সারাদেশ

৮ হাজার ২৫০ টন চিটাগুড় নিয়ে মোংলা বন্দরে পানামার জাহাজ


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম

৮ হাজার ২৫০ টন চিটাগুড় নিয়ে মোংলা বন্দরে পানামার জাহাজ
ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে ৮ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন মোলাসেস বা চিটাগুড় নিয়ে পৌঁছেছে পানামার পতাকাবাহী বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এমভি হাই-হং’। মঙ্গলবার দুপুরে জাহাজটি বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে এসে ভেড়ে। বিদেশ থেকে আমদানি করা চিটাগুড়ের এই চালান দেশের উত্তরাঞ্চলে গোখাদ্যের চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হবে।

জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট স্টারপাত সি ট্রেড লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক নাবিল ইসলাম জানান, ইন্দোনেশিয়ার প্রবোলিঙ্গ বন্দর থেকে ৮ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন মোলাসেস নিয়ে জাহাজটি মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে মূল জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়। খালাস করা চিটাগুড় ট্যাংকে সংরক্ষণ করা হবে। পরে মোংলা বন্দর থেকে রেলপথে এসব পণ্য দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হবে। এটি মোংলা বন্দরে আমদানি করা মোলাসেসের চতুর্থ চালান।

নাবিল ইসলাম জানান, ২০২৪ সাল থেকে বিদেশ থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরের মাধ্যমে মোলাসেস আমদানি করা হচ্ছে। গোখাদ্য তৈরির অন্যতম উপকরণ হিসেবে চিটাগুড়ের চাহিদা দেশের উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক। পশুখাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহের ক্ষেত্রে এ পণ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশে আখকল থাকলেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব না হওয়ায় মূলত বিদেশ থেকে মোলাসেস আমদানি করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মোংলা বন্দরে নাব্যতা সংকটের কারণে বড় আকারের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর তুলনামূলক ছোট জাহাজের মাধ্যমে মোলাসেস আমদানির ব্যবস্থা করতে হয়েছে। বন্দরের নাব্যতা সংকট দূর করা গেলে পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে মনে করেন তিনি।

নাবিল ইসলামের মতে, মোংলা বন্দরে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি এবং তা ধরে রাখা গেলে বড় আকারের বাণিজ্যিক জাহাজ সহজেই বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে। এতে একসঙ্গে বেশি পরিমাণ পণ্য পরিবহন সম্ভব হবে, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জটিলতা কমবে এবং সামগ্রিকভাবে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। ফলে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।