জাতীয়

অসাধু ব্যবসায়ীরা তেল মজুদ করায় পাম্পে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে: জ্বালানি মন্ত্রী


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

অসাধু ব্যবসায়ীরা তেল মজুদ করায় পাম্পে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে: জ্বালানি মন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে তেলের মজুদ ও কালোবাজারি করছে। ফলে দেশের পাম্পগুলোতে কৃত্রিম তেল সংকট তৈরি হচ্ছে।  

আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জ্বালানি মন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। 

মন্ত্রী বলে, মোটরবাইকে ২০০ টাকার ফুয়েল প্রদান বা রং লাগানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। তবে প্যানিক বায়িং ও মজুদ প্রবণতার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের এমন বক্তব্য যথার্থ। 

জ্বালানি মন্ত্রী আরও বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে। প্রতিদিন অবৈধ মজুদদারকে নিয়োগকৃত ম্যাজিস্ট্রেটগণ কর্তৃক আইনের আওতায় এনে জেল জরিমানা প্রদান করা হচ্ছে। মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত আছে। এছাড়া, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এ পর্যন্ত নয় হাজার ১১৬টি অভিযানে তিন হাজার ৫১০টি মামলা করে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ০৯ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় হয়েছে এবং ৫ লক্ষ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার হয়েছে।

তিনি বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিপণনে অধিকতর স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা-শেষে সফল হলে সারা দেশব্যাপী তা বাস্তবায়ন করা হবে। উক্ত ফুয়েল কার্ডে গ্রাহকদের জ্বালানি তেল সংগ্রহের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।