সারাবিশ্ব

আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে তেহরান আলোচনা আশাব্যঞ্জক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী


সারাবিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে তেহরান আলোচনা আশাব্যঞ্জক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত চার দেশের নিরাপত্তা বৈঠককে কেন্দ্র করে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তাঁর মতে, আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা, চলমান উত্তেজনা প্রশমন এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানোর উপায় খুঁজে বের করার বিষয়ে আলোচনায় অগ্রগতির কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংকট নিরসন ও একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি-র বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ তেহরানে অনুষ্ঠিত চার দেশের নিরাপত্তা বৈঠক সম্পর্কে এসব কথা বলেন। বৈঠকে ইরান, পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের কর্মকর্তারা অংশ নেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান সংঘাত এবং উত্তেজনা কমিয়ে আনার সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠকে শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিই নয়, যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সংকটের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়েছে। আলোচনায় অগ্রগতির কিছু লক্ষণ দেখতে পাওয়ায় তিনি আশাবাদী বলে জানান। তাঁর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে উত্তেজনা কমানো এবং সংঘাতের অবসান ঘটানোর পথ আরও সুগম হতে পারে।

শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন খাজা আসিফ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাঁদের চলমান উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ ও কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তেহরানের বৈঠকে অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা ও পারস্পরিক সমঝোতার ওপর।