সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩০
Dhaka Prokash

মির্জা ফখরুলের জামিন দিতে রুল জারি

ছবি: সংগৃহীত

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় কাকরাইলের প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। এসময় আদালতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান খান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার কায়সার, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিওন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বি এম রাফেল।

এর আগে গত সোমবার ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

গত ৩ ডিসেম্বর এই মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তার আগে ২২ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। এছাড়া ২ নভেম্বর একই আদালতে জামিন আবেদন দাখিল করেন মির্জা ফখরুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।

২৮ অক্টোবরের ওই ঘটনায় রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।

আ. লীগ দেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে: জয়নুল আবদিন

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।

সোমবার (৪ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগ মৃত ব্যক্তির ভোটে নির্বাচিত সরকার মন্তব্য করে ফারুক আরও বলেন, 'আজকে রাজপথে দাঁড়িয়ে রোজার আগে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য আমাদের বলতে হবে কেন? এই জন্য বলতে হবে, কারণ এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না।'

সরকারের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসলেও আপনারা সরকারে আছেন। তাই বলবো, রোজার মাসে অন্তত সিন্ডিকেট বন্ধ করুন। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসুন। সিন্ডিকেটকে, শেয়ারবাজার কারা লুট করেছে, আপনারা সব জানেন।

তিনি আরও বলেন, কানাডায় কারা বেগমপাড়া বানিয়েছে, সব তথ্য বিএনপির কাছে আছে। কারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে, কারা শেয়ার বাজার লুটপাট করেছে-সব ঘটনার হিসাব-নিকাশ একদিন এ বাংলার মাটিতেই হবে।

কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে এবং কৃষক দলের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নাঈমের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মিয়া হাসান, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল হোসেন প্রমুখ।

‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’

ফাইল ছবি

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় আসছেন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা। এক বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

সোমবার (৪ মার্চ) চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিটি জেলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অন্যান্যদের তালিকা প্রস্তুত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে।

বৈঠকে দেশব্যাপী সকল ইমাম ও পুরোহিতদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পর্যটনের বিকাশ ঘটানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৩টি জেলাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে ওইসব এলাকার পর্যটন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানায়।

এ লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় একজন করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও একজন করে সহকারী কমিশনার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের নিজ নিজ জেলার মধ্যে পর্যটন প্রচার ও বিকাশের উদ্যোগ এবং কৌশল বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এছাড়াও বেসামরিক প্রশাসন, পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করবে মোবাইল অপারেটররা

ফাইল ছবি

ফোর-জিসহ উচ্চ গতির ফাইভ-জি প্রযুক্তিতে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড চালু করবে মোবাইল অপারেটররা। প্রথমে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং পরে আবাসিক গ্রাহকেরা পাবেন এই সেবা। আগামী সপ্তাহেই অপারেটরদের লাইসেন্স দিতে পারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

তবে আইএসপি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোবাইল অপারেটররা ব্রডব্যান্ড চালু করলে তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবাদানকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সম্প্রতি মোবাইল অপারেটরদের ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস বা তারবিহীন ব্রডব্যান্ড সেবা চালুর অনুমতি দিতে যাচ্ছে বিটিআরসি। এটি চালু হলে তারের ঝামেলা ছাড়াই উচ্চ গতির ফাইভ-জি ব্রডব্যান্ড সেবা পাবেন গ্রাহকেরা।

জানা গেছে, সিম ভিত্তিক রাউটার দিয়ে মোবাইল অপারেটররা ওয়াই-ফাই সেবা দিতে পারবে। শিগগিরই অপারেটরদের হাতে নতুন লাইসেন্স তুলে দেবে বিটিআরসি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির স্পেক্ট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কমিশনার শেখ রিয়াজ আহমেদ বলেন, আমরা দেশীয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি সিম বেজড ওয়াই-ফাই রাউটার দেখেছি। প্রতিষ্ঠানটির সবগুলো বিষয় কমপ্লাই করেছে। আশা করি অনুমোদন পেতে তাদের কোনও সমস্যা হবে না। তিনি বলেন, সিম বেজড রাউটার এলে তারহীন ওয়াই-ফাই সেবা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারী বাসা, অফিসের যেখানে থাকবেন সেখানেই রাউটার রেখে কাজ করতে পারবেন। ভালো অভিজ্ঞতা পাবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রিয়াজ আহমেদ বলেন, ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ওয়াই-ফাই (আইএসপি) ও ফিক্সড ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড (মোবাইল ইন্টারনেট) মধ্যে সাংঘর্ষিক কিছু হবে না। দুটো দুই ধরনের সেবা। দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান এটা দেবে। মোবাইল ফোন অপারেটররা আগে এই সেবা দিতে পারতো না। ইউনিক লাইসেন্সে (এক লাইসেন্সের অধীনে সব লাইসেন্স) এই সুযোগ দেওয়া আছে। ফলে মোবাইল অপারেটররা এই সেবা দিতে পারবে।

