শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ | ২৮ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

সন্তান লাভের আশায় মন্দিরে আঁচল পেতে ভিক্ষা

বিয়ে হয়েছে ৪ বছর আগে। কোন সন্তান হয় নাই এখনও। সদ্য স্নান শেষে ভেজা কাপড়ে মন্দিরের সামনে বসে আঁচল পেতে সন্তান লাভের জন্য ভিক্ষা চাইছেন। তাও যদি ঠাকুর মনের আশা পূরণ করে। এমনই বিশ্বাস নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এসেছেন চম্পা রাণী নওগাঁর মান্দা উপজেলার রঘুনাথ জিউ মন্দিরে। শুধু চম্পা রানী নয় গোলাপি, বৃষ্টিসহ প্রায় ২০-২৫ জন নিঃসন্তান-বন্ধ্যা নারী সন্তানের আসায় শাড়ির আঁচল পেতে রঘুনাথ ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করছেন।

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্যতম ধারক প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে মন্দিরটি। রাম নবমী উপলক্ষে চৈত্র মাসে রামের জন্ম তৃতীয়া শুক্লা তিথিতে বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) ভোরে মন্দিরে ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের বিগ্রহে পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে উৎসবের শুরু হয়। এরপর তীর্থ যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এতে মন্দির প্রাঙ্গণে ঢল নামে হাজারো ভক্তের।

কীর্তন, প্রসাদ বিতরণ, ভক্তদের পুজো অর্চনা, ভোগ নিবেদন ও মানত দেওয়ার মধ্য দিয়ে রামভক্তদের মিলনমেলায় পরিণত হয় মন্দির প্রাঙ্গণ। এছাড়াও রামনবমী উৎসবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পুণ্যার্থীরা আসেন ঠাকুর দর্শন ও মানত করতে। আগত ভক্ত দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দিরের আশপাশের অন্তত এক কিলোমিটার এলাকা। এ উৎসবকে ঘিরে মন্দিরের পাশে আয়োজন করা হয়েছে গ্রামীণ মেলার।

নয় দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। উৎসবের প্রথম দিনে নানা ধর্মের প্রায় হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। প্রথম দিনেই ঠাকুর দর্শনে আসেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার। জানা যায়, দপুন্ড্রদ জনপদের অন্যতম প্রাচীন জনপদ হিসেবে ঠাকুর মান্দার ঐতিহাসিক পরিচিতি রয়েছে। পাল আমলের বিভিন্ন নিদর্শন এই জনপদ থেকে আবিষ্কৃত হয়। জনপদটিতে রয়েছে হিন্দু তীর্থের প্রাচীন রঘুনাথ জিউ মন্দির। প্রতি বছর রাম নবমী পূজার দিনে জন্মান্ধ শিশুদের আনা হয় এখানে।

হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়াও অন্য সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ তাদের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীসহ নানান রোগের আক্রান্ত সন্তানদের নিয়ে আসেন এই মন্দিরে। ছোট্ট শিশু থেকে নানা বয়সের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও নানান রোগের আক্রান্তদের সারা দিন রেখে দেওয়া হয় মন্দির প্রাঙ্গণে একটি নির্ধারিত স্থানে।

পুণ্যার্থীরা একসময় মন্দিরের চারপাশের বিল ও শিব নদীতে গঙ্গাস্নান করে ভেজা কাপড়ে বিল থেকে পদ্মপাতা তুলে মাথায় দিয়ে মন্দিরে যেত ঠাকুর দর্শন করতে। ভক্তরা আজো সেই রীতি-নীতি মানতে চান। কেউ কেউ আবার দুর্লভ পদ্মপাতা সংগ্রহ করে তা মাথায় দিয়ে তার ওপর মাটির পাতিল বোঝাই ভোগের মিষ্টান্ন মাথায় নিয়ে দীর্ঘ লাইন ধরে প্রভুর চরণে নিবেদন করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এমনকি ভারত থেকেও আসেন হিন্দু পুণ্যার্থীরা।

অনেকে সপ্তাহব্যাপী মন্দিরের পাশে মাঠে তাবু গেড়েও অবস্থান করেন। ভক্তবৃন্দের ধর্মীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে রাতে পদাবলী কীর্তনেরও আসর বসানো হয়। মন্দিরটিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রাম নবমীর উৎসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের সার্বজনীন উৎসব হয়ে উঠেছে। এ উপলক্ষ্যে মন্দিরটিকে ঘিরে জুড়ে বসেছে গ্রামীন মেলা।

ঢাকা থেকে এসেছেন সুকলা সরকার। তিনি বলেন, আমার ছেলে কথা বলতে ও হাঁটতে পারে না। শুনেছি এখানে এসে মনো বাসনা পূরণ করার জন্য মানত করলে ঠাকুর তা পূরণ করেন। এই জন্যই এখানে এসেছি।

