সারাদেশ

বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়কে স্মরণীয় রাখতে ২১৩টি বৃক্ষ রোপণ


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়কে স্মরণীয় রাখতে ২১৩টি বৃক্ষ রোপণ
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে স্টার্টআপ বগুড়া এবং বগুড়া জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীরা। তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের বিজিত আসনের সমপরিমাণ অর্থাৎ ২১৩টি বৃক্ষ রোপণ করে বিজয় উৎসব পালন করেছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শাকপালার সিঅ্যান্ডবি পার্কে এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা।

অনুষ্ঠানে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, তাদের অভিভাবক তারেক রহমানের দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার। বগুড়ার শিক্ষার্থীরা যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে সারা দেশের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, লন্ডনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার সময় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই পার্কটির কথা বলেছিলেন। তখন পার্কটির চিত্র ছিল খুবই জরাজীর্ণ। সড়ক ও জনপদের জায়গা হওয়ায় পৌরসভা চাইলেও নিজ উদ্যোগে এর সংস্কার করতে পারেনি। তারপরও দ্রুততম সময়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে পার্কটিকে একটি নতুন রূপ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ পার্কে সকালে হাঁটাহাঁটি করে। শিশুরাও খেলাধুলার জন্য সুন্দর একটি স্থান পেয়েছে।

বাদশা বলেন, তাদের নেতা তারেক রহমান কংক্রিটের কোন স্থাপনা দিয়ে নয়; বরং ইকো ফ্রেন্ডলি সিস্টেমে সবুজায়নে বিশ্বাস করেন। সেদিক থেকেই কাজ করছেন তারা।

আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকা সিবিআরই আইবিএম-এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হাসান মাহবুব জানান, পরিকল্পিত নগরায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ একসঙ্গে এগোতে হবে। যেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১৩টি আসন পেয়েছে, সেজন্য ২১৩টি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূটির সূচনা করা হলো। আজকের এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিল, তরুণরাই পারে পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে।

এ প্রসঙ্গে স্টার্টআপ বগুড়ার সভাপতি মশিউর শাফী বলেন, বগুড়া থেকেই তারা একটি দায়িত্বশীল সূচনা করতে চেয়েছিলেন। তারা অবশ্যই আগামীতে বগুড়াতে স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করবে। পাশাপাশি এরকম সামাজিক উদ্যোগের সাথেও থাকতে চান তারা। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তাদের প্রজন্মের পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রতি একটি অঙ্গীকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।