সারাদেশ

মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রতিমন্ত্রী টুকু


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম

মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রতিমন্ত্রী টুকু। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপি প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তার নেতৃত্বে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) পরিবার আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবন, কর্ম ও আদর্শ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, রাজনৈতিক সংকটের সময় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র এবং সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তার রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী বা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, মাভাবিপ্রবি উপ-রেজিষ্ট্রার শাহ আলম মিয়া, আল আমিন সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সাজিদ ইসলাম দিপু প্রমুখ।