রবিবার, ২৬ মে ২০২৪ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

রাণীনগরে অস্ত্রসহ 'ডাকাত দলের' ৪ সদস্য আটক

ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্র এবং ডাকাত দলের আটককৃত ৪ সদস্য। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁর রাণীনগরে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণের সময় আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সক্রিয় চার সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে রাণীনগর থানা চত্বরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান। এর আগে মঙ্গলবার (২এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ দিকে উপজেলার গোনা গ্রামের কামাল সরদারের পুকুরের পশ্চিম পার্শ্বে থেকে তাদের আটক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

আটককৃতরা হলেন- বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার নিমাইকোলা গ্রামের সোনা মিয়া প্রামাণিকের ছেলে শাকিল প্রাং (২৪) ও লিটন মন্ডলের ছেলে মুন্না মন্ডল (১৯), রাণীনগর উপজেলার হরিশপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে আজাদুল ইসলাম (২৮) এবং আতাইকুলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে লিটন হোসেন (২৪)।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বলেন, নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করছিলেন ডাকাত দলের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ওবায়েদের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আজাদুল ইসলাম আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি লোহার শাবল, ২টি লোহার রড, ২টি ছোরা, ১টি চাকু, ১টি হাসুয়া, ৩টি রশি, কসটেপ, বাজার করা ব্যাগ ও ছয় চাকার মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।

ছয় চাকার মিনি ট্রাক উদ্ধার। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

তিনি আরও বলেন, আটকরা রাণীনগর ও তার আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি, ছিনতাই, পথ রোধ করে চুরি ও ডাকাতির কাজ করে আসছিলো। কোন বাসায় ডাকাতি করতে গিয়ে যদি বাঁধার সম্মুখীন হতো তাহলে ওই মানুষগুলোর হাত, পা ও মুখ বেঁধে ডাকাতি করতো। নওগাঁর ১১টি উপজেলাসহ তার আশেপাশের অঞ্চলগুলোর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং আগামীতেও অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

Header Ad

রেমালের প্রভাবে সারা দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে আজ দেশের আট বিভাগেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে, এমন আভাস জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অফিসের ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য বলা হয়। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে। এটি সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

এটি আরো উত্তরদিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় (১৮.৮° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৫° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হলো।

নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলের নদ-নদীতে জোয়ারের পানি বাড়ছে

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলের নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বাড়তে শুরু করেছে। ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে উপকূলের জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধের ওপর আছড়ে পড়ছে পানির স্রোত।

এতে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে উপকূলের মানুষ।

শ্যামনগর উপজেলার উপকূলবর্তী গাবুরা, পদ্মপুকুর, আটুলিয়া, বুড়িগোয়ালিনী, কৈখালী, রমজাননগর ও মুন্সিগঞ্জ এলাকায় নদীপাড়ের বসবাসকারীদের কাছ থেকে জানা গেছে, দুপুরের জোয়ারে স্বাভাবিকের চেয়ে নদীতে দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত পানি বেড়েছে।

উপজেলার আটুলিয়ার জুবায়ের মাহমুদ জানান, উপকূলীয় এলাকায় সকাল থেকেই ঝড়ো বাতাস বইছে। দুপুরের জোয়ারে খোলপেটুয়া নদীতে স্বাভাবিক জোয়ার ছাড়া ২-৩ ফুট পানি বেড়েছে। উত্তাল হতে শুরু করেছে নদী। সঙ্গে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে।

গাবুরা ইউনিয়নের হুদা মালি জানান, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব ও পূর্ণিমার জোয়ারের কারণে খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদীতে স্বাভাবিক জোয়ার ছাড়া ২-৩ ফুট পানি বেড়েছে। তবে গাবুরার পরিস্থিতি এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।

