বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

অর্থনৈতিক পলিক্রাইসিস রোধ করাই বড় চ্যালেঞ্জ

আমি মনে করি, যেকোনো অর্থনীতিরই ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক রয়েছে একইসঙ্গে সবসময়ই কিছু সমস্যা রয়েছে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খুব সহজে চাঙা হয়ে যাবে এমনটি ভাবা অস্বাভাবিক। অবশ্যই আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমরা জানি, লম্বা একটি সময় করোনা মহামারির করণে অর্থনীতিতে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে।

অনেক প্রতিষ্ঠান শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। যেহেতু অনেক বড় একটা সময় আমরা নাজুক অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছি, সেটি থেকে উদ্ধার হতে না হতেই ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। দুনিয়া জুড়েই এই যে একটি পলি-ক্রাইসিস অবস্থা যেমন, শিক্ষা ক্ষেত্রসহ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এই বন্ধ থাকা সময়গুলোতে যে ক্ষতি হয়েছে সেটি পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও আমি বলব, বাংলাদেশ অন্যতম দেশ যেখানে এই সময়েও ইতিবাচক অবস্থানে আছি আমরা।

বর্তমানে সারা দুনিয়া জুড়েই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এর বিভিন্নমুখী ফলাফল আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের দরিদ্র সীমা কমে গেলেও কিন্তু অন্যরকম কিছু সমস্যাও দেখা দিয়েছে। অনেক বেশি দরিদ্র মানুষের জন্য অনেক সাহায্য সহযোগিতা হয়তো আছে। কিন্তু যে মানুষটি এত বেশি গরিব না কিন্তু এত বেশি উপরেও উঠতে পারছে না, কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছে, সেইসব পরিবার, যারা হয়তো আপনার বাসায় এসে সাহায্য চাইবে না, মুখ ফুটে কথা বলবে না, তাদেরকে আমাদের দেখতে হবে। যেমন-তাদের স্বাস্থ্য খাতে যদি খরচ কম হয়, তার সন্তানের স্কুলের বেতন যদি কিছুটা কমিয়ে দেওয়া যায় অথবা কোচিংয়ের বেতন কম হয় তাহলে তাদের জন্য আমি কী করছি? তাদের জন্য কম খরচে কোয়ালিটি শিক্ষা দেওয়া যায়, তা ছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলে যদি আমরা পাবলিক সার্ভিস দিতে পারি, যেমন যেখানে মশার উপদ্রব আছে, সেখানে মশার ওষুধ বেশি দেওয়া যদি হয়, যেখানে রোগ বালাই কম হয়, তাকে একটু রাস্তাঘাট করে দেওয়া যায়, যেন সে শহরে গিয়ে খুব সহজে সবজি বিক্রয় করতে পারে এ রকম কিছু ভাবনা এখন আমাদের ভাবতে হবে। অর্থাৎ একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা যদি করে দেওয়া যায়, তাহলে ওরা আমাদের সঙ্গে একটা প্রতিযোগিতায় আসতে পারবে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকটি ইতিবাচক দিক আছে, যেটি নিঃসন্দেহে ভালো। অর্থনৈতিক সংকট বলতে আমরা কিছুটা চাপের মধ্যে আছি। তবে আমি সেটিকে ঠিক ভারসাম্যহীনতা বলতে চাই না। আমরা যে চাপের মধ্যে আছি, সেক্ষেত্রে খাদ্য সংকটের ভয় আছে বলে আমি মনে করছি না। আমরা যেহেতু প্রধান খাদ্যদ্রব্য নিজেরা উৎপাদন করছি। সাধারণ মানুষ যেহেতু মূল্যস্ফীতির একটি চাপের মুখে আছে, জ্বালানি সংকট সাধারণ মানুষের মধ্যে চাপ আরও বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে আমাদের দ্রুত জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা উচিত। সেটি মোকাবিলা করতে হলে আমাদের তেলের সরবরাহ ঠিক করতে হবে এবং তা সঠিকভাবে ব্যবহারে মনযোগ দিতে হবে।

আমাদের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি হয়েছে এটি খুবই ভালো দিক। আমাদের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে কোভিডের পরে মানুষজন ব্যাপকহারে বাইরে যেতে পারছে না। সেটি মাত্র গত এক বছর ধরে যাচ্ছে। তা ছাড়া বিদেশ গিয়েই তো আর মানুষ সঙ্গে সঙ্গে টাকা পাঠায় না। তবে সামনে আমাদের রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়বে। সেইটুকু সময় পর্যন্ত অর্থাৎরেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাওয়া পর্যন্ত এখন যে সংকট আমরা মোকাবিলা করছি, সেজন্য আমাদের কিছুটা স্ট্র্যাটেজিক হতে হবে। অপচয় রোধ করতে হবে।সেক্ষেত্রে আমাদের স্ট্র্যাটেজিক ইউটিলাইজেশন হতে হবে। আমাদের কৃষি উৎপাদন, শিল্প উৎপাদন যেখানে তেলের সরবরাহ দরকার সেখানে ব্যবহার বাড়াতে হবে।

আমি মনে করি, আমাদের ইকোনোমিক জোনগুলো বাস্তবায়নের দিকে যেতে হবে। কাজেই ইকোনোমিক জোনগুলোতে লং টার্মে, মিডিয়াম টার্মে জোনসমূহ বাস্তবায়নে মনযোগ দিতে হবে। যেকোনো অর্থনৈতিক সংকট আমাদের জন্য যেন বিপর্যয় নিয়ে না আসে সেজন্য আমাদের শিল্প উৎপাদন বাড়াতে হবে।

