বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

ঘোড়াঘাটে ভূমি দখলকারীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মহাসড়ক সংলগ্ন সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও কেসি পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মান এবং খাবার হোটেলের ময়লা পানিতে খেলার মাঠ নর্দমায় পরিণত হওয়াকে কেন্দ্রে করে সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় শনিবার (১৫ জুন) সকালে দৈনিক আমার সংবাদের ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রতিনিধি ঘোড়াঘাট থানায় নিজের নিরাপত্তার চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। যার জিডি নং-৬৪২, তারিখ-১৬/০৬/২৪ইং। এর আগে গত ১০ জুন ‘ফুটবল খেলার মাঠ গিলে খাচ্ছে ব্যবসায়ীরা, খেলার অনুপযুক্ত হয়ে উঠছে মাঠ’ শিরোনামে দৈনিক আমার সংবাদের অনলাইন সহ স্থানীয় দৈনিক এবং বেশ কিছু নিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল সংবাদ প্রচার করা হয়।

শুক্রবার (১৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় সাংবাদিক লোটাস আহম্মেদ পৌর এলাকার বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ঢাকা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে খাবার কিনতে যায়। তখন ওই হোটেল মালিক মোন্তাজ আলীর ছেলে সজিব মাহমুদ (২৪) ওই সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং বলে “আমরা জায়গা দখল করে ব্যবসা করে খাচ্ছি তাতে তোর সমস্যা কি। কোন মাইকেলের সাহস নাই এখান থেকে আমাদের হোটেল উঠিয়ে দেওয়ার। কত জনকে মাইরা রাস্তায় ফেলায় দিচ্ছি। আর দু‘একজনকে মারলে কিছুই হবে না।”

এর এক পর্যায়ে ভূমিদখলকারী ও সন্ত্রাসী সজিব মাহমুদ ওই সাংবাদিককে একা পেলে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া সহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এছাড়াও সন্ত্রাসী সজিব মাহমুদ হুমকি প্রদানের পর থেকে ওই সাংবাদিককে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও সম্মানহানিকর পোস্ট করতে থাকে।

হুমকি প্রদানকারী সজিব মাহমুদ ঘোড়াঘাট পৌরসভার নয়াপাড়া (বাস¯ট্যান্ড) গ্রামের মোন্তাজ আলীর ছেলে। সে পেশায় একজন ছাত্র।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সজিবের বাবা মোন্তাজ আলী ইতিপূর্বে ফেন্সিডিল সহ অন্যান্য মাদকের জমজমাট ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। ঘোড়াঘাট সহ আশপাশের এলাকার ফেন্সিডিল ডিলার ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে এবং মাদকের মামলায় আদালত কতৃক সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় কারাবরণ করেছেন। অপর দিকে সজিব মাহমুদ বগুড়া শহরে পড়াশুনা করার সুবাদে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত আছে বলে জানান তার কয়েকজন স্থানীয় বন্ধু। সজিবের বাবা মোন্তাজ আলীও ঘোড়াঘাট পৌর বিএনপির কর্মী।

ভূক্তভোগী সাংবাদিক লোটাস আহম্মেদ বলেন, আমি আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। হুমকি প্রদানকারী সজিবের পরিবার ইতিপূর্বে মাদকের ব্যবসায় জড়িত থাকায় তাদের বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে গোপন সখ্যতা আছে। সে নিজে কিংবা সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে আমাকে মারপিট ও হত্যার চেষ্টা করতে পারে।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, সংবাদ প্রচার ও প্রকাশকে কেন্দ্র করে কোন সাংবাদিকের দিকে কেও চোখ তুলে তাকালে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান সংক্রান্তে থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। আমরা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Header Ad

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ

গাবতলী বাস টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ-বিজিবি-র‍্যাব ও সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটাব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ (সর্বাত্মক অবরোধ) পালিত হচ্ছে। এর ফলে ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। অন্যান্য জেলা থেকেও আসছে না কোনো বাস।

‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে হাসপাতাল, গণমাধ্যমসহ অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া এই কর্মসূচি চলাকালে সব কিছু বন্ধ থাকবে—ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টারের স্টাফ গণমাধ্যমকে জানান, মালিকরা বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এসময় একাধিক পরিবহনের টিকেট কাউন্টের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, টার্মিনালে যাত্রীর সংখ্যা খুব কম। এ কারণে আমরা বাস ছাড়িনি।

এদিন সকালে গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী না থাকায় টার্মিনালের প্রায় সব টিকিট কাউন্টার ফাঁকা। টার্মিনালের অনেক বাস কাউন্টার বন্ধ দেখা গেছে। সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে বাসগুলো।

রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা

আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ পণ্ড করে দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মিরপুর-১০ গোলচত্বরে 'কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করে স্বাধীনতা বিরোধীদের নৈরাজ্য সৃষ্টির' প্রতিবাদে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠান করছিলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, সমাবেশ চলাকালে ওই এলাকায় হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারী উপস্থিত হয়ে ধাওয়া দিলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান। এ সময় আন্দোলনকারীরা সমাবেশের জন্য আনা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছেন।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আশেপাশের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন।

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ

যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় কোটা বিরোধীদের সঙ্গে পুলিশের দফায়-দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পথচারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং পুলিশ আক্রমণ করলে শিক্ষার্থীরাও পাল্টা আক্রমণ করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের কাজলা অংশের টোলপ্লাজায় আগুন ধরিয়ে দেন। এ ঘটনায় দুই বছরের এক শিশুসহ অন্তত ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিহত হয়েছেন একজন।

পরে রাত সোয়া ৩টার দিকে পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবির যৌথ টহলের পর যাত্রাবাড়ী-শনিরআখড়া এলাকায় যান চলাচল শুরু হয়। কিন্তু এরপর আবার তা দখলে নেন আন্দোলনকারীরা। বর্তমানে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ আছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে কোনো যানবাহন ঢাকা থেকে বের হতে পারছে না এবং ঢুকতেও পারছে না। এমনকি রিকশা, মোটরসাইকেল, সাইকেলও যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষেরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অনেক মানুষকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

পথচারীরা জানান, মহাসড়কের রায়েরবাগ অংশে ব্যারিকেড দেওয়ার কারণে ঢাকা থেকে কোনো গাড়ি বের হতে পারছে না। ফলে অনেক গাড়ি আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী গাড়ির সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি দূরপাল্লার বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাও রয়েছে। অপরপাশে মাতুয়াইল মেডিকেল এলাকায় ব্যারিকেডের কারণে কোনো যানবাহন ঢাকায় ঢুকতে পারছে না।

সর্বশেষ সংবাদ

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ
রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা
যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ
স্বামীকে তালাক দিলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা
সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দিল পুলিশ
কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক
ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
কোটা নিয়ে যেসব কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মাথায় পুলিশের গুলি
গায়েবানা জানাজা বলে কিছু নেই বলে ইমামকে নিয়ে গেল ওসি আমিনুল