সারাদেশ

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জব্দ করা ৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জব্দ করা ৩ কোটি  টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি
ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন অভিযানে জব্দ করা ৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৬৬৫ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির যশোর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, বিপিএম (সেবা), বিজিএম, পিএসসি।

মাদক.jpg

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে এসব মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে ৩ হাজার ৯৮৩ বোতল বিদেশি মদ, ১০ হাজার ৬১৭ বোতল ফেন্সিডিল, ২৩৮ দশমিক ৭৯ কেজি গাঁজা, ১ দশমিক ৮৫৭ কেজি হেরোইন, ২৫ হাজার ৪৮৫টি ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ১৯টি ইনজেকশনসহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভারতীয় বিয়ার ও কোকেন।

যশোর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকমুক্ত দেশ গড়তে বিজিবির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদকের এই মরণব্যাধি প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মদ.jpg

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তফা কামাল, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর অফিসার ইনচার্জ এম. মোরশেদ, মেহেরপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাসেল আহমেদ এবং চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বদরুল হাসানসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এসব মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।