রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

অনলাইনও প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আসবে: তথ্যমন্ত্রী

যুগের প্রয়োজনে প্রেস কাউন্সিল আরও শক্তিশালী হবে এবং অনলাইন পত্রিকাগুলোও এর আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইন পত্রিকা ও পত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোকে আওতায় আনা ও প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাউন্সিলের সদস্যরাই কয়েক বছর ধরে অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে একটি খসড়া আইন চূড়ান্ত করেছেন।’

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে কাউন্সিলের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে কাউন্সিল চত্বরে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের সভাপতিত্বে প্রেস কাউন্সিল সদস্যদের মধ্যে মোজাফফর হোসেন পল্টু, ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং এমজি কিবরিয়া চৌধুরী সভায় বক্তব্য রাখেন।

প্রেস কাউন্সিলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত তুলে ধরে ড. হাছান বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার নেতৃত্বে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ রাষ্ট্র ন্যায়নীতি ও যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে পরিচালনা ও গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত গভীরে প্রোথিত করতে চেয়েছিলেন। সে কারণে সংবাদপত্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং একইসঙ্গে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা যাতে একটি জুডিশিয়াল বোর্ডের কাছে গিয়ে তাদের অনুযোগ উপস্থাপন করতে পারে সেই লক্ষ্যে তিনি এই প্রেস কাউন্সিল গঠন করেন।’

যুগের সঙ্গে গণমাধ্যমের বহুমাত্রিকতা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেস কাউন্সিল তার ৪৯ বছরের পথ চলায় দেশে সংবাদপত্রের সাথে জনগণের, পাঠকের সাজুয্য ঘটানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আজকে সংবাদমাধ্যম শুধু প্রিন্ট মিডিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যখন প্রেস কাউন্সিল গঠিত হয়েছিল তখন অনলাইন গণমাধ্যম ছিল না এবং এত সংবাদপত্রও ছিল না। ফলে প্রেস কাউন্সিল তার আইনানুসারে সংবাদপত্র ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রেস কাউন্সিলের বেশির ভাগ সদস্য সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতা এবং পত্রিকার সম্পাদক। তারাই এটি চূড়ান্ত করেছেন। কিন্তু খসড়া চূড়ান্ত হয়ে যখন আইন প্রণয়নের দিকে যাচ্ছিল তখন এর বিরোধিতা শুরু হয়েছে। সব দেশেই আইন সংশোধন করা হয়, অথচ বাংলাদেশে আইন যুগোপযোগী করতে গেলেই একটা পক্ষ এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়। আশা করি প্রকৃত সাংবাদিকরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসবেন।’

এমএমএ/

আবারো বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য

বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও নয় সদস্য।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বলিবাজার এলাকার ৭ বিজিপি ক্যাম্প দখলে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও বিজিপি সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে অনেকে নিহত ও আহত হয়। একপর্যায়ে বিদ্রোহীদের সামনে অপরাপর বিজিপি সদস্যরা টিকে থাকতে না পেরে বিজিপির অনেক সদস্য মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে গেলেও ৯ জন সদস্য বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে তাদের নিরস্ত্রীকরণ করেন এবং পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যরা বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তবে এই ৯ জনের মধ্যে ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন। তাদেরকে একটি অ্যাম্বুলেন্সযোগে আপাতত হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা রয়েছেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহাম্মদ জানান, সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য আমাদের টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে বলেই মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা অনুপ্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কোনো রোহিঙ্গা যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বিজিবি সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।

রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়

ছবি: সংগৃহীত

সময়টা ভালো যাচ্ছিলো না ইন্টার মায়ামির। শেষ পাঁচ ম্যাচের একটাতেও জিততে পারেনি তারা। শেষ ম্যাচে গোল করেও মেসি জেতাতে পারেননি দলকে। তবে আজ আর ভুল করেননি, গোল করে, করিয়ে মায়ামির ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে দিলেন তিনি।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে মেজর সকার লিগে কানসাস সিটির বিপক্ষে তাদের ঘরের মাঠে খেলতে নামে ইন্টার মায়ামি। দারুণ লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। এ জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে মায়ামি। ৯ ম্যাচে পয়েন্ট ১৫।

চোটের কারণে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। মন্তেরির বিপক্ষে কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের ম্যাচ দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরলেও সেদিন পুরোপুরি ছন্দে দেখা যায়নি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি ছিলেন উজ্জ্বল। তাতে আলোর মুখ দেখে মায়ামিও।

তবে কানসাসের মাঠে প্রায় ৭৩ হাজার দর্শকের সামনে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে মেসির মায়ামি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বাঁ প্রান্ত দিয়ে এরিক টমির গোলে এগিয়ে যায় এসকেসি। অবশ্য সমতায় ফিরতে খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি মায়ামিকে। মেসির সুবাদে দ্রুত ফেরে সমতায়।