বগুড়ার সান্তাহার থেকে এসেছেন পলাশ সরকার। তিনি বলেন, প্রতি বছর এই রাম নবমীতে ঠাকুরকে দর্শের জন্য এখানে আসি। পরিবারের সবাই যেন সুখে-শান্তিতে থাকে এই জন্য।

নওগাঁর পত্নীতলা থেকে এসেছেন শ্রী রবিদাস। তিনি বলেন, আমার ছেলের একটা মানত ছিলো। এবং পরবর্তীতে আমার ছেলে সুস্থ হয়ে গেছে। এই জন্য মানত পূরন করতে মূলত এখানে আসা।

মন্দির কমিটির সভাপতি চন্দন কুমার মৈত্র বলেন, রঘুনাথ জিউ মন্দির প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। এই মন্দির শুধু বাংলাদেশে না বাংলাদেশের বাইরেও পরিচিতি আছে। প্রতি বছর হাজার হাজার ভক্তদের আগমন ঘটে মন্দির চত্বরে।

তিনি বলেন, হাজারো ভক্ত মন্দিরে মানত করতে এসে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রি যাপন করে। সেইভাবে থাকার কোন জায়গা নেই। ভক্তদের অনেক কষ্ট করতে হয়। তাই সরকারের কাছে দাবি জানাবো এই মন্দিরের দিকে নজর দেওয়ার জন্য।
এএজেড

Header Ad

আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বরদাশত করা হবে না: ডিএমপি

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। ফাইল ছবি

চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, আদালতের আদেশ মেনে চলার জন্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত কোনো কার্যক্রম কেউ যদি করে, তবে সেটি বরদাশত করা হবে না।

শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্যাব চত্বরে আয়োজিত ‘ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল-২০২৪ ও ফল উৎসব’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিষয়টি আদালতের। আদালতের প্রতি সবার আস্থা রাখা ও শ্রদ্ধা-সম্মান থাকা উচিত। আদালতের আদেশ মেনে চলার জন্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেটি সবার মেনে চলা উচিত বলে আমি মনে করি। হাবিবুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত কোনো কার্যক্রম কেউ যদি করে, তবে সেটি বরদাশত করা হবে না।

ক্র্যাব সভাপতি কামরুজ্জামান খান বৈরী আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় সব সাংবাদিক ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একইসঙ্গে স্পোর্টস ফেস্টিভ্যালে স্পন্সর করায় ওয়ালটনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রবাসী ছোট ভাইয়ের মরদেহ আনতে গিয়ে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

তাজুল ইসলাম (বামে) ও মো. দ্বীন ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওমান প্রবাসী ছোট ভাই তাজুল ইসলামের মরদেহ গ্রহণ করতে যাওয়ার পথে স্ট্রোক করে বড় ভাই মো. দ্বীন ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে তাদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

জানা গেছে, মো. দ্বীন ইসলাম (৫৮) ও তাজুল ইসলাম (৫৫) নোয়াখালী সোনাইমুড়ীর জয়াগ ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দীপুর গ্রামের সরওয়ার্দী পাটোয়ারী বাড়ি সিদ্দীক উল্যাহ মিয়ার ছেলে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে তাজুল ইসলামের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে বড় ভাইয়ের জানাজা শেষে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের আনন্দীপুর গ্রামের সরওয়ার্দী পাটোয়ারী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জয়াগ ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. মাকছুদুর রহমান বলেন, তাজুল ইসলাম গত ২০ বছর ধরে জীবন জীবিকার তাগিদে ওমানে বসবাস করছেন। পাঁচদিন আগে তিনি ওমানে স্ট্রোক করে মারা যান। শুক্রবার সকালে তার মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসার কথা ছিলো। এজন্য বড় ভাই দ্বীন ইসলাম দুদিন আগে ঢাকা চলে যান। কিন্তু যাত্রা পথে তিনি বাসের মধ্যে স্ট্রোক করেন। পরে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, দ্বীন ইসলামও দীর্ঘদিন ওমানে ছিলেন। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ছে গত দেড় বছর আগে দেশে চলে আসেন। পরে তার সন্তানেরা তাকে আর ওমান যেতে দেয়নি।

এ বিষয়ে জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আকবর বলেন, শুক্রবার সকালে তাজুলের মরদেহ মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর তার স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। তারা এসে পৌঁছলে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

নেপালে ভূমিধসে যাত্রীবাহী দুই বাস নদীতে, নিখোঁজ ৬০

ছবি: সংগৃহীত

নেপালের নারায়ণঘাট-মুগলিং সড়কের সিমলতালে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় যাত্রীবাহী দুটি বাস ছিটকে ত্রিশূলি নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য কাঠমন্ডু পোস্ট। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুলাই) ভোরে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দ্য কাঠমন্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিতওয়ানের মুখ্য জেলা কর্মকর্তা ইন্দ্রদেব যাদবের জানান, রাজধানী থেকে গৌড় যাওয়ার পথে কাঠমান্ডুগামী অ্যাঞ্জেল ডিলাক্স এবং গণপতি ডিলাক্স ভোর ৩টা ৩০ মিনিটে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। কাঠমান্ডু থেকে গৌড়গামী বাসে ৪১ জন এবং বীরগঞ্জ থেকে কাঠমান্ডুগামী বাসে ২৪ জন ছিল। এদের মধ্যে তিনজন বাসের জানালা থেকে লাফিয়ে পড়ে বেঁচে যায় বলে জানা গেছে।

