খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে ৫৮২ বিশিষ্ট নাগরিকের আহ্বান

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:২৩ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:১৩ পিএম


খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে ৫৮২ বিশিষ্ট নাগরিকের আহ্বান
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দেশের ৫৮২ জন বিশিষ্ট নাগরিক আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক যুক্ত বিবৃতিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। ৯ আগষ্ট অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। দেশে চিকিৎসা দেওয়ার মতো আর কিছু বাকি নেই। তাকে বাঁচাতে হলে বিদেশে অ্যাডভানস সেন্টারে নিয়ে ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন। তাই আমরা সরকারকে রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁকে অবিলম্বে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগের আহ্বান জানাই।’

এতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বয়স এখন ৭৮ বছর। সরকারের বিশেষ অনুমতিতে তিনি এখন নিজ বাসভবনে বন্দি অবস্থান করছেন। নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। চার বছর তাঁর যথাযথ কোনো চিকিৎসা হয়নি। কারাগারে তিনি অনেক নতুন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। হার্টের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, কিডনি ও চোখের সমস্যা ছাড়াও পুরনো আর্থ্রাইটিস ও কভিড-১৯ জটিলতায় তার শারীরিক অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান সাংবাদিকদের কাছে তার অসুস্থতার যে বিবরণ দিয়েছেন তা খুবই উদ্বেগজনক। আমরা মনে করি, দেশের একজন শীর্ষ রাজনীতিক, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বয়োজেষ্ঠ নাগরিক, একজন নারী হিসেবে উপরন্তু একজন জেলবন্দি ব্যক্তির যথাযথ সুচিকিৎসা পাওয়া ন্যূনতম মানবাধিকারের অংশ। আমরা তাই আদালতের মাধ্যমে তাকে স্থায়ী জামিনে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. আফম ইউসুফ হায়দার, অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, প্রফেসর ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. তাসমেরি এসএ ইসলাম, প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন মিয়া, সাংবাদিক ড. রেজোয়ান হোসেন সিদ্দিকী, ডা. আবদুল আজিজ, প্রফেসর ডা. গাজী আবদুল হক, সাংবাদিক এমএ আজিজ, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, সাংবাদিক কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক এম. আবদুল্লাহ, সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী, সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, সাবেক সচিব আবদুল হালিম, ইসমাইল জবিউল্লাহ, আবদুর রশিদ সরকার, বিজন কান্তি সরকার, ডা. সৈয়দা তানজিন ওয়ারিশ সিমকী, মুহম্মদ জকরিয়া, সাংবাদিক মোরসালীন নোমানী, প্রফেসর ডা. আবদুল কুদ্দুস, প্রফেসর ডা. একেএম আজিজুল হক, প্রকৌশলী আনহ আকতার হোসেন, প্রফেসর ডা. হারুন আল রশিদ, ডা. আবদুস সালাম, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, প্রকৌশলী আলমগীর হাসিন আহমেদ, কৃষিবিদ রাশিদুল হাসান হারুন, কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান, প্রফেসর ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আশরাফ উদ্দিন উজ্জল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিকুল ইসলাম, কৃষিবিদ গোলাম হাফিজ কেনেডি, প্রফেসর ড. শামসুল আলম সেলিম, প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. কামরুল আহসান, প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, সাংবাদিক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক খুরশীদ আলম, নূরুদ্দীন নুরু, আমিরুল ইসলাম কাগজী, অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, অধ্যাপক ড. আব্দুল করিম, অ্যাডভোকেট আবদুল জব্বার ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী, অ্যাডভোকেট শামীম আখতার, অ্যাডভোকেট আবদুল খালেক মিলন, অ্যাডভোকেট জহিরুল হাসান মকুল, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, অধ্যাপক ড. মো. আল আমিন, অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী, অধ্যাপক ড. এসএম নসরুল কাদির, অধ্যাপক ড. খন্দকার এমামুল হক (সানজিদ), অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক ড. সাব্বির মোস্তফা খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. গোলাম হাফিজ কেনেডি, অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম, অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুর রাজ্জাক, একেএম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপোলো, অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, অধ্যাপক ড. এআরএম মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেসবাহ, অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম তালুকদার, অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, ড. আ ন ম ফজলুল হক সৈকত, অধ্যাপক ড. এমএম শরিফুল করিম, ড. শেখ মনির উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার, অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, ড. শাকিরুল ইসলাম খান শাকিল, অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান (মুক্তা), অধ্যাপক ড. মো. