রাজনীতি

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দিতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি অভিযোগ করেন, পতিত শক্তি আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি মিছিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছে, যার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রিজভীর নেতৃত্বে মিছিলে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে নাইটিংগেল মোড় ঘুরে পুনরায় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর পতিত ফ্যাসিবাদকে ফিরতে দেওয়া হবে না। পাচার করা অর্থ ব্যবহার করে একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ, তাই দেশকে আর অন্য দেশের গোলাম বানানো যাবে না।

রিজভী দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় অসংখ্য নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। জনগণ কখনোই গুম ও ক্রসফায়ারের রাজনীতি ফিরে আসতে দেবে না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গত চার মাসে কোনো গুম বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেনি এবং শুধুমাত্র আইনের আওতায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হয়রানি করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

বিএনপি নেতা বলেন, দেশ এখন গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনীতি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে একটি মহল এসব অর্জন নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, যা জনগণের ঐক্যে ব্যর্থ হবে।

নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকরা বিভিন্নভাবে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে পারে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণ সর্বদা সচেতন থাকবে।

কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।