সারাদেশ

বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কনসালটেশন সভা


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কনসালটেশন সভা
বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কনসালটেশন সভা। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পর্যটনকেন্দ্রটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানো এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফররুখ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের পরিচালক পরিকল্পনা আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান।

এ সময় ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার ভূমি আসমা উল হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জামালপুর জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন ও আকতার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন।

সভায় উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সোয়াইব আজমি, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি শাহ জহুরুল ইসলাম, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর সমবায় উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মেসবাউল হক তুহিন, হোটেল ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, আদিবাসী নেতা জয় দাংগো ও খোকন সাংমা, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল ইসলাম বাবুসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটনকেন্দ্রটির সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।

বক্তারা লাউচাপড়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।