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানি, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম, দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম রুবেল, অধ্যাপক ড. আবু জাফর খান, অধ্যাপক ড. এটিএম জাফরুল আযম, অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন সরকার, অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম, খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহিম (সাজিদ), অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ শের মাহমুদ, অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত, মো. তানজিল হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল খালেক ও অধ্যাপক ড. মো. সায়েফ উল্লাহ, মো. আল আমিন, ড. মো. সাইফুল আলম, ড. আলী মো. কাওসার, অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম, মো. শাহ শামীম আহমেদ ও অধ্যাপক মো. মনিনুর রশিদ, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা , অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম জাহিদ, অধ্যাপক ড. নাসিফ আহসান, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মেজবাহুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক তানভীর আহসান, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আসহাবুল হক, অধ্যাপক ড. মো. আলী হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুর-উল-হায়দার, অধ্যাপক ড. এসএম হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান তালুকদার (তুষার), ড. মো. নাজমুল হোসেন, অ্যাডভোকেট এম এ বারী, কৃষিবিদ প্রফেসর ড. একে ফজলুল হক ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হালিম, ডা. আজফারুল হাবিব রোজ, ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুর মোরশেদ, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ডা. আমান উল্লাহ, ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, ডা. বজলুল গনি ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. মো. ইসরাফিল রতন, প্রফেসর ড. সাবরিনা শাহনাজ, অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক, অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার (টফি), অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির, অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভুইয়া, অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক মো. সাজেদুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. মেহেদী মাসুদ, অধ্যাপক খন্দকার মোহাম্মদ শরিফুল হুদা, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান, অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস, অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. দিলিপ কুমার বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসান (মুকুল), অধ্যাপক মো. আলমগীর হোসেন, অধ্যাপক ড. এসএম হেমায়েত জাহান, অধ্যাপক ড. মতিয়ার রহমান, অধ্যাপক ড. শেখ মো. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, মুহাম্মদ জাকারিয়া, অধ্যাপক ড. সাইফুল হুদা, অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির ভুইয়া, অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. একেএম মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. মো. আবু জুবায়ের, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম, অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, অধ্যাপক ড. রেজওয়ান আহমদ, অধ্যাপক ড. শেখ সিরাজুল হাকিম, অধ্যাপক আ ফ ম জাকারিয়া, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, প্রফেসর ডা. মো. শহিদ হাসান, ডা. রফিকুল কবির লাবু, ডা. আব্দুস সালাম, ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, ডা. হারুন অর রশিদ, ডা. এ এ গোলাম মর্তুজা হারুন, ডা. সরকার মাহাবুব আহমেদ শামীম, ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম, ডা. আজিজ রহিম, ডা. শামিমুর রহমান, ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস, ডা. ওয়াসিম