ঘটনা পর ভোরবেলা কর্তৃপক্ষ ত্রিশূলি নদীতে ভেসে যাওয়া নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করেছে।

এ ছাড়া পৃথক আরো ভূমিধসের ঘটনায় দেশটির পার্বত্য এলাকায় কমপক্ষে ১০জন নিহত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নেপাল পুলিশ এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মীরা উদ্ধার অভিযানের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বলে পুলিশ সুপার ভাভেশ রিমাল জানিয়েছেন।

শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্ট, প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সরকারি সংস্থাগুলোকে কার্যকর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, নারায়ণঘাট-মুগলিং সড়ক সেকশনের সিমালটারে ভূমিধসে নদীতে বাস ভেসে যাওয়ার ঘটনা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্যোগের ফলে ক্ষতির খবরে আমি গভীরভাবে দুঃখিত।

তিনি আরো বলেন, আমি স্বরাষ্ট্র প্রশাসনসহ সকল সরকারি সংস্থাকে যাত্রীদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারের নির্দেশ দিচ্ছি।

পুলিশের একজন মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি বলেছেন, কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার (৫৩ মাইল) পশ্চিমে চিতওয়ান জেলায় ঘটনাটি ঘটে। তিনি আরো বলেন, কাঠমান্ডু থেকে গৌড়গামী বাসে ৪১ জন এবং বীরগঞ্জ থেকে কাঠমান্ডুগামী বাসে ২৪ জন ছিল। সব যাত্রীসহ বাস দুটি ত্রিশূলি নদীতে পড়ে যায় এবং যাত্রীরা নিখোঁজ হন। এ ছাড়া তিনি জানান, দেশের কাস্কি জেলায় ভূমিধসে তিনটি বাড়ি ভেসে গিয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ বছর নেপালে ভূমিধস ও বন্যায় অন্তত ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হিমালয় দেশটিতে জুনের মাঝামাঝি থেকে প্রবল মৌসুমী বৃষ্টিপাতের ফলে ভূমিধস এবং বন্যার ঘটনা ঘটছে।

এদিকে পৃথক দুর্ঘটনায় একই সড়কের ১৭ কিলোমিটার দূরে একটি যাত্রীবাহী বাসে পাথর পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। বুটওয়াল থেকে কাঠমান্ডু অভিমুখে যাচ্ছিল বাসটি। এ ঘটনায় বাসচালক মেঘনাথ বিকে গুরুতর আহত হন। চিতওয়ান মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান উপ-পুলিশ সুপার ভেষরাজ রিজাল। বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের ঘটনায় নারায়ণঘাট-মুগলিং সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। রাস্তায় যান চলাচল শুরু হতে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কর্তপক্ষ। সূত্র : দ্য কাঠমন্ডুপোস্ট

সর্বশেষ সংবাদ

আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বরদাশত করা হবে না: ডিএমপি
প্রবাসী ছোট ভাইয়ের মরদেহ আনতে গিয়ে বড় ভাইয়ের মৃত্যু
নেপালে ভূমিধসে যাত্রীবাহী দুই বাস নদীতে, নিখোঁজ ৬০
জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে ডিএনসিসির ৫ হাজার কর্মী
স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রেতাত্মারা কোটা আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: আইনমন্ত্রী
পানির নিচে ঢাকার সড়ক ও অলি-গলি, সময় নিয়ে বেরোতে বলছে ডিএমপি
বিকেলে কোটা আন্দোলনকারীদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ
আবারও ভয়ঙ্কর রূপে করোনা, সপ্তাহে মৃত্যু ১৭০০ মানুষের
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্রীড়া সাংবাদিক সাইদ সাদীর একক চিত্র প্রদর্শনী
১০১ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন লেগ স্পিনার রিশাদ
অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে চাঁদের হাট, অতিথি থাকছেন যারা
৬ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কানাডা
ছুটির সকালে ঢাকা ভিজছে বৃষ্টিতে, রাস্তায় পানি জমে ভোগান্তি
বাবার সাথে জমিতে হাল চাষের সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ছেলের
আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ফাইনালে ব্রাজিলের ৫ রেফারি
পটিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত ৪
কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা
উত্তাল শাহবাগ চত্বর থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
সোমবার অভিনেত্রী সোহিনীর বিয়ে
বাংলা ব্লকেড : আন্দোলনকারীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ ইউজিসির