ম্যাচের ১৮তম মিনিটে মেসির অসাধারণ অ্যাসিস্টে দলকে সমতায় ফেরান গোমেজ। এরপর আরো বেশকিছু আক্রমণ করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মায়ামি। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে তেমন কোনো জোরালো আক্রমণ না হওয়ায় সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু’দল।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। ৫১ মিনিটে গোলের দেখা পান বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। ডেভিড রুইজের কাছ থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে চোখ ধাঁধানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি মৌসুমে মায়ামির হয়ে ৫ ম্যাচে যা মেসির পঞ্চম গোল, সাথে আছে পাঁচ অ্যাসিস্টও।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মায়ামির। ৫৮ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলে কানসাসকে সমতায় ফেরান টমি। ২-২ সমতায় খেলা তখন জমে ক্ষীর। জয়সূচক গোলের জন্যে দুই দলই চালাতে থাকে একের পর এক আক্রমণ।

তবে সব সংশয় উড়িয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। ৭১ মিনিটে অবশ্য কানসাস সমর্থকদের উল্লাস থামিয়ে মায়ামিকে আবার এগিয়ে দেন তিনি। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেসির দল। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হলে এই ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে মায়ামি।

মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম। ছবি: সংগৃহীত

৩১ দিন পর সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ মুক্তি পেয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টা ৮ মিনিটের দিকে জাহাজ থেকে নেমে যায় দস্যুরা। এরপর জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এদিকে উদ্ধারের পরপরই জাহাজ মুক্ত করতে দস্যুদের কত টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে এবং কীভাবে এসব টাকা দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ওঠে। এ বিষয়ে রোববার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কেএসআরএমের কর্পোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয় মালিকপক্ষকে।

এ বিষয়ে কেএসআরমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম বলেন, আমি উদ্ধার প্রক্রিয়া হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে মনোনীত প্রতিনিধি। আমাদের সঙ্গে ওদের কনফারেন্সিয়াল অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে মুক্তিপণের বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। সেই অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী আমি আপনাদের সঙ্গে কিছু শেয়ার করতে পারব না। কারণ এটা আমি সই করেছি। উদ্ধার প্রক্রিয়ায় আমরা আমেরিকান নিয়ম মেনেছি এবং ইউকে (যুক্তরাজ্য) ও সোমালিয়ার নিয়ম মেনেছি। ফাইনালি কেনিয়ার নিয়মও মেনেছি। সবার সঙ্গে আমাদের অ্যাগ্রিমেন্ট করা আছে এ বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। তবে আমি আবার বলি, আমরা সবকিছু আইন মেনে করেছি।

তবে এ বিষয়ে জানা গেছে, জলদস্যুদের দাবি অনুয়ায়ী মুক্তিপণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেলে জিম্মি জাহাজের ওপর চক্কর দেয়। এসময় জাহাজের ওপরে ২৩ নাবিক অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর উড়োজাহাজ থেকে ডলারভর্তি ৩টি ব্যাগ সাগরে ফেলা হয়। স্পিডবোট দিয়ে এসব ব্যাগ জলদস্যুরা কুড়িয়ে নেয়। জাহাজে ওঠে দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ গুনে নেয় জলদস্যুরা। তবে চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি যথাসময়ে ছেড়ে দেয়নি দস্যুরা। পরে তারা আশেপাশে কেউ আটক করছে কি না সেটি নিশ্চিত হয়ে জাহাজটি থেকে দস্যুরা নেমে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে কেএসআরএম গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহরিয়ার জাহান রাহাত বলেন, আমাদের কাছে নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই, কোনো সামারিক অভিযানে পক্ষে আমরা সম্মতি দেইনি। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ কর্তৃক এমভি আবদুল্লাহকে উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনাকেও নিরুৎসাহিত করা হয়। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর পিছু নেওয়ার খবর জানার পর আমরা দ্রুত সরকারকে অবহিত করি। চট্টগ্রামের একাধিক মন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর পর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ এমভি আবদুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায় কেএসআরএম গ্রুপ।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

সর্বশেষ সংবাদ

আবারো বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য
রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়
মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা
ইরানের হামলার পর বাইডেন-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু
বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি: কেএনএফের আরও ৪ সদস্য কারাগারে
সালমান খানের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের গুলি
নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঙালির বর্ষবরণ
আজ রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
বিএনপি বাঙালির সংস্কৃতি সহ্য করতে পারে না: ওবায়দুল কাদের
৩১ দিন পর মুক্ত ২৩ নাবিক ও জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ
আজ পহেলা বৈশাখ, চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
চাঁদপুরে যুবকের পায়ুপথে ৬ ইঞ্চি ডাব, অস্ত্রোপচারে অপসারণ
ঈদের আনন্দে যমুনার পাড়ে বিনোদন প্রেমীদের ঢল
চালের বস্তায় লিখতে হবে ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য
আজ চৈত্র সংক্রান্তি