হোসেন, ডা. শাহারিয়ার হোসেন চৌধুরী, ডা. শাহ মোহাম্মদ শাহাজান আলী, ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডা. রফিকুল হক বাবলু, ডা. এম এ সেলিম, ডা. মো. জসিম উদ্দিন, ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ডা. খালেকুজ্জামান বাদল, ডা. তমিজউদ্দিন আহমেদ, ডা. আকমল হাবিব চৌধুরী, ডা. মোফাখখারুল ইসলাম, ডা. আজফারুল হাবিব রোজ, ডা. এ কে এম মুসা শাহিন, ডা. কামরুল হাসান সরদার, ডা. শামসুজ্জামান সরকার, ডা. বি গনি ভূইয়া, ডা. শরিফুল ইসলাম বাহার, ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, ডা. পরিমল চন্দ্র মল্লিক, ডা. শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, ডা. শেখ আক্তারুজ্জামান, ডা. তৌহিদুর রহমান ববি, ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম, ডা. আমিরুজ্জামান খান লাভলু, ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. নাসির উদ্দিন পনির, ডা. মো. খায়রুল ইসলাম, ডা. সৈয়দা তাজনিন ওয়ারিশ সিমকি, ডা. সুমন নাজমুল হোসেন, ডা. কাজী মাজাহারুল ইসলাম দোলন, ডা. সামিউল হাসান বাবু, ডা. মো. জাকির হোসেন, ডা. আব্দুস শাকুর খান, ডা. মারুফ বিন সাইদ, ডা. মো. শাহাদাৎ হোসেন, ডা. কামাল উদ্দিন, ডা. জিয়াউল করিম জিয়া, ডা. মাসুম আক্তার চন্দন, ডা. মো. আজহারুল ইসলাম, ডা. সায়েফ উল্লাহ, ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ডা. আবুল কেনান, ডা. এ বি এম ছফিউল্লাহ, ডা. মো. মজিবুল হক দোয়েল, ডা. এম এ কামাল, ডা. সাইফুদ্দিন নিসার আহমেদ, ডা. রেজাউল আলম নিপ্পন, ডা. এ টি এম ফরিদ উদ্দিন, ডা. হাসান জাফর রিফাত, ডা. রেহান উদ্দিন খান, ডা. গোলাম সারোয়ার বিদ্যুৎ, ডা. মো. নজরুল ইসলাম, ডা. মো. শহিদুল হাসান (বাবুল), ডা. ইমদাদুল হক ইকবাল, ডা. শফিউল্লাহ ঝিন্টু, ডা. হাসনাত আহসান সুমন, ডা. তৌহিদ সিকদার, ডা. মিজানুর রহমান কাউসার, ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, ডা. ফাওয়াজ হোসেন শুভ, ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি, ডা. ডি এম এম ফারুক ওসমানী খোকন, ডা. সৈয়দ মাহতাবুল ইসলাম, ডা. শেখ ফরহাদ, ডা. মেহেদী হাসান, ডা. দিদারুল আলম, ডা. তৌহিদুল ইসলাম, ডা. মো. ওয়াসীম, ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা, ডা. জিয়াউল ইসলাম, ডা. শাকিল আহম্মেদ, ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামিম, ডা. আবু আহসান ফিরোজ, ডা. ফরহাদ হোসেন চৌধুরী, ডা. ফারুখ হোসেন, ডা. আদনান হাসান মাসুদ, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ডা. আলমগীর কবির উজ্জল, ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ মোস্তফা, ডা. রিদওয়ানুল ইসলাম, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. মো. হারুন উর রশিদ খান রাকিব, ডা. মো. সামছুল আলম, ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন, ডা. মোহাম্মদ ইসহাক, ডা. এ এস এম আতিকুর রহমান, ডা. সামিউল আলম সুহান, ডা. গাজী মো. শাহিন, ডা. আবু হেনা হেলাল উদ্দিন, ডা. নজরুল ইসলাম আকাশ, ডা. মুরাদ হোসেন, ডা. শহিদুল ইসলাম, ডা. এ এস এম নওরোজ, ডা. শাহ মো. আমান উল্লাহ, ডা. আ খ ম আনোয়ার হোসেন মুকুল, ডা. মো. ইদ্রিস আলী, ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু, ডা. জাহিদুল কবির, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. মো. আল মামুন, ডা. নাফিজ ইমতিয়াজ শিপলু, ডা. খালেকুজ্জামান দীপু, ডা. একরামুল রেজা টিপু, ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল, ডা. জাভেদ আহমেদ, ডা. তাজুল ইসলাম লোহানী, ডা. মো. আবু সায়েম, ডা. মো. সায়েম, ডা. সাইফুল আলম রনজু, ডা. তালুকদার তরিকুল ইসলাম আয়াস, ডা. ফারুক আহম্মদ, ডা. সৈয়দ ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, ডা. মতিউর রহমান আজাদ, ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, ডা. এরশাদ হাসান সোহেল, ডা. মনোয়ার সাদাত, ডা. মো. সাজ্জাদুর রহমান, ডা. কাজী মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, ডা. এস এম এ মাহাবুব মুন্না, ডা. মো. ফখরুজ্জামান, ডা. আনোয়ারুল ইসলাম, ডা. আহমেদ সামি আল হাসান ইমন, ডা. মো. জাবেদ হোসেন, ডা. হাসানুল আলম শামীম, ডা. মো. আসলাম উদ্দিন, ডা. মো. সফিউল আলম ডেভিড, ডা. শরিফ আহমেদ, ডা. এস এম আকরামুজ্জামান, ডা. আবু নাসের, ডা. মো. আল আমিন, ডা. মো. আসিফুর রহমান, ডা. আবুল কালাম মো. ইউসুফ শিবলি, ডা. ফকির ওয়ালিদ শাহ্, ডা. সাইফুল ইসলাম শাকিল, ডা. শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল, ডা. দেলোয়ারা খানম পান্না, ডা. রোকনুজ্জামান রুবেল, ডা. মো. আব্বাস উদ্দিন, ডা. মনিরুল ইসলাম চয়ন, ডা. মো. মমিনুল হক, ডা. গালিব হাসান, ডা. নাভিদ মোস্তাক ও ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম, অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, অধ্যাপক ড. মো. আল আমিন, অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী, অধ্যাপক ড. এসএম নসরুল কাদির, অধ্যাপক ড. খন্দকার এমামুল হক (সানজিদ),অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক ড. সাব্বির মোস্তফা খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. গোলাম হাফিজ কেনেডি, অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম, অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুর রাজ্জাক, একেএম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপোলো, অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, অধ্যাপক ড. এআরএম মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম তালুকদার, অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, ড. আ ন ম ফজলুল হক সৈকত, অধ্যাপক ড. এমএম শরিফুল করিম, ড. শেখ মনির উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ,অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার,অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, ড. শাকিরুল ইসলাম খান শাকিল, অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান (মুক্তা), অধ্যাপক ড. মো. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানি, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম, দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম রুবেল, অধ্যাপক ড. আবু জাফর খান, অধ্যাপক ড. এটিএম জাফরুল আযম, অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন সরকার, অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম, খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহিম (সাজিদ), অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ শের মাহমুদ, অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত, মো. তানজিল হোসেন,অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল খালেক, অধ্যাপক ড. মো. সায়েফ উল্লাহ, মো. আল আমিন, ড. মো. সাইফুল আলম, ড. আলী মো. কাওসার, অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম, মো. শাহ শামীম আহমেদ, অধ্যাপক মো. মনিনুর রশিদ, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান ,অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম জাহিদ, অধ্যাপক ড. নাসিফ আহসান, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মেজবাহুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক তানভীর আহসান, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন ,অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আসহাবুল হক, অধ্যাপক ড. মো. আলী হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুর-উল-হায়দার, অধ্যাপক ড. এসএম হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান তালুকদার (তুষার), ড. মো. নাজমুল হোসেন, মো. ইসরাফিল রতন, সাবরিনা শাহনাজ, অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক, অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার (টফি), অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির, অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভুইয়া, অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক মো. সাজেদুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. মেহেদী মাসুদ, অধ্যাপক খন্দকার মোহাম্মদ শরিফুল হুদা, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান, অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস, অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. দিলিপ কুমার বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসান (মুকুল), অধ্যাপক মো. আলমগীর হোসেন, অধ্যাপক ড. এসএম হেমায়েত জাহান, অধ্যাপক ড. মতিয়ার রহমান, অধ্যাপক ড. শেখ মো. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, মুহাম্মদ জাকারিয়া, অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. সাইফুল হুদা, অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির ভুইয়া, অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. একেএম মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. মো. আবু জুবায়ের, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম, অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, অধ্যাপক ড. রেজওয়ান আহমদ, অধ্যাপক ড. শেখ সিরাজুল হাকিম, অধ্যাপক আ ফ ম জাকারিয়া, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার হামিদ, কৃষিবিদ জিয়াউল হায়দার পলাশ।


