সারাবিশ্ব
রাশিয়ান তেল আমদানিকারকদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে রুশ পণ্য আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউক্রেনকে নতুন করে সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৫ জুলাই) হোয়াইট হাউজে ন্যাটো সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প জানান, ইউক্রেনকে বহুল প্রতীক্ষিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করা হবে। পুরো সেটসহ সম্পূর্ণ ব্যাটারি ইউক্রেনের কাছে হস্তান্তর করা হবে, যা দেশটি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিল।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি নিজের হতাশা প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, "রাশিয়া যদি ৫০ দিনের মধ্যে শান্তিচুক্তিতে না আসে, তাহলে রুশ পণ্য আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সেকেন্ডারি ট্যারিফ আরোপ করা হবে। এই নিষেধাজ্ঞা সরাসরি ১০০ শতাংশ ট্যারিফ পর্যন্ত হতে পারে।"
তবে হুমকির পাশাপাশি ট্রাম্প একটি ৫০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ট্যারিফ কেবল রাশিয়ার বিরুদ্ধে নয়, বরং যেসব দেশ রাশিয়ার বিশেষ করে তেলসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি করছে, তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার অর্থনীতির জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা হতে পারে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানির ওপর। তবে গ্রেস পিরিয়ডের কারণে রুশ মুদ্রা রুবল এর দরপতন কিছুটা রোধ হয়েছে।
ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে রাশিয়ার প্রতি কঠোর মনোভাব এবং ইউক্রেনকে সরাসরি সমর্থনের নীতিগত মোড় ঘোরানো বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা।