সারাদেশ

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের পুরাণবাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও সংরক্ষণ, পুরোনো চালের সঙ্গে তেল মিশিয়ে চকচকে করে বিক্রি এবং প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার অভিযোগে তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান চলাকালে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি এবং বিক্রির উদ্দেশ্যে ফ্রিজে পচা ও বাসি খাবার সংরক্ষণের দায়ে মাস্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, পুরোনো চালের সঙ্গে তেল মিশিয়ে চকচকে করে বিক্রির অভিযোগে মেসার্স সেলিম খান অ্যান্ড সন্সকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় মেসার্স মৌলভী ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান এসব জরিমানার আদেশ দেন। অভিযুক্ত তিনটি প্রতিষ্ঠানই তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম ও ভোক্তাস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এ সময় মাস্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে সংরক্ষিত পচা ও বাসি খাবার জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় ধ্বংস করা হয়।

অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের পণ্য নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও পণ্য বিক্রি, অবৈধভাবে পণ্য মজুত এবং ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান জানান, ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা এবং বাজারে পণ্যের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে চাঁদপুর জেলা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা করে। জনস্বার্থে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।