ইতোমধ্যে শ্যামনগর উপকূলের চুনা নদীতে জোয়ারের পানি কয়েক ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় কলবাড়ি জেলেপাড়ায় বসবাসকারী ১৩টি জেলে পরিবারের বসতঘরের আঙিনায় জোয়ারের পানি ওঠার খবর পাওয়া গেছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজিবুল আলম বলেন, শ্যামনগর উপজেলার ১৬৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য বহুতল ভবন নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে। এছাড়া, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী মজুত আছে। আমরা ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা দেখে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করব। তবে সবার জন্য বলব, কেউ যেন ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ আশ্রয়ে না থাকেন।

এদিকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি), রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও রোভার স্কাউটের সদস্যরাও যেকোনো ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তুত আছেন বলে জানা গেছে।

শ্যামনগর উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের টিম লিডার আনিসুর রহমান মিলন বলেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য শ্যামনগর উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের ৭০জন সদস্যের একটি শক্তিশালী টিম ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। এছাড়া শ্যামনগর উপজেলার জন্য যুব রেড ক্রিসেন্টের হটলাইন চালু করা হয়েছে, যার নং- ০১৩০৯-৯৩৫৪১২।

ধেয়ে আসছে রেমাল: পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। আর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় (১৮.৮° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৫° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) ঘূর্ণিঝড় "রিমাল" এ পরিণত হয়েছে।

এটি আজ শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪০৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে।

*পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ০৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সর্তক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত (পুন:) ০৭ (সাত) নম্বর বিপদসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

*চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ০৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত (পুন:) ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

*ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

*ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে দেশের সকল বিভাগে দমকা/ঝড়ো হাওয়া সহ ভারী (৪৪-৮৮ মিমি) থেকে অতি ভারী (২৮৯ মিমি) বর্ষণ হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ছয় জেলাকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে

এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশের ছয় জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

আজ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান। তিনি জানান, এ পর্যন্ত প্রাপ্ত পূর্বাভাস ও ঘূর্ণিঝড় ভূমি অতিক্রমের সম্ভাব্য এলাকার ভিত্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলাগুলো হলো: সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা।

ঘূর্ণিঝড়টি ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিডব্লিউওটি’র প্রধান আবহাওয়া গবেষক খালিদ হোসেনের সই করা এক বার্তায় বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মাঝামাঝি যেকোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। তবে এর সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।

বার্তায় বলা হয়, এ ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ শক্তিমাত্রা হতে পারে ক্যাটাগরি-১। তবে আশা করা যায় ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটারের বেশি এটি গতিবেগ পাবে না। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে এটি তার পূর্ণ শক্তিতে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। যদিও দমকা বা ঝোড়ো বাতাসের বেগ আরও কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদ

রেমালের প্রভাবে সারা দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলের নদ-নদীতে জোয়ারের পানি বাড়ছে
ধেয়ে আসছে রেমাল: পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
‘ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক থেকেই সরকার নেতাকর্মীদের কারাবন্দি করছে’
সিটিকে হারিয়ে ৮ বছর পর এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
আমরা দু’জনই বেহায়া, জয়কে বললেন জায়েদ খান
এমপি আনার হত্যাকাণ্ড, জড়িত শিলাস্তির মিলেছে অজানা পরিচয়
ঠাকুরগাওঁয়ে সোনার খোঁজে মাটি খুঁড়ছে মানুষ
চীন গেল আওয়ামী লীগের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধি দল
প্রতিষ্ঠান সিলগালা: ভোক্তা অধিদপ্তরের তৎপরতা চ্যালেঞ্জ করে তনির রিট
গোবিন্দগঞ্জে বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলেজে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে কাল
চুয়াডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
একই অ্যাপে দুটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন যেভাবে
সাগরে গভীর নিম্নচাপ, উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ
গলায় ফাঁস দিয়ে রুয়েট শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
চুয়াডাঙ্গায় আবারো সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ
রাইসির হেলিকপ্টারে নাশকতার কোনো প্রমাণ মেলেনি
নওগাঁয় শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ
যৌনকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করে কানে সেরা পুরস্কার জিতলেন বাঙালি অভিনেত্রী