ড.নাজনীন আহমেদ: অর্থনীতিবিদ

Header Ad

শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের হাতে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের অশুভ শক্তির হাতে। তাই পরিস্থিতি মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ চুপ থাকতে পারে না বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশীয় অস্ত্রও নিয়ে কেনো রাস্তাঘাট দখল করবে, সহিংসতা করবে। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব অশুভ শক্তির হাতে চলে গেছে। এই অবস্থায় আমরা চুপ থাকতে পারি না। আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। আমাদের অস্তিত্বের ওপর হুমকি এসেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান।

পত্রিকার শিরোনাম উল্টো কথা বলছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছে তারা ছাত্রলীগের কর্মী। তাদেরকে আক্রমণ করেছে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি। পত্রিকার শিরোনামে এসব আসেনি। সহকারী প্রক্টরকে যেভাবে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে, সেটা গণমাধ্যমে আসেনি। গণমাধ্যম সত্য ঘটনা তুলে ধরবে, সেটাই আমরা চাই।

দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের সারা দেশের প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে আমাদের নেত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশ দিচ্ছি, সারা দেশে সতর্ক হয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে এই অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। কোনো অপশক্তির সঙ্গে আপস করা যাবে না।

এসময় আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ করে কাদের বলেন, আইনের পাশে থাকুন। আদালতের নির্ধারিত তারিখে শুনানির জন্য অপেক্ষা করুন। ধৈর্য ধরেন। ফাঁদে পা দেবেন না অপশক্তির। আমরা তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করি।

এ সময় আত্মবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন, শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কাউকে পরিচয়পত্র দেখানো ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র ও জনতার ব্যানারে গায়েবানা জানাজা কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন। জানাজার পর তাঁরা সেখানেই অবস্থান করছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শাহবাগ থেকে বের হওয়ার সময় তাঁদের মুঠোফোন তল্লাশি করা এবং মারধর করতেও দেখা গেছে। বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার মধ্যে অন্তত তিনজনকে মারধর করা হয়। তাঁদের দুজনকে পুলিশ রক্ষা করে। এজন দৌড়ে শাহবাগ থানার মধ্যে ঢুকে যান।

আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি আজ সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে সব আবাসিক শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবশ্য আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা হল ছাড়ার নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করে। তাঁদের ধরে ধরে মারধর করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার সারা দেশে আন্দোলনকে কেন্দ্র হামলা, সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় ছয়জন মারা যান, যার মধ্যে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীও আছেন। গতকাল রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাদের কক্ষ ভাঙচুর করেন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

আজ ক্যাম্পাসে ঢুকতে গেলে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র যাচাই করা হচ্ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া বহিরাগত কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না।

বেলা দুইটার পর ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বেশিসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকা এবং উপাচার্যের বাসভবনের সামনে। উপাচার্যের বাসভবনের সামনেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন।

এর আগে দুপুরে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকদের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে একটি সমাবেশ হয়। সূত্র: প্রথমআলো

 

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল সারাদেশ। চলছে হামলা, পাল্টা হামলা। সারাদেশের মতো এবার নওগাঁর পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার সান্তাহারে শুরু হয়েছে কোটা সংস্কারের আন্দোলন। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেন ২ ঘণ্টা আটকিয়ে দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার সান্তাহার বিপি স্কুল থেকে শুরু করে পৌর শহরের সরকারি কলেজ হয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র এসে ঘণ্টাব্যাপী বিভিন্ন দাবি তুলে স্লোগান দেয় তারা। এরপর সকাল ১১টায় তারা রেললাইনের উপর বসে পড়ে। এতে ট্রেনটি থেমে যায়।

সান্তাহারে রেললাইন অবরোধ করে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা সকলে মেধার মূল্যায়ন চাই। এই মেধার মূল্যায়ন চাইতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ভাইবোনদের উপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের ছেলেরা। তাদের হামলার কারণে আহত হয়ে অনেক ভাই মৃত্যু বরণ করেছে। আমরা আর কোনো ভাই-বোনদের হারাতে চাই না। সেই কারণে সারাদেশে চলমান ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মতো আমরাও রাস্তায় নেমেছি। প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে যতোদিন মেধার মূল্যায়ন করা না হবে ততোদিন পর্যন্ত। সেই সাথে সরকারের কাছে অনুরোধ দ্রুত কোটা সংস্কার করা হোক।

শিক্ষার্থীরা সান্তাহার জাংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করছে। এমন সংবাদে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজ ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান পিন্টু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। তাদেরকে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে চলে গেলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। অপরদিকে এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রায় ২০জন আন্দোলনরত শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ প্রসঙ্গে আদমদিঘী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজেশ কুমার চক্রবর্ত্তী ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, সারাদেশে যে আন্দোলন চলছিল তার ধারাবাহিকতায় সান্তাহারে শিক্ষার্থীরা আজ সকাল থেকে আন্দোলন শুরু করে। শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু হঠাৎ করে রেল লাইনের উপর শিক্ষার্থীরা বসে পড়ে। এরপরে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। আমরা সকলের প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

একইভাবে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করছি দাবি করে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তার হোসেন ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, আমরা যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে আছি। শিক্ষার্থীদের বুঝানোর চেষ্টা করছি। যেকোনো সময় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি দাবি করেন।

সর্বশেষ সংবাদ

শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের হাতে: ওবায়দুল কাদের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন, শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগ
সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান
জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কোটা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ
এবার ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামের কক্ষ ভাঙচুর
তিস্তায় ভেসে এলো ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর লাশ
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের রুমে ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
কোটা আন্দোলন: হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু
গভীর রাতে বোরখা পরে পালিয়েছেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
ইউজিসি কি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে পারে, প্রশ্ন ঢাবি অধ্যাপকের
রক্তপাত বন্ধের আহ্বান হৃদয়-শরিফুলের
স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের ২ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করবে আন্দোলনকারীরা
পবিত্র আশুরা আজ
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