এবার কন্যাসন্তানের বাবা হতে চান লিওনেল মেসি

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:৩৭ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১০ পিএম


এবার কন্যাসন্তানের বাবা হতে চান লিওনেল মেসি

ফুটবল ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য সব শিরোপাই জিতেছেন লিওনেল মেসি। যে শিরোপা নিয়ে তার সবচেয়ে বেশি আক্ষেপ ছিল সেটাও গত বছর কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে পূর্ণ করেছেন। তাই ফুটবল থেকে আর চাওয়ার কিছু নেই রেকর্ড সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বিশ্বকাপ জয়ের পর এমন কথা বেশ কয়েকবার বলেছেন তিনি। এবার নিজের এক সুপ্ত বাসনার কথা প্রকাশ করেছেন এলএমটেন।


সম্প্রতি আর্জেন্টাইনভিত্তিক ‘ওলগা’ নামক এক ইউটিউব চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মেসি। সেখানে কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার মনোবাসনার কথা জানিয়েছেন ইন্টার মায়ামি তারকা। আর এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির খেলাধুলাবিষয়ক গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস।


স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর সঙ্গে মেসির সম্পর্কের শুরু বাল্যকালেই। দীর্ঘদিন ধরেই সংসার করলেও ২০১৭ সালে বিয়ের পিড়িতে বসেন তারা। লিওনেল মেসি ও স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর   তিন পুত্র- থিয়াগো, মাতেও এবং চিরো। এবার চতুর্থ সন্তান নেয়ার পরিকল্পনা করছেন মেসি ও আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো দম্পতি। আর্জেন্টাইন সুপারস্টার মেসি এবার কন্যা সন্তানের প্রত্যাশা করছে। 


ইএসপিএনের সংবাদকর্মী ও বিখ্যাত স্ট্রিমার মিগু গ্রানাদোসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা আরেকটি বাচ্চা নিতে চাই। আমরা সে চেষ্টাটা এখনো শুরু করিনি। তবে আশায় আছি, সেটি কন্যা সন্তান হবে।’


১৯৮৭ সালের ২৪শে জুন হোর্হে মেসি এবং সেলিয়া মারিয়া দম্পতির ঘর আলোকিত করে জন্ম নেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন সুপারস্টার জানালেন, শৈশবে মা-বাবার থেকে প্রাপ্ত মূল্যবোধ নিজের সন্তানদের ওপরও প্রয়োগ করেন তিনি।
মেসি বলেন, ‘ছোটবেলায় আমাকে যা যা শেখানো হয়েছে, সেসব মূল্যবোধ আমি নিজের সন্তানদের মধ্যে প্রয়োগ করার চেষ্টা করি। আমি একজন ভালো বাবা। কারণ আমার মা-বাবা ভালো ছিলেন। আর আামি কোথায় বেড়ে উঠেছি, সেখানকার মূল্যবোধগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।’

স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘সে দুর্দান্ত। মোটামুটি ২৪ ঘণ্টাই সন্তানদের সঙ্গে কাটায়। মাঝেমধ্যেই দীর্ঘ সময়ের জন্য বাইরে থাকতে হয়- সফর, ম্যাচ, প্রাক্-মৌসুম, জাতীয় দল। কখনো কখনো মাসের পর মাস বাইরে থাকতে হয়। তখন সে সারাদিনই সন্তানদের সামলায়।’


নিজের তিন ছেলেদের নিয়ে মেসি বলেন, ‘থিয়াগো কথা বলতে পছন্দ করে। আন্তোনেল্লাকেই (রোকুজ্জো) সে সব বলে। মাতেও সবকিছু বলে দেবে। বকবক করতেই থাকে। কিন্তু চিরো সে তুলনায় একটু চুপচাপ। ওরা টোস্ট ও চকলেটমিশ্রিত দুধই বেশি খায়।’

গত জুলাইয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন লিওনেল মেসি। পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস শুরু করেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। মার্কিন মুলুকে নিজের ‘ডেইলি রুটিন’ জানিয়ে মেসি বলেন, ‘আমরা সকাল ৭টার দিকে ঘুম থেকে উঠে নাশতা করি। তখন ছেলেরাও উঠে পড়ে। কখনো কখনো আমি তাদের স্কুলে নিয়ে যাই। কখনো আবার নিয়ে যেতে পারি না।অনুশীলন থেকে বেলা ১টা নাগাদ ফিরে কিছু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। এরপর ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাদের (স্কুল থেকে) নিয়ে এসে আবারও অনুশীলনে যাই।’


দুবাইয়ে বিশ্বের প্রথম সাগরতলে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:৪৫ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১০ পিএম


দুবাইয়ে বিশ্বের প্রথম সাগরতলে মসজিদ  নির্মাণ করা হচ্ছে
ছবি সংগৃহিত

পর্যটনশিল্পে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন দেশটির শাসকেরা। এবার ধর্মীয় পর্যটনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে সাগরতলে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। ৫ কোটি ৫০ লাখ আমিরাতি দিরহাম ব্যয়ে দুবাইয়ের সমুদ্র উপকূলে এ মসজিদ নির্মিত হবে, যা বাংলাদেশি টাকায় ১৬৪ কোটির বেশি।

