাও দেওয়া হচ্ছে। মোটরসইকেলের ক্ষেত্রে আড়াই ঘন্টার মধ্যে সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকাপ্রকাশ: নতুন আর কোনো পণ্য আনার উদ্যোগ নিয়েছেন কি?

ড. ফা হ আনসারী: আমরা কৃষি সেক্টরের জন্য নতুন করে আরও মেশিন আনার চিন্তাভাবনা করছি। এগুলো ট্রায়াল স্টেজে আছে। আমরা কনস্ট্রাটশনের মধ্যে ক্রেন, মিক্সার মেশিন বিক্রি করি। মেশিনারিজ ব্যবসার মধ্যে আমরা মোটরসাইকেল বিক্রি করি। তা উৎপাদনও করছি। এসিআই মোটরস নামে রাজেন্দ্রপুরে কারখানা আছে।

এনএইচবি/এসএন 

 

Header Ad

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন উপকূলের দেড় ১ কোটি পরিবার

ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর প্রায় দেড় কোটি গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। ফলে অনেক এলাকা ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা যাবত বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। ঝড় পুরোপুরি থেমে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছেন পল্লীবিদ্যুতের কর্মীরা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) পরিচালক (কারিগরি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার (২৭ মে) দুপুর ১২টা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ১ কোটি ৫৫ লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব কমে যাওয়ার পর দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে দিতে আমাদের কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এলাকায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে এর পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যানিং অ্যান্ড অপারেশন) বিশ্বনাথ শিকদার বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রচণ্ড ঝড় বয়ে যাওয়ায় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধিকাংশ গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। আরও কয়েকটি জেলায় আংশিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে হয়তো দেড় কোটি গ্রাহক এখন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছেন।

পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা বলছেন, উপকূলীয় কয়েকটি জেলার সাগর তীরবর্তী উপজেলাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জোয়ারে তলিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের লাইন চালু থাকলে জানমালের ক্ষতি হতে পারে। আবার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে, যা মেরামত করতে অন্তত ৭ দিন সময় লাগবে। এসব দিক বিবেচনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

কুমিল্লায় ভবন ধসে শ্রেণিকক্ষেই প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর

কুমিল্লায় ভবন ধসে শ্রেণিকক্ষেই এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লায় বিদ্যালয়ে ক্লাসরত অবস্থায় পার্শ্ববর্তী নির্মাণাধীন সাততলা ভবনের দেয়াল (লিংটার) ধসে সাইফুল ইসলাম সাগর (১২) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৭ মে) বেলা পৌনে ১১টার দিকে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াগাঁও চৌমুহনী এলাকায় নুর আইডিয়াল স্কুলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত স্কুলছাত্র সাইফুল ইসলাম সাগর ওই প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। সে শাকতলা এলাকার অলী আহমেদের ছেলে।

নূর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. আশিকুর রহমান বলেন, বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস চলছিল। হঠাৎ স্কুলের পূর্বপাশে নির্মাণাধীন একটি ভবনের ৭তলার দেওয়ালের একটি অংশ স্কুলের টিনের চালায় ভেঙে পড়ে। এতে স্কুলের চেয়ার-টেবিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ সময় ইটের আঘাতে সাইফুল ইসলাম সাগর গুরুতর আহত হয়। দ্রুত তাকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

প্রধান শিক্ষক আশিকুর রহমানের অভিযোগ, কোনো প্রকার সেফটি ছাড়াই ভবন কর্তৃপক্ষ নির্মাণকাজ চালাচ্ছিল। তাদের অবহেলার কারণেই আজ শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খাদেমুল বাহার জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হেরে গেলেন নিপুণ, শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদ ফিরে পেলেন ডিপজল

নিপুণ আক্তার এবং ডিপজল। ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজলের দায়িত্ব পালনে হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

সোমবার (২৭ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম হাইকোর্ট থেকে দেওয়া আদেশ স্থগিতের রায় দেন।

এর ফলে সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা রইল না। টিকল না সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তারের করা রিট। আইনি লড়াইয়ে ডিপজলের কাছে হেরে গেলেন তিনি।

নিপুণের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২০ মে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। সেই পদ ফিরে পেতে শনিবার চেম্বার আদালতে আবেদন করেন ডিপজল। সোমবার তিনি রায় পেলেন নিজের পক্ষে।

গত ১৫ মে নিপুণের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায় হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। তাতে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ আনার পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

সেই রিটের শুনানিতে গত ২০ মে ডিপজলের সাধারণ সম্পাদক পদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ। সেই সঙ্গে পরাজিত প্রার্থী নিপুণ আক্তারের অভিযোগ তদন্তের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশও দেন।

গত ১৯ এপ্রিল এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচন। ফলাফল ঘোষণা হয় পরদিন সকালে। তাতে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন মিশা সওদাগর। অন্যদিকে, নিপুণকে ১৬ ভোটে হারিয়ে সাধারণ সম্পাদক হন মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

সে সময় বিজয়ী প্রার্থীদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে অভিনন্দন জানান বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার।

এর প্রায় এক মাস পর হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। স্থগিত হয়ে যায় সাধারণ সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালন। চেম্বার আদালতের রায়ে আবার তা ফিরেও পেলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন উপকূলের দেড় ১ কোটি পরিবার
কুমিল্লায় ভবন ধসে শ্রেণিকক্ষেই প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর
হেরে গেলেন নিপুণ, শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদ ফিরে পেলেন ডিপজল
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধস: জীবিত সমাহিত দুই হাজারেরও বেশি মানুষ
বিএনপি সহযোগিতার নামে ফটোশেসন করে: ওবায়দুল কাদের
ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ১৯ উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: নিহত বেড়ে ১০
গোবিন্দগঞ্জে ৮ হাজার ৮৮৪ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
‘রেমালের কেন্দ্রভাগ বিকেলের মধ্যে ঢাকায় ঢুকবে’
ইরানের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন আহমাদিনেজাদ
ঢাকায় রেমালের প্রভাব, দমকা বাতাসের সঙ্গে ঝরছে বৃষ্টি
টাঙ্গাইলে ৪ লাখ ৯৩ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ‘ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল’
যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর তাণ্ডব, ১৫ জনের মৃত্যু
ঘূর্ণিঝড় রেমালে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৬ জনের মৃত্যু
বিভিন্ন খালে জাল ফেলে এখনও মেলেনি এমপি আনারের লাশ
ভয়াবহ ইসরাইলি হামলা, গাজায় নারী-শিশুসহ নিহত ৩৫
৪৫ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
উপকূল অতিক্রম করে দুর্বল হচ্ছে ‘রেমাল’
মধ্যরাতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জার্সি উন্মোচন
সরকার তারেককে ফিরিয়ে এনে অবশ্যই আদালতের রায় কার্যকর করবে: প্রধানমন্ত্রী