দেশে টিপিলিংক-সহ আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডের সিম বেজড রাউটার রয়েছে। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন সিম বেজড রাউটার তৈরির জন্য বিটিআরসির কাছে অনুমোদন চেয়েছে। অনুমোদন পেলে প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদনে যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া জানান, আমরা উৎপাদনকারী হিসেবে সিম বেজড ওয়াই-ফাই রাউটার তৈরি করার জন্য বিটিআরসিতে আবেদন করেছিলাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির ফ্যাক্টরি ভিজিট ছিল। যেসব বিষয় বিটিআরসির শর্ত ছিল আমরা সেসব কমপ্লাই করেছি। আশা করছি সিম বেজড ওফাই-ফাই রাউটার উৎপাদনের অনুমোদন পাবো। এটাই হবে দেশীয় সিম বেজড ওয়াই-ফাই রাউটার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৭ মার্চ বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছে ইউনিক লাইসেন্স হস্তান্তর করবে। ১৫ বছরের জন্য দেওয়া হবে এই লাইসেন্স। এই একটি লাইসেন্স নিলে অপারেটরগুলোকে আলাদা কোনও লাইসেন্স (টু-জি, থ্রি-জি, ফোর-জির জন্য আলাদা লাইসেন্স) নিতে হবে না। একটি লাইসেন্স নিলে সেই লাইসেন্স সব কিছু কাভার করবে। এমন কী ফাইভ-জি বা তার পরে আরও যেসব প্রযুক্তি সেবা আসবে তার কোনও আলাদা কোনও লাইসেন্স নিতে হবে না অপারেটরগুলোকে। সেই ইউনিক লাইসেন্স বা ইউনিফায়েড লাইসেন্সের গাইডলাইনে মোবাইল অপারেটরগুলোর জন্য এফডাব্লিউএ (ফিক্সড ওয়্যারলেস একসেস) সেবাদানের কথা উল্লেখ রয়েছে। ফলে মোবাইল অপারেটরগুলোও এই সেবা দিতে পারবে।

এ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, আমরা নতুন লাইসেন্স হাতে পাই। লাইসেন্স পেলে আমরাও ধীরে ধীরে এই সেবা চালু (ফিক্সড ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড) করবো। এই সেবা এফডাব্লিউএ (ফিক্সড ওয়্যারলেস একসেস) সেবা হলো ফাইভ-জি অথবা ফোর-জি, এলটিই ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।

নতুন এই সেবা আইএসপিগুলোর (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) ব্রডব্যান্ড সেবার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা জানতে চাইলে দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি এমদাদুল হক জানান, এ জায়গায় আমাদের আপত্তি আছে। ইউনিক লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের বারবার বলা হয়েছে, দেশীয় উদ্যোক্তাদের (আইএসপি ব্যবসায়ী) সুরক্ষা দেওয়া হবে। মোবাইল অপারেটররা যদি সিম বেজড রাউটারের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই সেবা দেয় তাহলে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া হলো? তিনি জানান, শিগগিরই সংগঠনের পক্ষ থেকে তারা টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির সঙ্গে বসবেন। বিষয়টির সুরাহা না হলে দেশীয় উদ্যোক্তারা ঝুঁকিতে পড়বেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আ. লীগ দেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে: জয়নুল আবদিন
‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’
ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করবে মোবাইল অপারেটররা
মুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি, জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী
এস আলম চিনি মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ছাত্রকে গুলি করলেন শিক্ষক
আঙ্গুর-খেজুর লাগবে কেন? বরই দিয়ে ইফতার করেন: শিল্পমন্ত্রী
বিএসএমএমইউয়ে নতুন ভিসি ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক
‘ইত্যাদি’র জন্য গান গাইলেন তাহসান-ফারিণ
জামিন পেলেন পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল
স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসীর গুলিতে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীও
মুহূর্তেই যেকোনো গণিতের সমাধান করে দেবে অ্যাপ
হিন্দি সিনেমা এনেও তাজ হলে দর্শক নেই!
শিল্পী সমিতির বনভোজনে হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের বালুতে খনিজ সম্পদের সন্ধান
৯৯৯-এ ফোন করে ধর্ষককে ধরিয়ে দিলেন মা
গোপনে দেশ ছাড়ার বিষয়ে মুখ খুললেন শাবনূর
ধানমন্ডির টুইন পিক টাওয়ারের ১২ রেস্তোরাঁ সিলগালা
মাওলানা লুৎফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন
১০ মার্চ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে মিলবে গরুর মাংস