আইন আদালত

রামিসা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, আদালতে হাজির সোহেল ও স্বপ্না


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১১:১৫ এএম

রামিসা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, আদালতে হাজির সোহেল ও স্বপ্না
রামিসা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, আদালতে হাজির সোহেল ও স্বপ্না। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে নেওয়া হয়। এর আগে সকালে কারাগার থেকে এনে হাজতখানায় রাখা হয়েছিল দুই আসামিকে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মামলার বাদী ও নিহত রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, বিভিন্ন আলামত জব্দ ও সুরতহাল কার্যক্রমের সাক্ষীরা, চিকিৎসক, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সাক্ষীদের মধ্যে আরও রয়েছেন মিজানুর রহমান লিটন, শেখ আবু সামা, মনির হোসেন, রাইসা আক্তার, জাকিরুল ইসলাম রাজু, মাহমুদা খাতুন, মনিরুজ্জামান শাহীন, পারভীন আক্তার, রাশেদুল ইসলাম, শরীফ মিয়া, রুমা আক্তার, ইকবাল হোসেন, ইসহাক আলী, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ শুভাজয় বৈদ্য এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

এর আগে সোমবার আদালত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে। গত ১৯ মে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন তার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের অভিযোগ, একই ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।