বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪ | ৬ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

কুয়াকাটায় হোটেলে ৫০ শতাংশ ছাড়, তবু নেই পর্যটক

সাগরকন্যা কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলগুলোতে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবুও দেশের আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্রে আসছেন না ভ্রমণপিপাসুরা। চলতি রমজান মাসের শুরু থেকেই পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকনের এই সৈকতে। এ জন্য পর্যটকদের টানতে ছাড় দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজানের আগে ছুটির দিনগুলোতে আবাসিক হোটেলে কক্ষ সংকটে পড়েছেন অসংখ্য পর্যটক। কমিউনিটি ট্যুরিজমের আওতায় অনেক পর্যটক আশ্রয় নিতেন আশেপাশের বাসাবাড়িতে। অনেকে আবার খোলা আকাশের নিচে, বাসের মধ্যে, সৈকতের বেঞ্চে রাতযাপন করেছেন। কিন্তু এখন সেই চিত্র একেবারেই উল্টো। পর্যটক না থাকায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দোকান খুলছেন না। ফলে চরম বেকাদায় পড়েছেন পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত নিম্ন আয়ের মানুষরা।

শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) সকালে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে দেখা গেছে, জিরো পয়েন্ট এলাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সের সামনে তিন জন পুলিশ সদস্য বসে আছেন। সৈকতে মোটরসাইকেল রেখে কয়েকজন চালক আড্ডা দিচ্ছেন। একটু দূরে কয়েকজন ফটোগ্রাফার ক্যামেরা নিয়ে বসে বসে আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলাচ্ছেন। আর গোটা সৈকতে ৪০ থেকে ৫০ জন পর্যটক ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন কাওসার আহমেদ ও লিমা আক্তার দম্পতি। তারা গাজীপুর থেকে এসেছেন। কথা হয় তাদের সঙ্গে।

কাওসার আহমেদ বলেন, ‘এই প্রথম কুয়াকাটায় এসেছি। কোথাও কোনো ঝামেলা হয়নি। এখানকার পরিবেশ খুব ভালো। সৈকতের মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ঘুরতে বেশ ভালোই লাগল। তবে পর্যটক না থাকায় সবকিছু ফাঁকা ফাঁকা মনে হচ্ছে।’

সৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেবুর বন, শুঁটকি পল্লী, লাল কাকড়ার চর, মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধ মন্দির, কাউয়ারচর, গঙ্গামতিসহ সব দর্শনীয় স্থান পর্যটকশূন্য। গুটিকয়েক ফুচকা বিক্রেতা দোকান খুলে বসে আছেন। সৈকতের ভাসমান দোকান, শুঁটকি মার্কেট, ঝিনুক মার্কেট, রাখাইন নারী মার্কেটে পর্যটকদের আনাগোনা নেই। আগের মতো নেই হইচই কোলাহল।

সৈকতের ফটোগ্রাফার বেল্লাল হোসেন বলেন, ‘রমজানের আগে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা আয় হতো। এখন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করতে কষ্ট হয়। রমজানের শুরু থেকেই পর্যটকদের সংখ্যা কমে গেছে। এখন বাজার-সদায় কিনতে কষ্ট হয়। ঈদের বাজার কীভাবে করব জানি না।’

ফুচকাবিক্রেতা নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘রমজানের আগে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা আয় হতো। এখন ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। বেচা-কেনা একেবারে কমে গেছে। খুব সমস্যার মধ্যে দিন কাটছে।’

মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহিম বলেন, ‘রমজানের আগে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা আয় করতাম। বর্তমানে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করতে কষ্ট হয়।’

সৈকতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, ‘রমজানের আগে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা বিক্রি করতাম। এখন ৫০০ টাকা বিক্রি করতে কষ্ট হয়।’

কথা হয় আবাসিক হোটেল সি-ভিউ ম্যানেজার সোলায়মান ফরাজীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হোটেলে ৫০ শতাংশ ছাড় চলছে। রমজানের শুরু থেকেই প্রায় সব হোটেল ছাড় দিয়েছে।’

গ্রিন ট্যুরিজমের আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘প্রতি বছরই রমজান মাসে পর্যটকের সংখ্যা কমে যায়। এখানকার ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। এ সময় ব্যবসায়ীরা ঈদের ছুটিতে আসা পর্যটকদের বরণ করতে তাদের প্রতিষ্ঠান ঢেলে সাজানোর কাজ করেন।’

কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (কুটুম) সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক হোসাইন আমির বলেন, ‘প্রতি বছর রমজান মাসে পর্যটক কম থাকেন। ঈদকে সামনে রেখে হোটেল-মোটেলগুলোতে সাজসজ্জার কাজ চলছে।’

এ প্রসঙ্গে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের মালিক আব্দুল মোতালেব শরীফ বলেন, ‘রমজানের শুরু থেকেই পর্যটক কমে গেছে। এই ফাঁকে আমাদের হোটেলগুলোতে আসবাবপত্রসহ আনুষঙ্গিক মালামাল করে ঈদে আগত পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, ‘বর্তমানে পর্যটকের সংখ্যা খুবই কম। তারপরও যেসব পর্যটক কুয়াকাটায় আসছেন আমরা তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দিচ্ছি।’

আরএ/

Header Ad

ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে

যমুনা নদীতে বাড়ছে পানি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে নদীর পাড় ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল, সেটিও ভাঙনের আশঙ্কায় চরম হতাশায় দিন পার করছেন নদীপাড়ের শতশত ভাঙন কবলিত মানুষ। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের এলাকায় ঘুরে দেখা যায়- চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ী এলাকাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষগুলো।

নদীপাড়ের মানুষের অভিযোগ, গেল বছর ভাঙনরোধে খানুরবাড়ী, চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্নস্থানে নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলা হয় না।

বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

গত বছর ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তিরা বলেন- শুকনো মৌসুমে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে ট্রাকযোগে বিক্রি করে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। যার কারণে নদীতে পানি আসলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়।

গত বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা গাইড বাঁধের জিওব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধ-পাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোট-বড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে।

পাটিতাপাড়ার ওমেছা, সুফিয়া ও কোরবান আলী বলেন- যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বাড়ছে। এতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙনও দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। গত বছর বসতভিটা ভেঙে যেটুকু থাকার জায়গা ছিল সেটি এবারও চোখের সামনে নদী গর্ভে বিলীনের পথে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন- কিছুদিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। কিন্তু ভাঙনের বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙনরোধে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলব এবং ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন- ভূঞাপুরে ভাঙনের বিষয়টি ইউএনও’র মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙন এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইলের জন্য একটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার ইকোনমিক জোনের কাজ শুরু হলে স্থায়ী বাঁধ হয়ে যাবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কমল, শনিবার ছুটি বহাল

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে। আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত এই ছুটি থাকার কথা ছিল। এখন নতুন সিদ্ধান্ত হলো বুধবার (২৬ জুন) থেকে খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে, এবার পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন, যা চলার কথা ২ জুলাই পর্যন্ত। ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনার কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, পাঠদানের কর্মদিবস সারা বছরব্যাপী কমেছে।

এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। তাই গ্রীষ্মের ছুটির এক সপ্তাহ কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষাক্ত মদপানে নারীসহ ৩৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৫

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে বিষাক্ত মদপানে ৩৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া চেন্নাই থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী কল্লাকুরিচি জেলায় গত কয়েকদিন ধরে বিষাক্ত মদপানে আরও কমপক্ষে ৫৫ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির।

মদপানে অসুস্থ হয়ে পড়া এবং মৃত্যু হওয়াদের অধিকাংশই কারুনাপুরাম এলাকার। এক নারী জানান, বিষাক্ত মদপানে তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, তার ছেলের প্রচণ্ড পেটে ব্যথা করছিল এবং সে চোখ খুলতে পারছিল না। মদপানে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা যায়নি।

অন্য এক মা জানান, তার ছেলের প্রচণ্ড পেটে ব্যথা। সে কিছু দেখতেও পারছে না আর কিছু শুনতেও পাচ্ছে না। তিনি বলেন, এমনটা কারও সঙ্গে যেন না হয়। এ ধরনের বিষাক্ত মদ বিক্রি বন্ধ হওয়া উচিত। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এদিকে বৃহস্পতিবার কল্লাকুরিচির জেলা প্রশাসক এমএস প্রশান্ত বলেন, অসুস্থদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কাছাকাছি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের বিশেষজ্ঞসহ পর্যাপ্ত চিকিৎসাকর্মীদের জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এই ঘটনার এর জের ধরে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। বিষাক্ত মদপানে একসঙ্গে এত মানুষের মৃত্যু ও অসুস্থতা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় ও গাফিলতির অভিযোগে কল্লাকুরচির জেলা প্রশাসককে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া জেলার পুলিশ সুপারসহ একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ২৬ জনের পান করা দেশি মদের প্যাকেট থেকে নমুনা নিয়ে ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে বিষাক্ত মিথানলের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ সংবাদ

যমুনা নদীতে বাড়ছে পানি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কমল, শনিবার ছুটি বহাল
বিষাক্ত মদপানে নারীসহ ৩৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৫
শিল্পীদের ১০ লাখ টাকা ঈদ উপহার দিলেন ডিপজল
বিয়ের আসরে স্ত্রীর দাবি নিয়ে হাজির বরের খালাতো বোন
সুপার এইটে আসতে পেরে খুশি, এখন যা হবে বোনাস: হাথুরুসিংহে
বিএনপি ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক তৈরি করে দেশের ক্ষতি করেছিল: ওবায়দুল কাদের
যাত্রাবাড়ীতে বাসায় ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
নওগাঁয় ঈদের আগে ও পরে সড়কে ঝরে গেল ৫ প্রাণ
বিশ্ব শরণার্থী দিবস আজ
মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনা জাতিসংঘে উত্থাপন
ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে দিয়ে সুপার এইটে শুভসূচনা ইংল্যান্ডের
৩ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস
পালিয়ে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা, সাততলার কার্নিশে আটকে গেল কিশোরী
প্রেমিকা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ‘বিশেষ অঙ্গ’ হারালেন দুই বন্ধু
১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনা ইফাত আমার ছেলে নয়: রাজস্ব কর্মকর্তা
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কর্মচারীদের মানববন্ধন
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৭ লাখ মানুষ
ফুটপাথে ঘুমন্ত যুবককে বিএমডব্লিউ দিয়ে পিষে দিলেন এমপিকন্যা!
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সূচি প্রকাশ, প্রথম দিনে মাঠে নামছে ম্যানইউ