পানির তলদেশে বিশ্বের প্রথম ভাসমান মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দুবাই। তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদটির পানির ওপরে দুই তলায় থাকবে বসার জায়গা ও একটি কফিশপ আর পানির নিচে থাকবে নামাজের ব্যবস্থা।

ধর্মীয় পর্যটন প্রকল্প সম্পর্কে এক ব্রিফিংয়ে এ মসজিদ নির্মাণ পরিকল্পনার ঘোষণা দেয় দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস বিভাগ। সংস্থাটির কর্মকর্তা আহমেদ আল মনসুরি খালিজ টাইমসকে বলেছেন, শিগগিরই এ মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

মসজিদটির ঠিক কোথায় নির্মাণ করা হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। তবে আহমেদ আল মনসুরি বলেন, এটি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার কাছাকাছি নির্মাণ করা হবে। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সেতুর মাধ্যমে সেখানে মুসল্লিরা যেতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, সব ধর্মের মানুষই এই মসজিদ পরিদর্শন করতে পারবে। তবে তাদের অবশ্যই শালিন ও ইসলামি রীতিনীতি মেনে চলতে হবে।

২০২৪ সালের মধ্যেই মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এটি হবে তিন তলা বিশিষ্ট। প্রথম তলা থাকতে পানির মধ্যে। এটি নামাজের জন্য নির্ধারিত থাকবে। দ্বিতীয় তলা হবে হলের জন্য নির্ধারিত এবং তৃতীয় তলা ইসলামিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৫০ থেকে ৭৫ জন ধর্মীয় ব্যক্তি এখানে একসঙ্গে থাকতে পারবেন। এমন সুবিধাও রাখা হচ্ছে।

মসজিদটিতে কুরআনিক এক্সিবিশনের আয়োজন করা হবে। শেখ মাখতুম বিন রশিদ আর মাখতুম থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের বিতরণকৃত কুরআনগুলো এখানে সজ্জিত থাকবে।

সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ল্যান্ডমার্ক প্রজেক্টের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময়ে এখানে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স এন্ড চ্যারিটেবল বিভাগের পরিচালক ড. হামাদ আল শেখ আহমেদ আল সাইবানি। এছাড়া অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 


বিভাগ : সারাবিশ্ব

বিষয় : ইসলাম



এবার যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হতে পারে সিগারেট

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:৫৪ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১০ পিএম


এবার যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হতে পারে সিগারেট
ছবি সংগৃহিত

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধূমপানমুক্ত রাখতে নিউজিল্যান্ডের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। সরকরের এমন পদক্ষেপের ফলে পরবর্তী প্রজন্মের আর কেউ ‍সিগারেট কিনতে পারবে না। শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

গত বছরের ডিসেম্বরে ধূমপানমুক্ত দেশ গড়ার মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন আইন প্রণয়নের ঘোষণা দেয় নিউজিল্যান্ড সরকার। এ আইন প্রণীত হলে ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারির পর জন্মগ্রহণকারী কেউ সিগারেট কিনতে পারবে না। ফলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে সে দেশে আর ধূমপায়ী থাকবে না।

ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেন, আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ধূমপান মুক্ত দেশ হতে চাই। এ জন্য আমরা আরও বেশি লোককে উত্সাহিত করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে বিনামূল্যে ভ্যাপ কিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া গর্ভবতী নারীদের ধূমপান থেকে বিরত রাখতে ভাউচার স্কিম দেওয়া সহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগামী বছর যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে। ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোক্তাকেন্দ্রিক নীতিমালার অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপের কথা ভাবছে সুনাক সরকার।

যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে এতদিন শিশুদের বিনামূল্যে ভ্যাপের নমুনা দিয়ে আসছিল খুচরা বিক্রেতারা। তবে গত মে মাসে ই-সিগারেটের ব্যবহার বন্ধে এসব ফাঁকফোকর বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার।

এছাড়া গত জুলাই মাসে পরিবেশগত ও স্বাস্থ্য উভয় ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ২০২৪ সালের মধ্যে একক-ব্যবহারযোগ্য ভ্যাপ বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারেরর প্রতি আহ্বান জানায় ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের কাউন্সিলগুলো।

অনুসরণ করুন