সারাবিশ্ব

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমান যাবেন কি না, জানে না ভারত


সারাবিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমান যাবেন কি না, জানে না ভারত
ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত তথ্য ভারতের কাছে নেই বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

এর আগে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি পৃথক বিষয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর একটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারত সফরের দ্বিপক্ষীয় আমন্ত্রণ। অন্যটি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের সম্প্রসারিত অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ।

তবে আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তারেক রহমান সম্মেলনে অংশ নেবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও এ সফর নিয়ে কোনো চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভারত বর্তমানে জোটটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে। সম্মেলনের সম্প্রসারিত অধিবেশনে বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

এদিকে সংবাদ ব্রিফিংয়ে সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রচারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’

এর আগে আগস্টে ভারতের দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলন ও বক্তব্য প্রচারের পর ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সে সময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

ওই সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব আয়োজন ছিল। এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা বা সমর্থন নেই বলেও জানানো হয়েছিল।

তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের বিষয়ে এবার ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য না করে নীরব থাকার নীতি বজায় রেখেছে।