সারাদেশ
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এ উপনির্বাচনে তিন গুণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এসব ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে, যাতে নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের সুযোগ না থাকে। কেউ অপকর্মের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রতিহত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও এলাকার মানুষ অত্যন্ত সহজ-সরল। তবে তাদের সরলতার অপব্যবহার করা হবে না, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। একইভাবে বাইরে থেকে কেউ নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে জাতীয় নির্বাচনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করবে না, সেটিও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। এ কারণে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অনিয়ম ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
সভায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। নির্বাচনে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।