সারাদেশ

টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে নতুন বিওপি উদ্বোধন


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৬ এএম

টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে নতুন বিওপি উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ সেন্টমার্টিন বিওপি এবং টেকনাফের নবসৃজিত সী-বিচ বিওপি উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় ও সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অপারেশনাল কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হলো।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তিনি সেন্টমার্টিন দ্বীপের বিওপি এবং টেকনাফের লেঙ্গুরবিলে অবস্থিত সী-বিচ বিওপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেন্টমার্টিন বিওপিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সৈনিক লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, মনোবল সুদৃঢ় করা এবং সামগ্রিক অপারেশনাল সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই বিওপি নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরও গতিশীলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।

এরপর বিজিবি মহাপরিচালক টেকনাফের লেঙ্গুরবিলে নবনির্মিত সী-বিচ বিওপি উদ্বোধন করেন। আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই বিওপিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন এই সী-বিচ বিওপি উপকূলীয় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সেখানে কর্মরত বিজিবি সদস্যদের নিরাপত্তা, মনোবল, কর্মদক্ষতা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন দ্বীপে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করত। পরবর্তীতে দ্বীপটির নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সীমান্ত এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব ও নিরাপত্তা বিবেচনায় ৭ এপ্রিল ২০১৯ সালে পুনরায় সেখানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে নবনির্মিত বিওপি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেন্টমার্টিন বিওপির কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হলো।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন বিওপি চালুর ফলে দেশের উপকূলীয় সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে এবং যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ দমনে বিজিবির সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।